Latest Products
Showing posts with label টার্কির ডিম ফুটানো. Show all posts
Showing posts with label টার্কির ডিম ফুটানো. Show all posts

ইনকিউবেটরে টার্কির ডিম ফুটানোঃ তুষ ও বালি পদ্ধতি (পর্ব-০১) | Incubator turkey eggs Chisel and sand method

কোনো পাখি ডিম পাড়ার পর ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর জন্য সেই ডিমে তা দেয় পাখিটি, নিদৃষ্ট দিন পর্যন্ত ডিমে তাপ দিলে সেই ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয়। পাখি বা মুরগী যে ভাবে ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফুটায় সেই নিয়ম গুলো সাঠিক রেখে কৃত্রিম অবাহাওয়া তৈরি করে লক্ষ লক্ষ ডিম এক সাথে নিদৃষ্ট দিনে ফুটানো যায়।

ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর মূল কাজ গুলো হচ্ছেঃ
(১) ডিমে সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখা।
(২) ডিমের বাহিরের আবহাওয়াতে সঠিক পরিমান আদ্রতা বজায় রাখা।
(৩) ডিম গুলো নিদৃষ্ট সময় পর পর সঠিক ভাবে ঘুরিয়ে দেয়া,এবং নিদৃষ্ট দিন পরে ডিম স্থির রাখা।
উক্ত তিনটি পন্থাই হচ্ছে ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর মূল পন্থা। তাহলে এখন ডিম থেকে বাচ্চা ফুটাতে ঐ কাজ গুলো যদি কোনো কৌশল দ্বারা সহজ করা যায় তবে ডিম ফুটাননোর সেই কৌশলকে ডিম ফুটানোর পদ্ধতীও বলা যাবে।”
প্রথমে আমরা তুষ হারিকেন পদ্ধতী নিয়ে আলোচনা করবোঃ
তুষ পদ্ধতী নিয়ে ভাবতে গেলে প্রথমে ভাবতে হবে ডিম ফুটানোর ক্ষেত্রে তুষের ভুমিকা টা আসলে কি.!
বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোন থেকে দেখতে গেলে তুষ হচ্ছে শক্তিশালী তাপ কুপরিবাহী একটি পদার্থ, এখন আমরা জানি ডিম ফুটাতে একটি কক্ষে নিদৃষ্ট তাপমাত্রা বাজায় রাখতে হবে, আর তাপের মাত্রাকে ধরে রাখতে হলে তাপকে আটকে রাখতে হবে।
আর তাপমাত্রাকে একটি বেশি সময় আটকে রাখতে হলে তাপ পরিবাহীত হতে পারেনা এমন পদার্থের দেয়াল তৈরি করতে হবে, সেই সূত্রে তুষ হচ্ছে তাপ রোধক বা তাপ কুপরিবাহী একটি পদার্থ, তাই ডিম রাখার ছোট্ট কক্ষের চারপাশে তুষের পুরু আস্তরন দিয়ে রেখে তাপমাত্রা দির্ঘক্ষণ বজায় রাখা যায়। এইটাই হচ্ছে ডিম ফুটানোর ক্ষেত্রে তুষের ভুমিকা।
একটা বা একাধিক কক্ষে কিছু ডিম কে পুটলি বেঁধে রাখা হয়, ডিম রাখার কক্ষের চারপাশে পুরুকরে তুষের স্তর দেয়া হয় তাপ আটকে রাখার জন্য। তার পাশে একই রকম একটি কক্ষে একটি হারিকেন রাখা হয়, হারিকেনের আগুন থেকে উৎপন্ন উত্তাপ্ত কার্বনডাইঅক্সাইড তাপকে ছাড়িয়ে দেয় ঐ কক্ষের বাতাসে সেখান থেকে ছোট ছিদ্রর চুঙ্গা দিয়ে পাশে ডিম রাখার কক্ষ গুলোত তাপ সঞ্চার হতে থাকে। ২/৩ঘন্টা পর পর ডিমের পুটলি গুলোকে উল্টিয়ে দিতে হয়, এবং মাঝে মাঝে ডিম ভিজা কাপড় দিয়ে মুছে দিতে। তাপমাত্রা যদি খুব বেশি হয়ে যায় তবে ডিম গুলোতে বাতাস দিয়ে ডিমকে ঠান্ডা করতে হয়। হেচিং এর আগে পর্যন্ত বা ১৪ দিন এই ভাবে ডিম গুলোকে পুটলি বেঁধে তাপ দিতে হয়, হেচিংএর সময় একটা ঘরে সঠিক তাপমাত্রা রেখে, বাঁশ বা কাঠ দিয়ে বানানো একটা ট্রে তে ডিম গুলো ছড়িয়ে দিয়ে তাপ দিতে হয়,এবং মাঝে মাঝে ডিম গুলোকে ভিজা কাপড় দিয়ে মুছে দিতে হয় অথবা ডিমের ট্রের মাঝে মাঝে পানির পাত্র রাখা হয়। এখন আমরা জানলাম হারিকেন তাপ তৈরি করে, হারিকেনের তেল খরচ যাতে কম হয় অল্প জ্বালানীতে যাতে অনেক বেশি ডিম ফুটানো যায় সেই জন্য তাপমাত্রা আটকে রাখাতে তুষ ব্যবহার করা হয় এই হলো তুষের ভুমিকা। এরপরে ডিমের পুটলি উলট পালট করার মাধ্যমে ডিম ঘুরানো হয়। ভিজা কাপড় দিয়ে ডিম মুছা অথবা ডিমের পাশে পানির বাটি রাখা হয় আদ্রতা তৈরির জন্য। তুষ পদ্ধতীকে আমরা দির্ঘ সময় তাপ আটকানোর পদ্ধতীও বলতে পারি।
এবার বালি হারিকেন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করবোঃ
এবারও আমার জানবো বালি ডিম ফুটানোর ক্ষেত্রে কি ভুমিকা রাখতে পারে, ইনকিউবেটরের ভিতর বালি ব্যবহার করলে কোন কাজ গুলো সহজ হয়। বালি বা বালু মূলত হারিকেন চালিত ইনকিউবেটরে ব্যবহার হয়। বালি ও তাপমত্রাকে আটকে রাখতে পারে, বালি তাপমাত্রাকে ধিরে ধিরে সমানভাবে ছড়াতে পারে। আমরা জানি হারিকেন চালিত ইনকিউবেটরে হারিকেনের মাথার উপরে তাপ অনেক বেশি থাকে, কিন্তু সব ডিমে তাপমাত্রা সমান থাকলেই সব ডিম গুলো ফুটবে, হারিকেন চালিত ইনকিউবেটর সার্কুলেশন ফ্যান ব্যবাহার করলেও সমস্যা হয়, তাই তাপমাত্রাকে সমানভাবে ছড়িয়ে দিয়ে তাপমাত্রাকে ধিরে ধিরে উপরে ওঠার জন্য হারিকেনের মাথার উপর ধতব পাত দিয়ে তার উপর বালি ছড়িয়ে দিতে হয় বালি তাপমাত্রাকে এবং কার্বোড্রাইঅক্সাইডকে সরাসরি উপরে উঠতে দেয়না। বালি হারিকেনের তাপকে ধিরে ধিরে সমান ভাবে ছড়িয়ে দেয়। এছাড়াও বালি আদ্রতা শোষনের জন্য ব্যবহার করা হয় ইনকিউবেটরে। হারিকেনের পাশে বা ডিমের ট্রের মাঝে বাটিতে করে বালি রেখে দিলে আদ্রতা কিছুটা শোষিত হয়। তাহলে বুঝাগেলো বালি দ্বারা হারিকেনের তাপ ইনকিউবেটরে ভিতর ছাড়ানো এবং আদ্রতা শোষনের জন্য যে ভাবে বালি ব্যবহার করাহয় তাকে বালি পদ্ধতী বলে।
আমরা বুঝলাম যে ভাবেই ডিম ফুটানো হোকনাকেনো সঠিক তাপমাত্রা সঠিক আদ্রতা সঠিক সময় ডিম ঘুরানো এবং সঠিক সময়ে ডিম স্থীর রাখা, এই মুল নিয়ম গুলো একই থাকে। সেই নিয়ম গুলোকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে অনেক পদ্ধতীতে রুপান্তরিত হয়েছে। প্রোল্ট্রি শিল্পে এতবড় প্রয়োজনীয় একটা মেশিনকে এমন ভাবে বিভিন্ন পদ্ধতীর মাধ্যমে যারা রহস্যময় করে রেখেছে তাদের একটু হলেও বোঝা উচিৎ সকল খামারীর অন্তরে ছোট্ট একটা স্বপ্ন থাকে নিজের খামারের ডিম গুলো নিজের মেশিনে ফুটাবে, সেই ছোট খামারী ভাইদের মনের সেই স্বপ্ন গুলো কোনো আমরা রহস্যের জালে জড়িয়ে রেখেছি! ছোট খামারী ভাইদের কাছে রহস্য ছাড়া ইনকিউবেটর বানানো শিখিয়ে দেয়া আমাদের সকলের দ্বায়িত্ব।
কোনো পাখি ডিম পাড়ার পর ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর জন্য সেই ডিমে তা দেয় পাখিটি, নিদৃষ্ট দিন পর্যন্ত ডিমে তাপ দিলে সেই ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয়। পাখি বা মুরগী যে ভাবে ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফুটায় সেই নিয়ম গুলো সাঠিক রেখে কৃত্রিম অবাহাওয়া তৈরি করে লক্ষ লক্ষ ডিম এক সাথে নিদৃষ্ট দিনে ফুটানো যায়।

ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর মূল কাজ গুলো হচ্ছেঃ
(১) ডিমে সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখা।
(২) ডিমের বাহিরের আবহাওয়াতে সঠিক পরিমান আদ্রতা বজায় রাখা।
(৩) ডিম গুলো নিদৃষ্ট সময় পর পর সঠিক ভাবে ঘুরিয়ে দেয়া,এবং নিদৃষ্ট দিন পরে ডিম স্থির রাখা।
উক্ত তিনটি পন্থাই হচ্ছে ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর মূল পন্থা। তাহলে এখন ডিম থেকে বাচ্চা ফুটাতে ঐ কাজ গুলো যদি কোনো কৌশল দ্বারা সহজ করা যায় তবে ডিম ফুটাননোর সেই কৌশলকে ডিম ফুটানোর পদ্ধতীও বলা যাবে।”
প্রথমে আমরা তুষ হারিকেন পদ্ধতী নিয়ে আলোচনা করবোঃ
তুষ পদ্ধতী নিয়ে ভাবতে গেলে প্রথমে ভাবতে হবে ডিম ফুটানোর ক্ষেত্রে তুষের ভুমিকা টা আসলে কি.!
বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোন থেকে দেখতে গেলে তুষ হচ্ছে শক্তিশালী তাপ কুপরিবাহী একটি পদার্থ, এখন আমরা জানি ডিম ফুটাতে একটি কক্ষে নিদৃষ্ট তাপমাত্রা বাজায় রাখতে হবে, আর তাপের মাত্রাকে ধরে রাখতে হলে তাপকে আটকে রাখতে হবে।
আর তাপমাত্রাকে একটি বেশি সময় আটকে রাখতে হলে তাপ পরিবাহীত হতে পারেনা এমন পদার্থের দেয়াল তৈরি করতে হবে, সেই সূত্রে তুষ হচ্ছে তাপ রোধক বা তাপ কুপরিবাহী একটি পদার্থ, তাই ডিম রাখার ছোট্ট কক্ষের চারপাশে তুষের পুরু আস্তরন দিয়ে রেখে তাপমাত্রা দির্ঘক্ষণ বজায় রাখা যায়। এইটাই হচ্ছে ডিম ফুটানোর ক্ষেত্রে তুষের ভুমিকা।
একটা বা একাধিক কক্ষে কিছু ডিম কে পুটলি বেঁধে রাখা হয়, ডিম রাখার কক্ষের চারপাশে পুরুকরে তুষের স্তর দেয়া হয় তাপ আটকে রাখার জন্য। তার পাশে একই রকম একটি কক্ষে একটি হারিকেন রাখা হয়, হারিকেনের আগুন থেকে উৎপন্ন উত্তাপ্ত কার্বনডাইঅক্সাইড তাপকে ছাড়িয়ে দেয় ঐ কক্ষের বাতাসে সেখান থেকে ছোট ছিদ্রর চুঙ্গা দিয়ে পাশে ডিম রাখার কক্ষ গুলোত তাপ সঞ্চার হতে থাকে। ২/৩ঘন্টা পর পর ডিমের পুটলি গুলোকে উল্টিয়ে দিতে হয়, এবং মাঝে মাঝে ডিম ভিজা কাপড় দিয়ে মুছে দিতে। তাপমাত্রা যদি খুব বেশি হয়ে যায় তবে ডিম গুলোতে বাতাস দিয়ে ডিমকে ঠান্ডা করতে হয়। হেচিং এর আগে পর্যন্ত বা ১৪ দিন এই ভাবে ডিম গুলোকে পুটলি বেঁধে তাপ দিতে হয়, হেচিংএর সময় একটা ঘরে সঠিক তাপমাত্রা রেখে, বাঁশ বা কাঠ দিয়ে বানানো একটা ট্রে তে ডিম গুলো ছড়িয়ে দিয়ে তাপ দিতে হয়,এবং মাঝে মাঝে ডিম গুলোকে ভিজা কাপড় দিয়ে মুছে দিতে হয় অথবা ডিমের ট্রের মাঝে মাঝে পানির পাত্র রাখা হয়। এখন আমরা জানলাম হারিকেন তাপ তৈরি করে, হারিকেনের তেল খরচ যাতে কম হয় অল্প জ্বালানীতে যাতে অনেক বেশি ডিম ফুটানো যায় সেই জন্য তাপমাত্রা আটকে রাখাতে তুষ ব্যবহার করা হয় এই হলো তুষের ভুমিকা। এরপরে ডিমের পুটলি উলট পালট করার মাধ্যমে ডিম ঘুরানো হয়। ভিজা কাপড় দিয়ে ডিম মুছা অথবা ডিমের পাশে পানির বাটি রাখা হয় আদ্রতা তৈরির জন্য। তুষ পদ্ধতীকে আমরা দির্ঘ সময় তাপ আটকানোর পদ্ধতীও বলতে পারি।
এবার বালি হারিকেন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করবোঃ
এবারও আমার জানবো বালি ডিম ফুটানোর ক্ষেত্রে কি ভুমিকা রাখতে পারে, ইনকিউবেটরের ভিতর বালি ব্যবহার করলে কোন কাজ গুলো সহজ হয়। বালি বা বালু মূলত হারিকেন চালিত ইনকিউবেটরে ব্যবহার হয়। বালি ও তাপমত্রাকে আটকে রাখতে পারে, বালি তাপমাত্রাকে ধিরে ধিরে সমানভাবে ছড়াতে পারে। আমরা জানি হারিকেন চালিত ইনকিউবেটরে হারিকেনের মাথার উপরে তাপ অনেক বেশি থাকে, কিন্তু সব ডিমে তাপমাত্রা সমান থাকলেই সব ডিম গুলো ফুটবে, হারিকেন চালিত ইনকিউবেটর সার্কুলেশন ফ্যান ব্যবাহার করলেও সমস্যা হয়, তাই তাপমাত্রাকে সমানভাবে ছড়িয়ে দিয়ে তাপমাত্রাকে ধিরে ধিরে উপরে ওঠার জন্য হারিকেনের মাথার উপর ধতব পাত দিয়ে তার উপর বালি ছড়িয়ে দিতে হয় বালি তাপমাত্রাকে এবং কার্বোড্রাইঅক্সাইডকে সরাসরি উপরে উঠতে দেয়না। বালি হারিকেনের তাপকে ধিরে ধিরে সমান ভাবে ছড়িয়ে দেয়। এছাড়াও বালি আদ্রতা শোষনের জন্য ব্যবহার করা হয় ইনকিউবেটরে। হারিকেনের পাশে বা ডিমের ট্রের মাঝে বাটিতে করে বালি রেখে দিলে আদ্রতা কিছুটা শোষিত হয়। তাহলে বুঝাগেলো বালি দ্বারা হারিকেনের তাপ ইনকিউবেটরে ভিতর ছাড়ানো এবং আদ্রতা শোষনের জন্য যে ভাবে বালি ব্যবহার করাহয় তাকে বালি পদ্ধতী বলে।
আমরা বুঝলাম যে ভাবেই ডিম ফুটানো হোকনাকেনো সঠিক তাপমাত্রা সঠিক আদ্রতা সঠিক সময় ডিম ঘুরানো এবং সঠিক সময়ে ডিম স্থীর রাখা, এই মুল নিয়ম গুলো একই থাকে। সেই নিয়ম গুলোকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে অনেক পদ্ধতীতে রুপান্তরিত হয়েছে। প্রোল্ট্রি শিল্পে এতবড় প্রয়োজনীয় একটা মেশিনকে এমন ভাবে বিভিন্ন পদ্ধতীর মাধ্যমে যারা রহস্যময় করে রেখেছে তাদের একটু হলেও বোঝা উচিৎ সকল খামারীর অন্তরে ছোট্ট একটা স্বপ্ন থাকে নিজের খামারের ডিম গুলো নিজের মেশিনে ফুটাবে, সেই ছোট খামারী ভাইদের মনের সেই স্বপ্ন গুলো কোনো আমরা রহস্যের জালে জড়িয়ে রেখেছি! ছোট খামারী ভাইদের কাছে রহস্য ছাড়া ইনকিউবেটর বানানো শিখিয়ে দেয়া আমাদের সকলের দ্বায়িত্ব।
আরো পড়ুন>

ইনকিউবেটরে টার্কির ডিম ফুটানোঃ আদ্রতা নিয়ন্ত্রন (পর্ব-০২) | Turkey egg boiling humidity control in incubator

সবকিছু ঠিক থাকা শর্তেও ইনকিউবেটরে ১০০% বাচ্চা না ফোটার মুল কারন হচ্ছে আদ্রতা সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে না পারা, এখন কার ইনকিউবেটর গুলিতে অটোমেটিক আদ্রতা নিয়ন্ত্রনের কোনো সিষ্টেম থাকেনা বললেই চলে। এই আদ্রতা আসলে কিভাবে সহজে কম খরচে নিয়ন্ত্রণ করাযায় সেটাই আজ জানবো আমরা। বাতসে জলিয় বাস্পের উপস্থিতিকে আদ্রতা বলাহয়, ইনকিউবেটরের ভেতরে যখন বাতাস আদ্র হয় তখন সেই বাতাসে পানির অনুগুলি ডিমের সংস্পর্শে এসে ডিমের খোসায় ক্যলসিয়াম কার্বোনেট তৈরি করে যার ফলে সেই ডিমের ভেতরে থাকা ভ্রুনে অক্সিজেন গ্রহনের পথ বন্ধ হয়ে যায় এবং ভ্রুন মারা যায়, আর বাতাসে আদ্রতা কম থাকলে ডিম উত্তাপের ফলে ডিমের খোসা ভঙ্গুর হয় এবং ডিমের ভিতরে বাচ্চা দুর্বল হয়ে মারা যায়। তাই এই আদ্রতাকে সব সময় স্বভাবিক রাখতে হয়, কিন্তু সেটা জন্য তেমন কোনো অধুনিক প্রযুক্তি আমাদের হাতের নাগালে নেই, আর আদ্রতা নিয়ন্ত্রন মেশিন গুলো মুলত অনেক বেশি পরিমানে বিদ্যুৎ খরচ করে।

বৃষ্টির সময় বাতাস আদ্র থাকে কারন বাতাসের অনুর সাথে পানির অনুর স্পর্স হয়, এটাকে কৃতীম উপায়ে এবং পম্প ছাড়া করার জন্য, ছোট্ট একটা পাত্রেমধ্যে পানি দিবেন, একটা ৬ ভোল্টেজ হাইস্পিড মোটর সেখানে সেট করবেন, মোটরে ছেট একটা পাখা এমন ভাবে লাগাবে যাতে পাখার অর্ধেক পানির ভিতর এবং অর্ধেক পানির উপরে থাকে, এখন পাত্র টা বন্ধ করে মোটর অন করুন, দেখবেন পানি ভিষণ জোরে ছিটছে, অর্থাৎ পানির অনুএবং বাতাশের অনু মিশ্রিত হয়ে বাতাসকে আদ্র করছে, এখন সেই বাতাসকে একটা ফ্যন দিয়ে ইনকিউবেটরেরর ভেতরে ছড়িয়ে দিন দেখবেন আদ্রতা বাড়ছে ঐ মোটর আর ফ্যন কন্ট্রোলারের সাথে যুক্ত করুন, দেখবেন আদ্রতা স্বভাবিক হলে কন্ট্রলার মোটর এবং ফ্যনকে অফ করবে, এবং আদ্রতা কমেগেলে নিজে থেকেই ফ্যন চালু হবে। এখন দ্বিতীয় অংশ কন্ট্রোল করার উপায় বলবো, ধরুন ইনকিউবেটরের ভেতরে এবং বাহিরে আদ্রতা খুব বেশি তখন আদ্রতা কমাবেন কেমন করে! আমরা জানি বালি অথবা ক্যলসিয়াম কার্বনেট অধিক পরিমানে আদ্রতা শোষণ কারি পদার্থ, ক্যলসিমাম কার্বোনেট মুলত “চুন”, এখন বাজার থেকে একটা বড় পাথর চুনের টুকরো কিনবেন, সাবধানে সেটার মধ্যে বেশ কিছু ফুটো করুন এখন সেই চুন কে একটা পাত্রে রাখলেন এবার সেই পাত্রের মুখে একটা ফ্যন লাগান, এখন ইনকিউবেটরের ভেতরের বাতাস গুলো পাথর চুনের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত করো আবার ইনকিবেটরের ভেতরে পাঠান দেখবেন আদ্রতা কমতে শুরু করেছে এভাবে কিছু ক্ষণ চালু রাখুন দেখবেন আদ্রতাকমে এসেছে, পাথর চুনের পাত্রটির মুখের ফ্যনটি কন্ট্রোলারের সাথে যুক্ত করুন দেখবেন আদ্রতা স্বাভাবিক হলে ফ্যনটি বন্ধ হবে, আদ্রতা বেশি হলে ফ্যনটি আবার চালু হবে। কিছদিন পরপর পাথর চুনের টুকরো টা রোদে শুকিয়ে নিন, দেখবেন অনেক ভালো কাজ করছে।
ইনকিবেটরে আদ্রতা কন্ট্রোল করার ব্যপারে নতুন কিছু জানবো , আদ্রতাকে নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য সবার আগে আমাদের জানতে হবে আদ্রতার জন্ম হয় কোথায়, আর আদ্রতা শেষ হয় কোথায়। প্রথমে জানবো বাতাস আদ্র হয় কেনো, বিজ্ঞানের সুত্র অনুযায়ী বাতাস যত উত্তাপ্ত হবে বাতাসে পানি শোষণ করার ক্ষমতা তত বাড়বে, আবার বাতাস যত শিতল হবে বাতাস থেকে তত পানির অনু বের হয়ে আসবে, বাতাস থেকে আদ্রতা বের করার একটা ছোট পরিক্ষা করা যাক, দুপুরে যখন আবহাওয়া একটু গরম হয় তখন ফ্রিজ থেকে কয়েক টুকরো বরফ বের করুন এবং একটি শুকনো কাচের পাত্রে বরফ গুলি রাখুন, এবার পাত্রের মুখটা বন্ধ করুন, কিছুক্ষণ পরে দেখুন সেই পাত্রের বাহির পিষ্টে পানির বুদ বুদ জমেছে, এবার ভবুন তো পানি কোথায় থেকে এলো, তবে কি কাঁচ ভেত করে পানি বেরিয়ে এলো! না। আসলে পাত্রের গা অত্যান্ত ঠান্ডা হওয়াতে ঐ পাত্রের সংস্পর্শে যে সুমস্ত বাতাসের অনু এসেছে সেই বাতাস অদ্রতা বা পানির অনু ধরে রাখার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে, যার ফলে বাতাসে থাকা সেই পানিগুলি এখন কাঁচের প্রাত্রের গায়েই লেগে আছে, এখন বোঝা গেলো বাতাস থেকে তাড়াতারি আদ্রতা শোষণের সব চেয়ে কার্জকারী উপায় হলো বাতাস কে শীতল করা, আর অদ্রতা তৈরি হতে তিনটি বিষয় লাগে প্রথমত পানি দ্বিতীয়ত বাতাস এবং তৃতীয়ত তাপ, আপনি যদি তিনটি জিনিষ কোনো জায়গায় একটা নিদৃষ্ট পরিমান রাখতে পারেন তবে ঐ জায়গায় আদ্রতাও নিদৃষ্ট পরিমানই থাকবে, এই বিষয় টাই আমাদের ইনকিউবেটরের সাথে মিলিয়ে রাখতে হবে।
আর আদ্রতা ধংস করার সব চেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে প্রথমে বাতাসকে ঠান্ডা করে আদ্রতা ঝরিয়ে নিয়ে সমস্থ পানি সরিয়ে নিয়ে সেই বাতাসকে গরম করে ইনিউবেটরের ভেতর পাঠানো, কিন্তু আদ্রতা বাড়ানোর ক্ষেত্র ইনকিউবের ভেতরে কতটুকু জায়গা আছে, ইনকিউবেটরের বডিটা কতক্ষণে কতটুকু তাপ শোষণ করে, বাহিরে তাপমাত্রা কত সেগুলি জেনে একটা হিসেব করে ভেতরের পানির আয়তন বাড়িয়ে আদ্রতা স্বভাবিক রাখা সম্ভব।
ইনকিউবেটরে ইমার্জেনসি আদ্রতা তৈরির পদ্ধতী জানাবো, পদ্ধতীটা বেস মজার এবং হাস্যকর কিন্তু বিপদের সময় এটাই আপনার অনেক উপকার করবে, খুব বড় ইনকিউবেটরে কাজ নাও করতে পারে। শীতকালে বাতাসের আদ্রতা খুব কম থাকে, আজ সকালেও অনেক শীত পড়েছিলো আমারও ভিষণ করছিলো শীতের কারনে মাঝে মাঝে হা করে থেকে মুখ দিয়ে নিঃস্বাস নিচ্ছিলাম হঠাৎ খেয়াল করেদেখি মুখ দিয়ে ধোঁয়ার মত বাতাস বের হচ্ছে, এটা নিয়েই গবেষণা শুরু করেদিলাম, এই বাতাস অনেক আদ্র, এখন আপনার ইনকিউবেটরে আদ্রতা যদি খুবই কমে যায় এবং তা কোনো ভাবে বাড়াতে না পারেন, তবে নিজে মুখ দিয়ে ফু দিয়ে ইনকিউবেটরের ভেতরে বাতাস ঢুকিয়ে ইনকিউবেটরের ভেতরে তৎক্ষনাৎ আদ্রতা তৈরি করতে পারবেন, আমাদের ফুসফুসের ভেতরে যতটা বাতাস থাকে পুরোটা কর্বোনডাই অক্সাইড নয় এতে অনেটা আক্সিজেনও থাকে তাই এটা ডিমের ভিতরে ভ্রুনের কোনো ক্ষতি করবেনা।
বিশেষ কথাঃ ডিমের ভিতর থেকে ছোট্ট ভ্রুনকে বাচ্চায় রুপান্তরিত করার প্রধান ভুমিকা পালান করে নিদৃষ্ট তাপমাত্রা। একটা কক্ষে সব জায়গায় সঠিক ভাবে ডিম ফুটার জন্য নিদৃষ্ট তাপমাত্রা রেখে সেই কক্ষে কিছু উর্বর ডিম রাখলে ডিমের ভিতরে ভ্রুনের কোষ বিভাজোন হতে থাকে, তাপমাত্রা সঠিক রেখে ভ্রুনের সঠিক বৃদ্ধির জন্য ডিম গুলো নিদৃষ্ট সময় পর পর এদিক ওদিক উল্টে দিলে, নিদৃষ্ট দিনে সেই ভ্রুন বাচ্চায় পরিনিত হয়। কিন্তু ডিমের ভিতরে তরল পদার্থ সঠিক সময়ে সঠিক পরিমান না শুকালে ডিমের ভিতর বাচ্চা বড় হয়েও মৃত্যু বরণ করে, ডিমের ভিতরে তরল সঠিক সময়ে শুকানোর জন্য ডিমের বাহিরে ইনকিউবেটরের ভিতরের বাতাসে নিদৃষ্ট পরিমান আদ্রতা বজায় রাখতে হয়। তাপমাত্রা ভ্রুন বড় করে, ডিম ঘুরানো হয় ভ্রুনের সঠিক বৃদ্ধির জন্য এবং নিদৃষ্ট আদ্রতা ডিমের তরল শুকাতে সাহায্য করে। একটি বিষয় লক্ষণীয়, তাপমাত্রা ভ্রুন বড় করে সেই জন্য তাপমাত্রাকে প্রথম থেকেএকটা নিদৃষ্ট সময় পর্যন্ত শেষের সপ্তাহ অপেক্ষা একটু বেশি তাপমাত্রা রাখতে হয় যাতে ভ্রুনের বৃদ্ধিটা নিদৃষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। ডিম ঘুরানো হয় ভ্রুনের সঠিক বৃদ্ধির জন্য সেই কারনে প্রথম থেকে একটা নিদৃষ্ট সময় পর্যন্ত ডিম ঘুরানো হয় যাতে ঐ সময়ের মধ্যেই যে করনে ডিম ঘুরানো হয় সেটা সম্পূর্ণ হয়। আদ্রতা ডিমের তরল শুকাতে সাহায্য করে সেই জন্য প্রথম থেকে আদ্রতাকে একটা নিদৃষ্ট সময় পর্যন্ত শেষের সপ্তাহ অপেক্ষা কম আদ্রতা রাখা হয় যাতে ঐ সময়ের মধ্যে সঠিকভাবে ডিম শুকানোর কাজ সম্পূর্ন হয়। প্রথম থেকে সেই নিদৃষ্ট সময় হচ্ছে হেচিংএর আগে পর্যন্ত। তাহলে বোঝাগেলো হেচিংএর আগেই ডিমের ভিতরে বাচ্চার সঠিক বৃদ্ধি এবং সঠিক পরিমানে ডিমের তরল শুকানোর কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে, যাতে হেচিংএর সময় অনায়াসে বাচ্চা ফুটে বের হতে পারে। সেই জন্য ইনকিউবেটরে ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর সময়কে দুইভাগে ভাগ করা হয় প্রথম ভাগে সাঠিক ভাবে ভ্রুনকে বাচ্চায় পরিনিত করা, দ্বিতীয় ভাগে সেই বাচ্চাকে সঠিকভাবে ডিম থেকে বের হরার ব্যবস্থা করা। ‘মূলত ইনকিউবেটর হচ্ছে ডিম দেবার প্রথম থেকে শুরু করে ডিম ফুটা পর্যন্ত সঠিক যত্ন নেয়া এবং ডিম ফুটার উপযোগী আবহাওয়া বজায় রাখার কক্ষ।
সবকিছু ঠিক থাকা শর্তেও ইনকিউবেটরে ১০০% বাচ্চা না ফোটার মুল কারন হচ্ছে আদ্রতা সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে না পারা, এখন কার ইনকিউবেটর গুলিতে অটোমেটিক আদ্রতা নিয়ন্ত্রনের কোনো সিষ্টেম থাকেনা বললেই চলে। এই আদ্রতা আসলে কিভাবে সহজে কম খরচে নিয়ন্ত্রণ করাযায় সেটাই আজ জানবো আমরা। বাতসে জলিয় বাস্পের উপস্থিতিকে আদ্রতা বলাহয়, ইনকিউবেটরের ভেতরে যখন বাতাস আদ্র হয় তখন সেই বাতাসে পানির অনুগুলি ডিমের সংস্পর্শে এসে ডিমের খোসায় ক্যলসিয়াম কার্বোনেট তৈরি করে যার ফলে সেই ডিমের ভেতরে থাকা ভ্রুনে অক্সিজেন গ্রহনের পথ বন্ধ হয়ে যায় এবং ভ্রুন মারা যায়, আর বাতাসে আদ্রতা কম থাকলে ডিম উত্তাপের ফলে ডিমের খোসা ভঙ্গুর হয় এবং ডিমের ভিতরে বাচ্চা দুর্বল হয়ে মারা যায়। তাই এই আদ্রতাকে সব সময় স্বভাবিক রাখতে হয়, কিন্তু সেটা জন্য তেমন কোনো অধুনিক প্রযুক্তি আমাদের হাতের নাগালে নেই, আর আদ্রতা নিয়ন্ত্রন মেশিন গুলো মুলত অনেক বেশি পরিমানে বিদ্যুৎ খরচ করে।

বৃষ্টির সময় বাতাস আদ্র থাকে কারন বাতাসের অনুর সাথে পানির অনুর স্পর্স হয়, এটাকে কৃতীম উপায়ে এবং পম্প ছাড়া করার জন্য, ছোট্ট একটা পাত্রেমধ্যে পানি দিবেন, একটা ৬ ভোল্টেজ হাইস্পিড মোটর সেখানে সেট করবেন, মোটরে ছেট একটা পাখা এমন ভাবে লাগাবে যাতে পাখার অর্ধেক পানির ভিতর এবং অর্ধেক পানির উপরে থাকে, এখন পাত্র টা বন্ধ করে মোটর অন করুন, দেখবেন পানি ভিষণ জোরে ছিটছে, অর্থাৎ পানির অনুএবং বাতাশের অনু মিশ্রিত হয়ে বাতাসকে আদ্র করছে, এখন সেই বাতাসকে একটা ফ্যন দিয়ে ইনকিউবেটরেরর ভেতরে ছড়িয়ে দিন দেখবেন আদ্রতা বাড়ছে ঐ মোটর আর ফ্যন কন্ট্রোলারের সাথে যুক্ত করুন, দেখবেন আদ্রতা স্বভাবিক হলে কন্ট্রলার মোটর এবং ফ্যনকে অফ করবে, এবং আদ্রতা কমেগেলে নিজে থেকেই ফ্যন চালু হবে। এখন দ্বিতীয় অংশ কন্ট্রোল করার উপায় বলবো, ধরুন ইনকিউবেটরের ভেতরে এবং বাহিরে আদ্রতা খুব বেশি তখন আদ্রতা কমাবেন কেমন করে! আমরা জানি বালি অথবা ক্যলসিয়াম কার্বনেট অধিক পরিমানে আদ্রতা শোষণ কারি পদার্থ, ক্যলসিমাম কার্বোনেট মুলত “চুন”, এখন বাজার থেকে একটা বড় পাথর চুনের টুকরো কিনবেন, সাবধানে সেটার মধ্যে বেশ কিছু ফুটো করুন এখন সেই চুন কে একটা পাত্রে রাখলেন এবার সেই পাত্রের মুখে একটা ফ্যন লাগান, এখন ইনকিউবেটরের ভেতরের বাতাস গুলো পাথর চুনের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত করো আবার ইনকিবেটরের ভেতরে পাঠান দেখবেন আদ্রতা কমতে শুরু করেছে এভাবে কিছু ক্ষণ চালু রাখুন দেখবেন আদ্রতাকমে এসেছে, পাথর চুনের পাত্রটির মুখের ফ্যনটি কন্ট্রোলারের সাথে যুক্ত করুন দেখবেন আদ্রতা স্বাভাবিক হলে ফ্যনটি বন্ধ হবে, আদ্রতা বেশি হলে ফ্যনটি আবার চালু হবে। কিছদিন পরপর পাথর চুনের টুকরো টা রোদে শুকিয়ে নিন, দেখবেন অনেক ভালো কাজ করছে।
ইনকিবেটরে আদ্রতা কন্ট্রোল করার ব্যপারে নতুন কিছু জানবো , আদ্রতাকে নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য সবার আগে আমাদের জানতে হবে আদ্রতার জন্ম হয় কোথায়, আর আদ্রতা শেষ হয় কোথায়। প্রথমে জানবো বাতাস আদ্র হয় কেনো, বিজ্ঞানের সুত্র অনুযায়ী বাতাস যত উত্তাপ্ত হবে বাতাসে পানি শোষণ করার ক্ষমতা তত বাড়বে, আবার বাতাস যত শিতল হবে বাতাস থেকে তত পানির অনু বের হয়ে আসবে, বাতাস থেকে আদ্রতা বের করার একটা ছোট পরিক্ষা করা যাক, দুপুরে যখন আবহাওয়া একটু গরম হয় তখন ফ্রিজ থেকে কয়েক টুকরো বরফ বের করুন এবং একটি শুকনো কাচের পাত্রে বরফ গুলি রাখুন, এবার পাত্রের মুখটা বন্ধ করুন, কিছুক্ষণ পরে দেখুন সেই পাত্রের বাহির পিষ্টে পানির বুদ বুদ জমেছে, এবার ভবুন তো পানি কোথায় থেকে এলো, তবে কি কাঁচ ভেত করে পানি বেরিয়ে এলো! না। আসলে পাত্রের গা অত্যান্ত ঠান্ডা হওয়াতে ঐ পাত্রের সংস্পর্শে যে সুমস্ত বাতাসের অনু এসেছে সেই বাতাস অদ্রতা বা পানির অনু ধরে রাখার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে, যার ফলে বাতাসে থাকা সেই পানিগুলি এখন কাঁচের প্রাত্রের গায়েই লেগে আছে, এখন বোঝা গেলো বাতাস থেকে তাড়াতারি আদ্রতা শোষণের সব চেয়ে কার্জকারী উপায় হলো বাতাস কে শীতল করা, আর অদ্রতা তৈরি হতে তিনটি বিষয় লাগে প্রথমত পানি দ্বিতীয়ত বাতাস এবং তৃতীয়ত তাপ, আপনি যদি তিনটি জিনিষ কোনো জায়গায় একটা নিদৃষ্ট পরিমান রাখতে পারেন তবে ঐ জায়গায় আদ্রতাও নিদৃষ্ট পরিমানই থাকবে, এই বিষয় টাই আমাদের ইনকিউবেটরের সাথে মিলিয়ে রাখতে হবে।
আর আদ্রতা ধংস করার সব চেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে প্রথমে বাতাসকে ঠান্ডা করে আদ্রতা ঝরিয়ে নিয়ে সমস্থ পানি সরিয়ে নিয়ে সেই বাতাসকে গরম করে ইনিউবেটরের ভেতর পাঠানো, কিন্তু আদ্রতা বাড়ানোর ক্ষেত্র ইনকিউবের ভেতরে কতটুকু জায়গা আছে, ইনকিউবেটরের বডিটা কতক্ষণে কতটুকু তাপ শোষণ করে, বাহিরে তাপমাত্রা কত সেগুলি জেনে একটা হিসেব করে ভেতরের পানির আয়তন বাড়িয়ে আদ্রতা স্বভাবিক রাখা সম্ভব।
ইনকিউবেটরে ইমার্জেনসি আদ্রতা তৈরির পদ্ধতী জানাবো, পদ্ধতীটা বেস মজার এবং হাস্যকর কিন্তু বিপদের সময় এটাই আপনার অনেক উপকার করবে, খুব বড় ইনকিউবেটরে কাজ নাও করতে পারে। শীতকালে বাতাসের আদ্রতা খুব কম থাকে, আজ সকালেও অনেক শীত পড়েছিলো আমারও ভিষণ করছিলো শীতের কারনে মাঝে মাঝে হা করে থেকে মুখ দিয়ে নিঃস্বাস নিচ্ছিলাম হঠাৎ খেয়াল করেদেখি মুখ দিয়ে ধোঁয়ার মত বাতাস বের হচ্ছে, এটা নিয়েই গবেষণা শুরু করেদিলাম, এই বাতাস অনেক আদ্র, এখন আপনার ইনকিউবেটরে আদ্রতা যদি খুবই কমে যায় এবং তা কোনো ভাবে বাড়াতে না পারেন, তবে নিজে মুখ দিয়ে ফু দিয়ে ইনকিউবেটরের ভেতরে বাতাস ঢুকিয়ে ইনকিউবেটরের ভেতরে তৎক্ষনাৎ আদ্রতা তৈরি করতে পারবেন, আমাদের ফুসফুসের ভেতরে যতটা বাতাস থাকে পুরোটা কর্বোনডাই অক্সাইড নয় এতে অনেটা আক্সিজেনও থাকে তাই এটা ডিমের ভিতরে ভ্রুনের কোনো ক্ষতি করবেনা।
বিশেষ কথাঃ ডিমের ভিতর থেকে ছোট্ট ভ্রুনকে বাচ্চায় রুপান্তরিত করার প্রধান ভুমিকা পালান করে নিদৃষ্ট তাপমাত্রা। একটা কক্ষে সব জায়গায় সঠিক ভাবে ডিম ফুটার জন্য নিদৃষ্ট তাপমাত্রা রেখে সেই কক্ষে কিছু উর্বর ডিম রাখলে ডিমের ভিতরে ভ্রুনের কোষ বিভাজোন হতে থাকে, তাপমাত্রা সঠিক রেখে ভ্রুনের সঠিক বৃদ্ধির জন্য ডিম গুলো নিদৃষ্ট সময় পর পর এদিক ওদিক উল্টে দিলে, নিদৃষ্ট দিনে সেই ভ্রুন বাচ্চায় পরিনিত হয়। কিন্তু ডিমের ভিতরে তরল পদার্থ সঠিক সময়ে সঠিক পরিমান না শুকালে ডিমের ভিতর বাচ্চা বড় হয়েও মৃত্যু বরণ করে, ডিমের ভিতরে তরল সঠিক সময়ে শুকানোর জন্য ডিমের বাহিরে ইনকিউবেটরের ভিতরের বাতাসে নিদৃষ্ট পরিমান আদ্রতা বজায় রাখতে হয়। তাপমাত্রা ভ্রুন বড় করে, ডিম ঘুরানো হয় ভ্রুনের সঠিক বৃদ্ধির জন্য এবং নিদৃষ্ট আদ্রতা ডিমের তরল শুকাতে সাহায্য করে। একটি বিষয় লক্ষণীয়, তাপমাত্রা ভ্রুন বড় করে সেই জন্য তাপমাত্রাকে প্রথম থেকেএকটা নিদৃষ্ট সময় পর্যন্ত শেষের সপ্তাহ অপেক্ষা একটু বেশি তাপমাত্রা রাখতে হয় যাতে ভ্রুনের বৃদ্ধিটা নিদৃষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। ডিম ঘুরানো হয় ভ্রুনের সঠিক বৃদ্ধির জন্য সেই কারনে প্রথম থেকে একটা নিদৃষ্ট সময় পর্যন্ত ডিম ঘুরানো হয় যাতে ঐ সময়ের মধ্যেই যে করনে ডিম ঘুরানো হয় সেটা সম্পূর্ণ হয়। আদ্রতা ডিমের তরল শুকাতে সাহায্য করে সেই জন্য প্রথম থেকে আদ্রতাকে একটা নিদৃষ্ট সময় পর্যন্ত শেষের সপ্তাহ অপেক্ষা কম আদ্রতা রাখা হয় যাতে ঐ সময়ের মধ্যে সঠিকভাবে ডিম শুকানোর কাজ সম্পূর্ন হয়। প্রথম থেকে সেই নিদৃষ্ট সময় হচ্ছে হেচিংএর আগে পর্যন্ত। তাহলে বোঝাগেলো হেচিংএর আগেই ডিমের ভিতরে বাচ্চার সঠিক বৃদ্ধি এবং সঠিক পরিমানে ডিমের তরল শুকানোর কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে, যাতে হেচিংএর সময় অনায়াসে বাচ্চা ফুটে বের হতে পারে। সেই জন্য ইনকিউবেটরে ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর সময়কে দুইভাগে ভাগ করা হয় প্রথম ভাগে সাঠিক ভাবে ভ্রুনকে বাচ্চায় পরিনিত করা, দ্বিতীয় ভাগে সেই বাচ্চাকে সঠিকভাবে ডিম থেকে বের হরার ব্যবস্থা করা। ‘মূলত ইনকিউবেটর হচ্ছে ডিম দেবার প্রথম থেকে শুরু করে ডিম ফুটা পর্যন্ত সঠিক যত্ন নেয়া এবং ডিম ফুটার উপযোগী আবহাওয়া বজায় রাখার কক্ষ।
আরো পড়ুন>

ইনকিউবেটরে টার্কির ডিম ফুটানো কিছু সূত্র (পর্ব-০৩) | Some sources of incubation of turkey eggs in incubator

অনেক টার্কি খামারী ভাই আছেন, তাদের উদ্দেশ্য এই পোষ্ট টা দিলাম। সবাই বলছে ইন্ডিয়ান টার্কির বাচ্চা মৃত্যুর হার ৬০% বা ৭০%, বৈজ্ঞানিক ভাবে বিশ্লেষণ করে দেখাযাক কেনো এই কথিত ইন্ডিয়ান টার্কির বাচ্চার মৃত্যুর হার ৬০%, আসল সমস্যা কোথায়? এখানে সমস্যা দুইটা কারনে, প্রথম কারন টা ইনকিউবেটর কন্ট্রোলার সার্কিটে নির্ভুল ভাবে তাপ মাত্রা এবং আদ্রতা নিয়ন্ত্রণ করতে না পরলে এই সমস্যা হবে, এবং ইনকিউবেটরের তাপমাত্র বা আদ্রতা নিয়ন্ত্রনের সেন্সর সঠিক জায়গায় স্থাপন না করলে বাচ্চা দুর্বল হবে, কিন্তু কেনো ইনকিউবেটরের কারনে বাচ্চা দুর্বল হবে! আমরা জানি, তাপমাত্রার সাথে ডিমের ভিতর বাচ্চার শরির গঠনের সম্পর্ক আছে, যদি কোনো ডিমে তাপ বেশী লাগে তবে সেই ডিমের খোসা ভঙ্গুর হয়ে যাবে এবং বাচ্চা তাড়াতারি ফুটবে এক্ষেত্রে বাচ্চা খুব দুর্বল হবে, আর যদি তাপ একটু কম পৌঁছায় তবে ডিম দেরিতে ফুটবে এতেও বাচ্চা দুর্বল হবে, ইনকিউবেটরে তাপমাত্রার সংকেত পৌছানোর সেন্সর যেখানে লাগানো থাকে সার্কিট শুধু সেই জায়গাটুকুর তাপমত্রা সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, অন্য স্থান গুলোতে তাপমাত্র একটু পার্থক্য থাকে,সেই পার্থক্য যদি বেশী হয় তবে সেখানকার বাচ্চা দুর্বল হবে, এবার ইন্ডিয়ান বাচ্চা ৬০% মারাযাবার দ্বিতীয় কারন, ব্রুডিং সিষ্টেম আমরা সবাই জানি জন্মের পর থেকে ৪ সপ্তহ বয়স পর্যন্ত বাচ্চা তাদের শরিরের তাপ নিয়ন্ত্রন করতে পারেনা তাই কৃতীম তাপ দিতে হয়, কিন্তু আমাদের যে ব্রুডিং কক্ষ সেটাতে কি আটোমেটিক তাপ নিয়ন্ত্রনের কোনো ব্যবস্থা আছে! নেই। বাচ্চার শরিরে তাপের প্রয়োজন হলে বাল্পের কাছে বা তাপের উৎসের কাছে যায়, আর তাপ বেশি হলে বাল্প থেকে দুরে থাকে। কিন্ত বাচ্চা তো নিজেই জানেনা যে তাদের শরিরে কতটুকু তাপ লাগবে, এটাই হলো ভুল, টার্কির বাচ্চা যদি বেশী তাপে থেকে অভ্যস্থ হয়,পর্বতীতে স্বভাবিক আবহাওয়ায় কাম তাপে এসে বাচ্চা দুর্বল হয় এবং মারা যায়। এই সমস্যা থেকে বাঁচার সহজ এবং সঠিক উপায় হচ্ছে আপনার টার্কির ডিম গুলো দেশি মুরগী দিয়ে ফুটান এবং খামারের সবচেয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জায়গায় যেখানে সঠিক আলো বাতাস পৌছায় সেখান বাচ্চাগুলো চার সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত দেশি মুরগীর সাথে রাখুন এবং প্রয়োজন হলে কৃতীম তাপের ব্যবস্থা রাখুন, দেখবেন মা মুরগীই বাচ্চাদের সঠিক তাপ গ্রহণ করা শিখাবে।

আজকে ইনকিউবেটরের সঠিক তাপমাত্রা, সঠিক আদ্রতা, এবং ডিম ঘুরানোর উপর লিখলাম। বিজ্ঞানের সূত্র এমন একটি নিখুঁত নিয়ম যেটা অনুশরন করলে সাফল্য নিশ্চিত। সূত্র বা নিয়ম মত কোনো কাজ করলে কাজ শেষ হবার আগেই অনেকটা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব,যে এই কাজের ফলাফল কি হতে যাচ্ছে। ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোরও তেমনি একটা সঠিক নিয়ম রয়েছে সেই নিয়গুলো নিখুঁত ভাবে অনুশরন করলে ডিমও সঠিক ভাবে ফুটবে। যেমন, একটা নিদৃষ্ট দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়,আর ডিমের ভিতর এই বাচ্চা বড় হয় একটা নিদৃষ্ট তাপমাত্রায়। যেহেতু তাপমাত্রায় ভ্রুন বড় হয়, তাহলে ভ্রুনকে নিদৃষ্ট দিনে বড় করতে হলে একটা নিদৃষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখতে হবে,তবেই সেই তাপ সফলভাবে সঠিক সময়ে ভ্রুনকে বড় করে বাচ্চায় রুপান্তরিত করে ডিম থেকে বাচ্চা বের করবে। সেই সঠিক তাপমাত্রাটা প্রায় সবক্ষেত্রে ৩৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৯ থেকে ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। ডিমের ভিতর কিছু জ্বলীয় অংশ থাকে যেটা ভ্রুনের বয়সের সাথে সাথে একটা নিদৃষ্ট পরিমানে শুকাতে হয়। ডিমের ভিতরের তরল পদার্থ শুকিয়ে বাস্পায়িত হয় বা বাতাসে তরল টা মিশে যায়, এখন বাতাসে যদি বাস্পের পরিমান বেশি থাকে তবে ডিমের ভিতরের তরল আর বাতাস শুষে নেয় না, আবার বাতাসে যদি বাস্পের পরিমান কম হয় তাহলে ডিমের ভিতরের তরলটা বেশি শুষেনেয়, বাতাসে বাস্পের পরিমান কম অথবা বেশি থাকলে ডিমের তরল নিদৃষ্ট দিনে সঠিক পরিমানে শুকায়না। সেই কারনে বাতাসে সঠিক পরিমান জ্বলীয়বাস্প বজায় রাখতে হয়,আমর বাতাসের জ্বলীয় বাস্পের পরিমানকে বাতাসের আদ্রতা বলে জানি, তাই বাতাসের আদ্রতা সঠিক রাখতে হয় যাতে ডিমের তরল সঠিক সময়ে সঠিক পরিমানে শুকিয়ে সুস্থবাচ্চা বের হয়। ভ্রুনের সঠিক বৃদ্ধির জন্য ডিম গুলোক এদিক ওদিক ঘুরাতে হয়। যেহেতু ডিম ফুটার জন্য সঠিক তাপমাত্রা, সঠিক আদ্রতা, এবং সঠিক সময় ডিম ঘুরানোর উপর নির্ভর করে সুস্থ বচ্চা ফুটে তাই তাপমাত্রা আদোতা এবং ডিম ঘুরানো একটা নিদৃষ্ট সময় পর্যন্ত রাখতে হয়, আর এই সময়টা ডিমকে ইনকিউবেটরের সেটারে রাখতে হয়।
ডিম ফুটার ৪/৫দিন আগে সেটার ট্রে থেকে ডিমকে হেচার ট্রেতে নিতে হয়, এবং আদ্রতা, তাপমাত্রা,এবং ডিম ঘুরানোর পরিবর্তন করতে হয়। ডিম ফুটার ৪/৫দিন আগে বলতে, মনে করুন মুরগীর ডিম ২১দিনে ফুটে তাহলে ২১থেকে ৪বিয়োগ করলে ১৭অবশিষ্ঠ থাকে অর্থাৎ মুরগীর ডিম ১৭দিন পর্যন্ত সেটারে রাখতে হবে। এবং ১৭দিন থেকে অবশিষ্ঠ দিন গুলোতে হেচারে রাখতে হবে, অর্থাৎ ১৮তম দিন থেকে হেচারে রাখতে হবে,(ক্ষেত্র বিশেষে ৩দিন আগেও হেচারে রাখা যায়)। সেটারে এবং হেচারের যত্নের কিছুটা পরিবর্তন রয়েছে সেটাই নিচে উল্লেখ করলাম।

মুরগী
মুরগীর ডিম ২১দিন বাচ্চা ফুটে।
*সেটার*
মুরগীর ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
মুরগীর ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪০%থেকে ৫০%।
*হেচার*
মুরগীর ডিম ১৮তম দিনে হেচার ট্রেতে রাখার পরে ডিম ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
মুরগীর ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।

হাঁস
হাঁসের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয় ২৮দিনে।
*সেটার*
হাঁসের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
হাঁসের ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫০%।
*হেচার*
হাঁসের ডিম ২৫তম দিনে হেচার ট্রেতে রাখার পরে ডিম ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
হাঁসের ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।

মস্কভি
মস্কভির ডিম ফুটে বাচ্চাবের হয় ৩৭ দিনে।
*সেটার*
মস্কভির ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
মস্কভির ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫৫%।
*হেচার*
মস্কভির ডিম ৩১তম দিনে হেচার ট্রেতে রাখার পরে ডিম ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
মস্কভির ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।

রাজহাঁস
রাজহাঁসের ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়২৮থেকে ৩৪দিনে।
*সেটার*
রাজহাঁসের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ৯৯ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫৫%।
*হেচার*
২৫তম দিনে রাজহাঁসের ডিম হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
মস্কভির ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬৫%থেকে ৭৫%।

তিতির
তিতিরের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয় ২৬-২৮দিনে।
*সেটার*
তিতিরের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
তিতিরের ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪০%থেকে ৫০%।
*হেচার*
২৫তম দিনে তিতিরের ডিম হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
তিতিরের ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬৫%থেকে ৭৫%।

টার্কি
টার্কির ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয় ২৮দিনে।
*সেটার*
টার্কির ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ৯৯ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪০%থেকে ৫০%।
*হেচার*
টার্কির ডিম ইনকিউবেটরে দেবার ২৫তম দিনে হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
টার্কির ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬৫%থেকে ৭৫%।

কোয়েল
কোয়েলের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয় ১৭-১৮দিনে।
*সেটার*
কোয়েলের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
কোয়েলের ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫০%।
*হেচার*
কোয়েলের ডিম ইনকিউবেটরে দেবার ১৪ তম দিনে হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
কোয়েলের ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।
অনেক টার্কি খামারী ভাই আছেন, তাদের উদ্দেশ্য এই পোষ্ট টা দিলাম। সবাই বলছে ইন্ডিয়ান টার্কির বাচ্চা মৃত্যুর হার ৬০% বা ৭০%, বৈজ্ঞানিক ভাবে বিশ্লেষণ করে দেখাযাক কেনো এই কথিত ইন্ডিয়ান টার্কির বাচ্চার মৃত্যুর হার ৬০%, আসল সমস্যা কোথায়? এখানে সমস্যা দুইটা কারনে, প্রথম কারন টা ইনকিউবেটর কন্ট্রোলার সার্কিটে নির্ভুল ভাবে তাপ মাত্রা এবং আদ্রতা নিয়ন্ত্রণ করতে না পরলে এই সমস্যা হবে, এবং ইনকিউবেটরের তাপমাত্র বা আদ্রতা নিয়ন্ত্রনের সেন্সর সঠিক জায়গায় স্থাপন না করলে বাচ্চা দুর্বল হবে, কিন্তু কেনো ইনকিউবেটরের কারনে বাচ্চা দুর্বল হবে! আমরা জানি, তাপমাত্রার সাথে ডিমের ভিতর বাচ্চার শরির গঠনের সম্পর্ক আছে, যদি কোনো ডিমে তাপ বেশী লাগে তবে সেই ডিমের খোসা ভঙ্গুর হয়ে যাবে এবং বাচ্চা তাড়াতারি ফুটবে এক্ষেত্রে বাচ্চা খুব দুর্বল হবে, আর যদি তাপ একটু কম পৌঁছায় তবে ডিম দেরিতে ফুটবে এতেও বাচ্চা দুর্বল হবে, ইনকিউবেটরে তাপমাত্রার সংকেত পৌছানোর সেন্সর যেখানে লাগানো থাকে সার্কিট শুধু সেই জায়গাটুকুর তাপমত্রা সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, অন্য স্থান গুলোতে তাপমাত্র একটু পার্থক্য থাকে,সেই পার্থক্য যদি বেশী হয় তবে সেখানকার বাচ্চা দুর্বল হবে, এবার ইন্ডিয়ান বাচ্চা ৬০% মারাযাবার দ্বিতীয় কারন, ব্রুডিং সিষ্টেম আমরা সবাই জানি জন্মের পর থেকে ৪ সপ্তহ বয়স পর্যন্ত বাচ্চা তাদের শরিরের তাপ নিয়ন্ত্রন করতে পারেনা তাই কৃতীম তাপ দিতে হয়, কিন্তু আমাদের যে ব্রুডিং কক্ষ সেটাতে কি আটোমেটিক তাপ নিয়ন্ত্রনের কোনো ব্যবস্থা আছে! নেই। বাচ্চার শরিরে তাপের প্রয়োজন হলে বাল্পের কাছে বা তাপের উৎসের কাছে যায়, আর তাপ বেশি হলে বাল্প থেকে দুরে থাকে। কিন্ত বাচ্চা তো নিজেই জানেনা যে তাদের শরিরে কতটুকু তাপ লাগবে, এটাই হলো ভুল, টার্কির বাচ্চা যদি বেশী তাপে থেকে অভ্যস্থ হয়,পর্বতীতে স্বভাবিক আবহাওয়ায় কাম তাপে এসে বাচ্চা দুর্বল হয় এবং মারা যায়। এই সমস্যা থেকে বাঁচার সহজ এবং সঠিক উপায় হচ্ছে আপনার টার্কির ডিম গুলো দেশি মুরগী দিয়ে ফুটান এবং খামারের সবচেয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জায়গায় যেখানে সঠিক আলো বাতাস পৌছায় সেখান বাচ্চাগুলো চার সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত দেশি মুরগীর সাথে রাখুন এবং প্রয়োজন হলে কৃতীম তাপের ব্যবস্থা রাখুন, দেখবেন মা মুরগীই বাচ্চাদের সঠিক তাপ গ্রহণ করা শিখাবে।

আজকে ইনকিউবেটরের সঠিক তাপমাত্রা, সঠিক আদ্রতা, এবং ডিম ঘুরানোর উপর লিখলাম। বিজ্ঞানের সূত্র এমন একটি নিখুঁত নিয়ম যেটা অনুশরন করলে সাফল্য নিশ্চিত। সূত্র বা নিয়ম মত কোনো কাজ করলে কাজ শেষ হবার আগেই অনেকটা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব,যে এই কাজের ফলাফল কি হতে যাচ্ছে। ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোরও তেমনি একটা সঠিক নিয়ম রয়েছে সেই নিয়গুলো নিখুঁত ভাবে অনুশরন করলে ডিমও সঠিক ভাবে ফুটবে। যেমন, একটা নিদৃষ্ট দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়,আর ডিমের ভিতর এই বাচ্চা বড় হয় একটা নিদৃষ্ট তাপমাত্রায়। যেহেতু তাপমাত্রায় ভ্রুন বড় হয়, তাহলে ভ্রুনকে নিদৃষ্ট দিনে বড় করতে হলে একটা নিদৃষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখতে হবে,তবেই সেই তাপ সফলভাবে সঠিক সময়ে ভ্রুনকে বড় করে বাচ্চায় রুপান্তরিত করে ডিম থেকে বাচ্চা বের করবে। সেই সঠিক তাপমাত্রাটা প্রায় সবক্ষেত্রে ৩৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৯ থেকে ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। ডিমের ভিতর কিছু জ্বলীয় অংশ থাকে যেটা ভ্রুনের বয়সের সাথে সাথে একটা নিদৃষ্ট পরিমানে শুকাতে হয়। ডিমের ভিতরের তরল পদার্থ শুকিয়ে বাস্পায়িত হয় বা বাতাসে তরল টা মিশে যায়, এখন বাতাসে যদি বাস্পের পরিমান বেশি থাকে তবে ডিমের ভিতরের তরল আর বাতাস শুষে নেয় না, আবার বাতাসে যদি বাস্পের পরিমান কম হয় তাহলে ডিমের ভিতরের তরলটা বেশি শুষেনেয়, বাতাসে বাস্পের পরিমান কম অথবা বেশি থাকলে ডিমের তরল নিদৃষ্ট দিনে সঠিক পরিমানে শুকায়না। সেই কারনে বাতাসে সঠিক পরিমান জ্বলীয়বাস্প বজায় রাখতে হয়,আমর বাতাসের জ্বলীয় বাস্পের পরিমানকে বাতাসের আদ্রতা বলে জানি, তাই বাতাসের আদ্রতা সঠিক রাখতে হয় যাতে ডিমের তরল সঠিক সময়ে সঠিক পরিমানে শুকিয়ে সুস্থবাচ্চা বের হয়। ভ্রুনের সঠিক বৃদ্ধির জন্য ডিম গুলোক এদিক ওদিক ঘুরাতে হয়। যেহেতু ডিম ফুটার জন্য সঠিক তাপমাত্রা, সঠিক আদ্রতা, এবং সঠিক সময় ডিম ঘুরানোর উপর নির্ভর করে সুস্থ বচ্চা ফুটে তাই তাপমাত্রা আদোতা এবং ডিম ঘুরানো একটা নিদৃষ্ট সময় পর্যন্ত রাখতে হয়, আর এই সময়টা ডিমকে ইনকিউবেটরের সেটারে রাখতে হয়।
ডিম ফুটার ৪/৫দিন আগে সেটার ট্রে থেকে ডিমকে হেচার ট্রেতে নিতে হয়, এবং আদ্রতা, তাপমাত্রা,এবং ডিম ঘুরানোর পরিবর্তন করতে হয়। ডিম ফুটার ৪/৫দিন আগে বলতে, মনে করুন মুরগীর ডিম ২১দিনে ফুটে তাহলে ২১থেকে ৪বিয়োগ করলে ১৭অবশিষ্ঠ থাকে অর্থাৎ মুরগীর ডিম ১৭দিন পর্যন্ত সেটারে রাখতে হবে। এবং ১৭দিন থেকে অবশিষ্ঠ দিন গুলোতে হেচারে রাখতে হবে, অর্থাৎ ১৮তম দিন থেকে হেচারে রাখতে হবে,(ক্ষেত্র বিশেষে ৩দিন আগেও হেচারে রাখা যায়)। সেটারে এবং হেচারের যত্নের কিছুটা পরিবর্তন রয়েছে সেটাই নিচে উল্লেখ করলাম।

মুরগী
মুরগীর ডিম ২১দিন বাচ্চা ফুটে।
*সেটার*
মুরগীর ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
মুরগীর ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪০%থেকে ৫০%।
*হেচার*
মুরগীর ডিম ১৮তম দিনে হেচার ট্রেতে রাখার পরে ডিম ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
মুরগীর ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।

হাঁস
হাঁসের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয় ২৮দিনে।
*সেটার*
হাঁসের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
হাঁসের ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫০%।
*হেচার*
হাঁসের ডিম ২৫তম দিনে হেচার ট্রেতে রাখার পরে ডিম ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
হাঁসের ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।

মস্কভি
মস্কভির ডিম ফুটে বাচ্চাবের হয় ৩৭ দিনে।
*সেটার*
মস্কভির ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
মস্কভির ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫৫%।
*হেচার*
মস্কভির ডিম ৩১তম দিনে হেচার ট্রেতে রাখার পরে ডিম ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
মস্কভির ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।

রাজহাঁস
রাজহাঁসের ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়২৮থেকে ৩৪দিনে।
*সেটার*
রাজহাঁসের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ৯৯ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫৫%।
*হেচার*
২৫তম দিনে রাজহাঁসের ডিম হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
মস্কভির ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬৫%থেকে ৭৫%।

তিতির
তিতিরের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয় ২৬-২৮দিনে।
*সেটার*
তিতিরের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
তিতিরের ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪০%থেকে ৫০%।
*হেচার*
২৫তম দিনে তিতিরের ডিম হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
তিতিরের ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬৫%থেকে ৭৫%।

টার্কি
টার্কির ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয় ২৮দিনে।
*সেটার*
টার্কির ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ৯৯ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪০%থেকে ৫০%।
*হেচার*
টার্কির ডিম ইনকিউবেটরে দেবার ২৫তম দিনে হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
টার্কির ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬৫%থেকে ৭৫%।

কোয়েল
কোয়েলের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয় ১৭-১৮দিনে।
*সেটার*
কোয়েলের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
কোয়েলের ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫০%।
*হেচার*
কোয়েলের ডিম ইনকিউবেটরে দেবার ১৪ তম দিনে হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
কোয়েলের ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।
আরো পড়ুন>