Latest Products
Showing posts with label টার্কি. Show all posts
Showing posts with label টার্কি. Show all posts

ইনকিউবেটরে টার্কির ডিম ফুটানো কিছু সূত্র (পর্ব-০৩) | Some sources of incubation of turkey eggs in incubator

অনেক টার্কি খামারী ভাই আছেন, তাদের উদ্দেশ্য এই পোষ্ট টা দিলাম। সবাই বলছে ইন্ডিয়ান টার্কির বাচ্চা মৃত্যুর হার ৬০% বা ৭০%, বৈজ্ঞানিক ভাবে বিশ্লেষণ করে দেখাযাক কেনো এই কথিত ইন্ডিয়ান টার্কির বাচ্চার মৃত্যুর হার ৬০%, আসল সমস্যা কোথায়? এখানে সমস্যা দুইটা কারনে, প্রথম কারন টা ইনকিউবেটর কন্ট্রোলার সার্কিটে নির্ভুল ভাবে তাপ মাত্রা এবং আদ্রতা নিয়ন্ত্রণ করতে না পরলে এই সমস্যা হবে, এবং ইনকিউবেটরের তাপমাত্র বা আদ্রতা নিয়ন্ত্রনের সেন্সর সঠিক জায়গায় স্থাপন না করলে বাচ্চা দুর্বল হবে, কিন্তু কেনো ইনকিউবেটরের কারনে বাচ্চা দুর্বল হবে! আমরা জানি, তাপমাত্রার সাথে ডিমের ভিতর বাচ্চার শরির গঠনের সম্পর্ক আছে, যদি কোনো ডিমে তাপ বেশী লাগে তবে সেই ডিমের খোসা ভঙ্গুর হয়ে যাবে এবং বাচ্চা তাড়াতারি ফুটবে এক্ষেত্রে বাচ্চা খুব দুর্বল হবে, আর যদি তাপ একটু কম পৌঁছায় তবে ডিম দেরিতে ফুটবে এতেও বাচ্চা দুর্বল হবে, ইনকিউবেটরে তাপমাত্রার সংকেত পৌছানোর সেন্সর যেখানে লাগানো থাকে সার্কিট শুধু সেই জায়গাটুকুর তাপমত্রা সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, অন্য স্থান গুলোতে তাপমাত্র একটু পার্থক্য থাকে,সেই পার্থক্য যদি বেশী হয় তবে সেখানকার বাচ্চা দুর্বল হবে, এবার ইন্ডিয়ান বাচ্চা ৬০% মারাযাবার দ্বিতীয় কারন, ব্রুডিং সিষ্টেম আমরা সবাই জানি জন্মের পর থেকে ৪ সপ্তহ বয়স পর্যন্ত বাচ্চা তাদের শরিরের তাপ নিয়ন্ত্রন করতে পারেনা তাই কৃতীম তাপ দিতে হয়, কিন্তু আমাদের যে ব্রুডিং কক্ষ সেটাতে কি আটোমেটিক তাপ নিয়ন্ত্রনের কোনো ব্যবস্থা আছে! নেই। বাচ্চার শরিরে তাপের প্রয়োজন হলে বাল্পের কাছে বা তাপের উৎসের কাছে যায়, আর তাপ বেশি হলে বাল্প থেকে দুরে থাকে। কিন্ত বাচ্চা তো নিজেই জানেনা যে তাদের শরিরে কতটুকু তাপ লাগবে, এটাই হলো ভুল, টার্কির বাচ্চা যদি বেশী তাপে থেকে অভ্যস্থ হয়,পর্বতীতে স্বভাবিক আবহাওয়ায় কাম তাপে এসে বাচ্চা দুর্বল হয় এবং মারা যায়। এই সমস্যা থেকে বাঁচার সহজ এবং সঠিক উপায় হচ্ছে আপনার টার্কির ডিম গুলো দেশি মুরগী দিয়ে ফুটান এবং খামারের সবচেয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জায়গায় যেখানে সঠিক আলো বাতাস পৌছায় সেখান বাচ্চাগুলো চার সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত দেশি মুরগীর সাথে রাখুন এবং প্রয়োজন হলে কৃতীম তাপের ব্যবস্থা রাখুন, দেখবেন মা মুরগীই বাচ্চাদের সঠিক তাপ গ্রহণ করা শিখাবে।

আজকে ইনকিউবেটরের সঠিক তাপমাত্রা, সঠিক আদ্রতা, এবং ডিম ঘুরানোর উপর লিখলাম। বিজ্ঞানের সূত্র এমন একটি নিখুঁত নিয়ম যেটা অনুশরন করলে সাফল্য নিশ্চিত। সূত্র বা নিয়ম মত কোনো কাজ করলে কাজ শেষ হবার আগেই অনেকটা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব,যে এই কাজের ফলাফল কি হতে যাচ্ছে। ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোরও তেমনি একটা সঠিক নিয়ম রয়েছে সেই নিয়গুলো নিখুঁত ভাবে অনুশরন করলে ডিমও সঠিক ভাবে ফুটবে। যেমন, একটা নিদৃষ্ট দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়,আর ডিমের ভিতর এই বাচ্চা বড় হয় একটা নিদৃষ্ট তাপমাত্রায়। যেহেতু তাপমাত্রায় ভ্রুন বড় হয়, তাহলে ভ্রুনকে নিদৃষ্ট দিনে বড় করতে হলে একটা নিদৃষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখতে হবে,তবেই সেই তাপ সফলভাবে সঠিক সময়ে ভ্রুনকে বড় করে বাচ্চায় রুপান্তরিত করে ডিম থেকে বাচ্চা বের করবে। সেই সঠিক তাপমাত্রাটা প্রায় সবক্ষেত্রে ৩৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৯ থেকে ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। ডিমের ভিতর কিছু জ্বলীয় অংশ থাকে যেটা ভ্রুনের বয়সের সাথে সাথে একটা নিদৃষ্ট পরিমানে শুকাতে হয়। ডিমের ভিতরের তরল পদার্থ শুকিয়ে বাস্পায়িত হয় বা বাতাসে তরল টা মিশে যায়, এখন বাতাসে যদি বাস্পের পরিমান বেশি থাকে তবে ডিমের ভিতরের তরল আর বাতাস শুষে নেয় না, আবার বাতাসে যদি বাস্পের পরিমান কম হয় তাহলে ডিমের ভিতরের তরলটা বেশি শুষেনেয়, বাতাসে বাস্পের পরিমান কম অথবা বেশি থাকলে ডিমের তরল নিদৃষ্ট দিনে সঠিক পরিমানে শুকায়না। সেই কারনে বাতাসে সঠিক পরিমান জ্বলীয়বাস্প বজায় রাখতে হয়,আমর বাতাসের জ্বলীয় বাস্পের পরিমানকে বাতাসের আদ্রতা বলে জানি, তাই বাতাসের আদ্রতা সঠিক রাখতে হয় যাতে ডিমের তরল সঠিক সময়ে সঠিক পরিমানে শুকিয়ে সুস্থবাচ্চা বের হয়। ভ্রুনের সঠিক বৃদ্ধির জন্য ডিম গুলোক এদিক ওদিক ঘুরাতে হয়। যেহেতু ডিম ফুটার জন্য সঠিক তাপমাত্রা, সঠিক আদ্রতা, এবং সঠিক সময় ডিম ঘুরানোর উপর নির্ভর করে সুস্থ বচ্চা ফুটে তাই তাপমাত্রা আদোতা এবং ডিম ঘুরানো একটা নিদৃষ্ট সময় পর্যন্ত রাখতে হয়, আর এই সময়টা ডিমকে ইনকিউবেটরের সেটারে রাখতে হয়।
ডিম ফুটার ৪/৫দিন আগে সেটার ট্রে থেকে ডিমকে হেচার ট্রেতে নিতে হয়, এবং আদ্রতা, তাপমাত্রা,এবং ডিম ঘুরানোর পরিবর্তন করতে হয়। ডিম ফুটার ৪/৫দিন আগে বলতে, মনে করুন মুরগীর ডিম ২১দিনে ফুটে তাহলে ২১থেকে ৪বিয়োগ করলে ১৭অবশিষ্ঠ থাকে অর্থাৎ মুরগীর ডিম ১৭দিন পর্যন্ত সেটারে রাখতে হবে। এবং ১৭দিন থেকে অবশিষ্ঠ দিন গুলোতে হেচারে রাখতে হবে, অর্থাৎ ১৮তম দিন থেকে হেচারে রাখতে হবে,(ক্ষেত্র বিশেষে ৩দিন আগেও হেচারে রাখা যায়)। সেটারে এবং হেচারের যত্নের কিছুটা পরিবর্তন রয়েছে সেটাই নিচে উল্লেখ করলাম।

মুরগী
মুরগীর ডিম ২১দিন বাচ্চা ফুটে।
*সেটার*
মুরগীর ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
মুরগীর ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪০%থেকে ৫০%।
*হেচার*
মুরগীর ডিম ১৮তম দিনে হেচার ট্রেতে রাখার পরে ডিম ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
মুরগীর ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।

হাঁস
হাঁসের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয় ২৮দিনে।
*সেটার*
হাঁসের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
হাঁসের ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫০%।
*হেচার*
হাঁসের ডিম ২৫তম দিনে হেচার ট্রেতে রাখার পরে ডিম ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
হাঁসের ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।

মস্কভি
মস্কভির ডিম ফুটে বাচ্চাবের হয় ৩৭ দিনে।
*সেটার*
মস্কভির ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
মস্কভির ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫৫%।
*হেচার*
মস্কভির ডিম ৩১তম দিনে হেচার ট্রেতে রাখার পরে ডিম ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
মস্কভির ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।

রাজহাঁস
রাজহাঁসের ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়২৮থেকে ৩৪দিনে।
*সেটার*
রাজহাঁসের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ৯৯ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫৫%।
*হেচার*
২৫তম দিনে রাজহাঁসের ডিম হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
মস্কভির ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬৫%থেকে ৭৫%।

তিতির
তিতিরের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয় ২৬-২৮দিনে।
*সেটার*
তিতিরের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
তিতিরের ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪০%থেকে ৫০%।
*হেচার*
২৫তম দিনে তিতিরের ডিম হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
তিতিরের ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬৫%থেকে ৭৫%।

টার্কি
টার্কির ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয় ২৮দিনে।
*সেটার*
টার্কির ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ৯৯ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪০%থেকে ৫০%।
*হেচার*
টার্কির ডিম ইনকিউবেটরে দেবার ২৫তম দিনে হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
টার্কির ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬৫%থেকে ৭৫%।

কোয়েল
কোয়েলের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয় ১৭-১৮দিনে।
*সেটার*
কোয়েলের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
কোয়েলের ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫০%।
*হেচার*
কোয়েলের ডিম ইনকিউবেটরে দেবার ১৪ তম দিনে হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
কোয়েলের ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।
অনেক টার্কি খামারী ভাই আছেন, তাদের উদ্দেশ্য এই পোষ্ট টা দিলাম। সবাই বলছে ইন্ডিয়ান টার্কির বাচ্চা মৃত্যুর হার ৬০% বা ৭০%, বৈজ্ঞানিক ভাবে বিশ্লেষণ করে দেখাযাক কেনো এই কথিত ইন্ডিয়ান টার্কির বাচ্চার মৃত্যুর হার ৬০%, আসল সমস্যা কোথায়? এখানে সমস্যা দুইটা কারনে, প্রথম কারন টা ইনকিউবেটর কন্ট্রোলার সার্কিটে নির্ভুল ভাবে তাপ মাত্রা এবং আদ্রতা নিয়ন্ত্রণ করতে না পরলে এই সমস্যা হবে, এবং ইনকিউবেটরের তাপমাত্র বা আদ্রতা নিয়ন্ত্রনের সেন্সর সঠিক জায়গায় স্থাপন না করলে বাচ্চা দুর্বল হবে, কিন্তু কেনো ইনকিউবেটরের কারনে বাচ্চা দুর্বল হবে! আমরা জানি, তাপমাত্রার সাথে ডিমের ভিতর বাচ্চার শরির গঠনের সম্পর্ক আছে, যদি কোনো ডিমে তাপ বেশী লাগে তবে সেই ডিমের খোসা ভঙ্গুর হয়ে যাবে এবং বাচ্চা তাড়াতারি ফুটবে এক্ষেত্রে বাচ্চা খুব দুর্বল হবে, আর যদি তাপ একটু কম পৌঁছায় তবে ডিম দেরিতে ফুটবে এতেও বাচ্চা দুর্বল হবে, ইনকিউবেটরে তাপমাত্রার সংকেত পৌছানোর সেন্সর যেখানে লাগানো থাকে সার্কিট শুধু সেই জায়গাটুকুর তাপমত্রা সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, অন্য স্থান গুলোতে তাপমাত্র একটু পার্থক্য থাকে,সেই পার্থক্য যদি বেশী হয় তবে সেখানকার বাচ্চা দুর্বল হবে, এবার ইন্ডিয়ান বাচ্চা ৬০% মারাযাবার দ্বিতীয় কারন, ব্রুডিং সিষ্টেম আমরা সবাই জানি জন্মের পর থেকে ৪ সপ্তহ বয়স পর্যন্ত বাচ্চা তাদের শরিরের তাপ নিয়ন্ত্রন করতে পারেনা তাই কৃতীম তাপ দিতে হয়, কিন্তু আমাদের যে ব্রুডিং কক্ষ সেটাতে কি আটোমেটিক তাপ নিয়ন্ত্রনের কোনো ব্যবস্থা আছে! নেই। বাচ্চার শরিরে তাপের প্রয়োজন হলে বাল্পের কাছে বা তাপের উৎসের কাছে যায়, আর তাপ বেশি হলে বাল্প থেকে দুরে থাকে। কিন্ত বাচ্চা তো নিজেই জানেনা যে তাদের শরিরে কতটুকু তাপ লাগবে, এটাই হলো ভুল, টার্কির বাচ্চা যদি বেশী তাপে থেকে অভ্যস্থ হয়,পর্বতীতে স্বভাবিক আবহাওয়ায় কাম তাপে এসে বাচ্চা দুর্বল হয় এবং মারা যায়। এই সমস্যা থেকে বাঁচার সহজ এবং সঠিক উপায় হচ্ছে আপনার টার্কির ডিম গুলো দেশি মুরগী দিয়ে ফুটান এবং খামারের সবচেয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জায়গায় যেখানে সঠিক আলো বাতাস পৌছায় সেখান বাচ্চাগুলো চার সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত দেশি মুরগীর সাথে রাখুন এবং প্রয়োজন হলে কৃতীম তাপের ব্যবস্থা রাখুন, দেখবেন মা মুরগীই বাচ্চাদের সঠিক তাপ গ্রহণ করা শিখাবে।

আজকে ইনকিউবেটরের সঠিক তাপমাত্রা, সঠিক আদ্রতা, এবং ডিম ঘুরানোর উপর লিখলাম। বিজ্ঞানের সূত্র এমন একটি নিখুঁত নিয়ম যেটা অনুশরন করলে সাফল্য নিশ্চিত। সূত্র বা নিয়ম মত কোনো কাজ করলে কাজ শেষ হবার আগেই অনেকটা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব,যে এই কাজের ফলাফল কি হতে যাচ্ছে। ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোরও তেমনি একটা সঠিক নিয়ম রয়েছে সেই নিয়গুলো নিখুঁত ভাবে অনুশরন করলে ডিমও সঠিক ভাবে ফুটবে। যেমন, একটা নিদৃষ্ট দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়,আর ডিমের ভিতর এই বাচ্চা বড় হয় একটা নিদৃষ্ট তাপমাত্রায়। যেহেতু তাপমাত্রায় ভ্রুন বড় হয়, তাহলে ভ্রুনকে নিদৃষ্ট দিনে বড় করতে হলে একটা নিদৃষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখতে হবে,তবেই সেই তাপ সফলভাবে সঠিক সময়ে ভ্রুনকে বড় করে বাচ্চায় রুপান্তরিত করে ডিম থেকে বাচ্চা বের করবে। সেই সঠিক তাপমাত্রাটা প্রায় সবক্ষেত্রে ৩৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৯ থেকে ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। ডিমের ভিতর কিছু জ্বলীয় অংশ থাকে যেটা ভ্রুনের বয়সের সাথে সাথে একটা নিদৃষ্ট পরিমানে শুকাতে হয়। ডিমের ভিতরের তরল পদার্থ শুকিয়ে বাস্পায়িত হয় বা বাতাসে তরল টা মিশে যায়, এখন বাতাসে যদি বাস্পের পরিমান বেশি থাকে তবে ডিমের ভিতরের তরল আর বাতাস শুষে নেয় না, আবার বাতাসে যদি বাস্পের পরিমান কম হয় তাহলে ডিমের ভিতরের তরলটা বেশি শুষেনেয়, বাতাসে বাস্পের পরিমান কম অথবা বেশি থাকলে ডিমের তরল নিদৃষ্ট দিনে সঠিক পরিমানে শুকায়না। সেই কারনে বাতাসে সঠিক পরিমান জ্বলীয়বাস্প বজায় রাখতে হয়,আমর বাতাসের জ্বলীয় বাস্পের পরিমানকে বাতাসের আদ্রতা বলে জানি, তাই বাতাসের আদ্রতা সঠিক রাখতে হয় যাতে ডিমের তরল সঠিক সময়ে সঠিক পরিমানে শুকিয়ে সুস্থবাচ্চা বের হয়। ভ্রুনের সঠিক বৃদ্ধির জন্য ডিম গুলোক এদিক ওদিক ঘুরাতে হয়। যেহেতু ডিম ফুটার জন্য সঠিক তাপমাত্রা, সঠিক আদ্রতা, এবং সঠিক সময় ডিম ঘুরানোর উপর নির্ভর করে সুস্থ বচ্চা ফুটে তাই তাপমাত্রা আদোতা এবং ডিম ঘুরানো একটা নিদৃষ্ট সময় পর্যন্ত রাখতে হয়, আর এই সময়টা ডিমকে ইনকিউবেটরের সেটারে রাখতে হয়।
ডিম ফুটার ৪/৫দিন আগে সেটার ট্রে থেকে ডিমকে হেচার ট্রেতে নিতে হয়, এবং আদ্রতা, তাপমাত্রা,এবং ডিম ঘুরানোর পরিবর্তন করতে হয়। ডিম ফুটার ৪/৫দিন আগে বলতে, মনে করুন মুরগীর ডিম ২১দিনে ফুটে তাহলে ২১থেকে ৪বিয়োগ করলে ১৭অবশিষ্ঠ থাকে অর্থাৎ মুরগীর ডিম ১৭দিন পর্যন্ত সেটারে রাখতে হবে। এবং ১৭দিন থেকে অবশিষ্ঠ দিন গুলোতে হেচারে রাখতে হবে, অর্থাৎ ১৮তম দিন থেকে হেচারে রাখতে হবে,(ক্ষেত্র বিশেষে ৩দিন আগেও হেচারে রাখা যায়)। সেটারে এবং হেচারের যত্নের কিছুটা পরিবর্তন রয়েছে সেটাই নিচে উল্লেখ করলাম।

মুরগী
মুরগীর ডিম ২১দিন বাচ্চা ফুটে।
*সেটার*
মুরগীর ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
মুরগীর ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪০%থেকে ৫০%।
*হেচার*
মুরগীর ডিম ১৮তম দিনে হেচার ট্রেতে রাখার পরে ডিম ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
মুরগীর ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।

হাঁস
হাঁসের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয় ২৮দিনে।
*সেটার*
হাঁসের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
হাঁসের ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫০%।
*হেচার*
হাঁসের ডিম ২৫তম দিনে হেচার ট্রেতে রাখার পরে ডিম ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
হাঁসের ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।

মস্কভি
মস্কভির ডিম ফুটে বাচ্চাবের হয় ৩৭ দিনে।
*সেটার*
মস্কভির ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
মস্কভির ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫৫%।
*হেচার*
মস্কভির ডিম ৩১তম দিনে হেচার ট্রেতে রাখার পরে ডিম ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
মস্কভির ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।

রাজহাঁস
রাজহাঁসের ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়২৮থেকে ৩৪দিনে।
*সেটার*
রাজহাঁসের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ৯৯ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫৫%।
*হেচার*
২৫তম দিনে রাজহাঁসের ডিম হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
মস্কভির ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬৫%থেকে ৭৫%।

তিতির
তিতিরের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয় ২৬-২৮দিনে।
*সেটার*
তিতিরের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
তিতিরের ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪০%থেকে ৫০%।
*হেচার*
২৫তম দিনে তিতিরের ডিম হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
তিতিরের ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬৫%থেকে ৭৫%।

টার্কি
টার্কির ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয় ২৮দিনে।
*সেটার*
টার্কির ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ৯৯ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪০%থেকে ৫০%।
*হেচার*
টার্কির ডিম ইনকিউবেটরে দেবার ২৫তম দিনে হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
টার্কির ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬৫%থেকে ৭৫%।

কোয়েল
কোয়েলের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয় ১৭-১৮দিনে।
*সেটার*
কোয়েলের ডিমের জন্য সেটরের তাপমাত্রা রাখতে হবে,
৩৭.৭ডিগ্রীসেলসিয়াস, বা ১০০ডিগ্রি ফ্যারেনহইট।
কোয়েলের ডিমের জন্য সেটারে আদ্রতা রাখতে হয় ৪৫%থেকে ৫০%।
*হেচার*
কোয়েলের ডিম ইনকিউবেটরে দেবার ১৪ তম দিনে হেচার ট্রেতে রেখে ঘুরানো বন্ধ করতে হয়।
কোয়েলের ডিমের জন্য হেচরে সঠিক আদ্রতা ৬০%থেকে ৭০%।
আরো পড়ুন>

জনপ্রিয় হয়ে উঠছে টার্কি মুরগি চাষ | Turkey's chicken farming has become popular

জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আমেরিকা ও ইউরোপের টার্কি মুরগি। ডিম সংগ্রহের এক মাসের মধ্যে বাচ্চা ফুটে ও তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ছয় কেজি ওজন হচ্ছে এসব টার্কি মুরগির।

বর্তমানে মাংসের চাহিদা পূরণে গরু, মুরগি ও হাঁসের খামার দেখা মেলে অহরহ। কিন্তু মুরগির মাংসের চাহিদা পূরণের জন্য অধিক মাংসসমৃদ্ধ টার্কি জাতের মুরগি পালনের বিষয়টি এবার লক্ষ্য করা গেছে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে।

তবে
টার্কি এক সময়ের বন্যপাখি হলেও এখন এটি গৃহপালিত বড় আকারের একটি পাখি। তেমনি একজন টার্কি খামারি নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালের পাইকসা এলাকার বাছেদ মিয়া।

তিনি আগে মুরগি পালন করতেন, শখের বসে সিলেট থেকে দুটি মাত্র টার্কির বাচ্চা সংগ্রহ করেন। পরে বিষয়টি নিজের কাছেই কৌতূহল মনে হলে তা থেকে যে ডিম আসে তা দেশি মুরগি দিয়ে ফোটানো শুরু করেন। সেই থেকে টার্কির খামার করার ইচ্ছা পোষণ করেন বাছেদ।

তার কাছে থেকে টার্কির বাচ্চা নিয়ে সফল হয়েছেন আশপাশের প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি পরিবার। তারা বাড়িতে ছোট আকারেই পালন করছেন এ টার্কির মুরগি। তাদের মধ্যে অন্যতম হুমায়ুন, বারেক, জামান, আলামিনসহ আরো অনেকে।

বাছেদ মিয়া জানান, টার্কি মুরগি পালন অর্থনৈতিকভাবে খরচ অনেক কম। বয়লার বা লেয়ার ও হাঁস পালনের চেয়ে অনেক বেশি লাভ হয়। এ ছাড়া টার্কি ৩০ সপ্তাহ থেকে ডিম দেওয়া শুরু করে। একটি টার্কি বছরে ৮০ থেকে ১০০টি ডিম দেয়। আবার ২৮ থেকে ৩০ দিনেই এই ডিম ফুটে বাচ্চার জন্ম হয়।

একটি টার্কি ৪ মাস বয়স হলেই গড় ওজন ৭ থেকে ৮ কেজি। ৩ থেকে ৪ মাস বয়স হলেই একটি টার্কি মাংসের জন্য বিক্রির উপযোগী হয়ে ওঠে। দেশি হাঁস-মুরগির মতো সাধারণ নিয়মে পালন করলেও ৫ থেকে ৬ মাসে প্রতিটি টার্কি গড়ে ৫ থেকে ৬ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। খোলা বা আবদ্ধ উভয়ভাবেই টার্কি পালন করা যায়।

টার্কি মুরগি নিজেই ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটাতে পারে। তবে টার্কি না দিয়ে ফোটানোই উত্তম। কেননা টার্কি ডিমে তা দিলে পুনরায় ডিম পারতে দেরি করে। এর বদলে দেশি মুরগি অথবা ইনকিউবেটর দিয়ে বাচ্চা ফুটালে ফল ভালো পাওয়া যায়।

বাছেদ মিয়া আরো বলেন, টার্কির মাংস পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হওয়ায় এটি খাদ্য তালিকার একটি আদর্শ মাংস হিসেবে ঢাকার নামিদামি হোটেলে সরবরাহ হয়ে থাকে সিংহভাগ।

ঘোড়াশালের টার্কি মুরগি খামারি কাসেম মিয়া জানান, বাছেদ মিয়ার কাছ থেকে মাত্র ১০টি টার্কির বাচ্চা নিয়ে ছোট আকারে পালন শুরু করেন তিনি। মাত্র এক বছর যাবত টার্কি পালন করেই তিনি লাভের মুখ দেখেন। তাই তার ইচ্ছা  নিজস্ব মুরগির ডিম দিয়েই খামারটি আরো বড় করার।

একই এলাকার বিষু দত্ত জানান, আগে হাঁসের খামার করেছিলেন। তাতে প্রচুর লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন। তারপর শুরু করেন কোয়েল পাখির খামার। ব্যবসা কিছুটা জমতে শুরু করে। কোয়েল পাখি পালনের পাশাপাশি তিনি ২০/২৫ দিন পূর্বে বিভিন্ন খামারিদের কাছ থেকে প্রায় দেড় শতাধিক টার্কি মুরগি সংগ্রহ করেন। শুরু হয় তার টার্কি পালনের যাত্রা। তিনি এর পাশাপাশি খোলা অবস্থায় অর্ধশতাধিক দেশি জাতের মুরগিও পালন শুরু করেন।

পলাশ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহা জামান বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টার্কির মাংস বেশ জনপ্রিয়। পাখির মাংসের মধ্যে হাঁস, মুরগি, কোয়েল এরপর টার্কির অবস্থান। টার্কি বর্তমানে মাংসের প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়ে অর্থনীতিতে বেশ অবদান রাখছে। এ ছাড়া এর মাংসে প্রোটিন বেশি, চর্বি কম এবং আন্যান্য পাখির মাংসের চেয়ে বেশি পুষ্টিকর। পশ্চিমা দেশগুলোতে টার্কি খুব জনপ্রিয়।

তবে রোগ বালাইয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে বড় ধরনের কোনো রোগ দেখা না দিলেও পক্স, সালমোনেলোসিস, কলেরা ও এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা দেখা দিতে পারে। পরিবেশ ও খামার অব্যবস্থাপনার কারণে এসব রোগ সংক্রমণ হতে পারে। তবে নিয়মিত টিকা দেওয়া হলে এ সব রোগ আক্রান্ত করতে পারে না।
জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আমেরিকা ও ইউরোপের টার্কি মুরগি। ডিম সংগ্রহের এক মাসের মধ্যে বাচ্চা ফুটে ও তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ছয় কেজি ওজন হচ্ছে এসব টার্কি মুরগির।

বর্তমানে মাংসের চাহিদা পূরণে গরু, মুরগি ও হাঁসের খামার দেখা মেলে অহরহ। কিন্তু মুরগির মাংসের চাহিদা পূরণের জন্য অধিক মাংসসমৃদ্ধ টার্কি জাতের মুরগি পালনের বিষয়টি এবার লক্ষ্য করা গেছে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে।

তবে
টার্কি এক সময়ের বন্যপাখি হলেও এখন এটি গৃহপালিত বড় আকারের একটি পাখি। তেমনি একজন টার্কি খামারি নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালের পাইকসা এলাকার বাছেদ মিয়া।

তিনি আগে মুরগি পালন করতেন, শখের বসে সিলেট থেকে দুটি মাত্র টার্কির বাচ্চা সংগ্রহ করেন। পরে বিষয়টি নিজের কাছেই কৌতূহল মনে হলে তা থেকে যে ডিম আসে তা দেশি মুরগি দিয়ে ফোটানো শুরু করেন। সেই থেকে টার্কির খামার করার ইচ্ছা পোষণ করেন বাছেদ।

তার কাছে থেকে টার্কির বাচ্চা নিয়ে সফল হয়েছেন আশপাশের প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি পরিবার। তারা বাড়িতে ছোট আকারেই পালন করছেন এ টার্কির মুরগি। তাদের মধ্যে অন্যতম হুমায়ুন, বারেক, জামান, আলামিনসহ আরো অনেকে।

বাছেদ মিয়া জানান, টার্কি মুরগি পালন অর্থনৈতিকভাবে খরচ অনেক কম। বয়লার বা লেয়ার ও হাঁস পালনের চেয়ে অনেক বেশি লাভ হয়। এ ছাড়া টার্কি ৩০ সপ্তাহ থেকে ডিম দেওয়া শুরু করে। একটি টার্কি বছরে ৮০ থেকে ১০০টি ডিম দেয়। আবার ২৮ থেকে ৩০ দিনেই এই ডিম ফুটে বাচ্চার জন্ম হয়।

একটি টার্কি ৪ মাস বয়স হলেই গড় ওজন ৭ থেকে ৮ কেজি। ৩ থেকে ৪ মাস বয়স হলেই একটি টার্কি মাংসের জন্য বিক্রির উপযোগী হয়ে ওঠে। দেশি হাঁস-মুরগির মতো সাধারণ নিয়মে পালন করলেও ৫ থেকে ৬ মাসে প্রতিটি টার্কি গড়ে ৫ থেকে ৬ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। খোলা বা আবদ্ধ উভয়ভাবেই টার্কি পালন করা যায়।

টার্কি মুরগি নিজেই ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটাতে পারে। তবে টার্কি না দিয়ে ফোটানোই উত্তম। কেননা টার্কি ডিমে তা দিলে পুনরায় ডিম পারতে দেরি করে। এর বদলে দেশি মুরগি অথবা ইনকিউবেটর দিয়ে বাচ্চা ফুটালে ফল ভালো পাওয়া যায়।

বাছেদ মিয়া আরো বলেন, টার্কির মাংস পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হওয়ায় এটি খাদ্য তালিকার একটি আদর্শ মাংস হিসেবে ঢাকার নামিদামি হোটেলে সরবরাহ হয়ে থাকে সিংহভাগ।

ঘোড়াশালের টার্কি মুরগি খামারি কাসেম মিয়া জানান, বাছেদ মিয়ার কাছ থেকে মাত্র ১০টি টার্কির বাচ্চা নিয়ে ছোট আকারে পালন শুরু করেন তিনি। মাত্র এক বছর যাবত টার্কি পালন করেই তিনি লাভের মুখ দেখেন। তাই তার ইচ্ছা  নিজস্ব মুরগির ডিম দিয়েই খামারটি আরো বড় করার।

একই এলাকার বিষু দত্ত জানান, আগে হাঁসের খামার করেছিলেন। তাতে প্রচুর লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন। তারপর শুরু করেন কোয়েল পাখির খামার। ব্যবসা কিছুটা জমতে শুরু করে। কোয়েল পাখি পালনের পাশাপাশি তিনি ২০/২৫ দিন পূর্বে বিভিন্ন খামারিদের কাছ থেকে প্রায় দেড় শতাধিক টার্কি মুরগি সংগ্রহ করেন। শুরু হয় তার টার্কি পালনের যাত্রা। তিনি এর পাশাপাশি খোলা অবস্থায় অর্ধশতাধিক দেশি জাতের মুরগিও পালন শুরু করেন।

পলাশ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহা জামান বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টার্কির মাংস বেশ জনপ্রিয়। পাখির মাংসের মধ্যে হাঁস, মুরগি, কোয়েল এরপর টার্কির অবস্থান। টার্কি বর্তমানে মাংসের প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়ে অর্থনীতিতে বেশ অবদান রাখছে। এ ছাড়া এর মাংসে প্রোটিন বেশি, চর্বি কম এবং আন্যান্য পাখির মাংসের চেয়ে বেশি পুষ্টিকর। পশ্চিমা দেশগুলোতে টার্কি খুব জনপ্রিয়।

তবে রোগ বালাইয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে বড় ধরনের কোনো রোগ দেখা না দিলেও পক্স, সালমোনেলোসিস, কলেরা ও এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা দেখা দিতে পারে। পরিবেশ ও খামার অব্যবস্থাপনার কারণে এসব রোগ সংক্রমণ হতে পারে। তবে নিয়মিত টিকা দেওয়া হলে এ সব রোগ আক্রান্ত করতে পারে না।
আরো পড়ুন>

যে কারনে টার্কির মাংস মানুষ কিনে খাবে? Why turkey meat people buy and eat


টার্কি শুধু বড় লোকের খাবার নয় এটা পুরো
মানবজাতির জন্যই একটি উপকারী খাবার
হতে পারে দেখে নেই টার্কির মাংসের সেই
গুণাবলী
low GI Food ( গ্লাসিক ইনডেক্স ফুড )
# ডায়বেটিকের ঝুঁকি কমায়।
# হার্টের ঝুঁকি কমায়।
# ওজন কমাতে সাহায্য করে।
# আহত ব্যক্তির ব্যথা উপশমে সাহায্য করে।
ভিটামিন B-6, B-3 অথবা niacin এর অন্যতম
উৎস
# রক্তে চর্বির মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখে।
#রক্তে ইনসুলিন লেবেল নিয়ন্ত্রন রাখে।
# শরীরের চামড়ার সুরক্ষায় কাজ করে।
# মানুষের ব্রেইন সিস্টেম কে নিয়ন্ত্রন করে।
# জয়েন্টের ব্যথা ও বাত ব্যথার জন্য
কার্যকরী।
# পুরুষত্যহীনতার জন্য মহা দাওয়াই বলতে
পারেন।
# মারাত্ত্যক পুষ্টি হীনতায় কাজে দেয়
# B -6 বিপাক অথবা মেটাবলিসম অর্থাৎ
জীবদেহের সমস্ত ধরনের রাসায়নিক
বিক্রিয়াকে সঠিক ভাবে কাজ করতে
সাহায্য করে।
# লিভার কে সুস্থ রাখতে সাহাজ্য করে।
# চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকরী B-6.
#শরীরের শক্তি বৃদ্ধিতে টনিক হিসেবে
কাজ করে B-6।
অ্যামিনো এসিড ট্রিপ্টোফ্যান
# প্রাকিতিক ভাবে বড় হওয়া টার্কির
মাংসের এই এসিড পাওয়া যায় যা মানব
দেহের ঘুমের জন্য খুবই উপকারী।
আরও জেনে নেই
# প্রোটিনের অন্যতম উৎস।
# চামড়া ছাড়া টার্কির মাংসে চর্বির
পরিমান অনেক কম।
# খনিজ পদার্থ আয়রন,জিংক,পটাশিয়াম ও
পসপরাসের উৎস।
তথ্য গুলো ইন্টারনেট থেকে নেওয়া তথ্য♥♥

টার্কি শুধু বড় লোকের খাবার নয় এটা পুরো
মানবজাতির জন্যই একটি উপকারী খাবার
হতে পারে দেখে নেই টার্কির মাংসের সেই
গুণাবলী
low GI Food ( গ্লাসিক ইনডেক্স ফুড )
# ডায়বেটিকের ঝুঁকি কমায়।
# হার্টের ঝুঁকি কমায়।
# ওজন কমাতে সাহায্য করে।
# আহত ব্যক্তির ব্যথা উপশমে সাহায্য করে।
ভিটামিন B-6, B-3 অথবা niacin এর অন্যতম
উৎস
# রক্তে চর্বির মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখে।
#রক্তে ইনসুলিন লেবেল নিয়ন্ত্রন রাখে।
# শরীরের চামড়ার সুরক্ষায় কাজ করে।
# মানুষের ব্রেইন সিস্টেম কে নিয়ন্ত্রন করে।
# জয়েন্টের ব্যথা ও বাত ব্যথার জন্য
কার্যকরী।
# পুরুষত্যহীনতার জন্য মহা দাওয়াই বলতে
পারেন।
# মারাত্ত্যক পুষ্টি হীনতায় কাজে দেয়
# B -6 বিপাক অথবা মেটাবলিসম অর্থাৎ
জীবদেহের সমস্ত ধরনের রাসায়নিক
বিক্রিয়াকে সঠিক ভাবে কাজ করতে
সাহায্য করে।
# লিভার কে সুস্থ রাখতে সাহাজ্য করে।
# চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকরী B-6.
#শরীরের শক্তি বৃদ্ধিতে টনিক হিসেবে
কাজ করে B-6।
অ্যামিনো এসিড ট্রিপ্টোফ্যান
# প্রাকিতিক ভাবে বড় হওয়া টার্কির
মাংসের এই এসিড পাওয়া যায় যা মানব
দেহের ঘুমের জন্য খুবই উপকারী।
আরও জেনে নেই
# প্রোটিনের অন্যতম উৎস।
# চামড়া ছাড়া টার্কির মাংসে চর্বির
পরিমান অনেক কম।
# খনিজ পদার্থ আয়রন,জিংক,পটাশিয়াম ও
পসপরাসের উৎস।
তথ্য গুলো ইন্টারনেট থেকে নেওয়া তথ্য♥♥
আরো পড়ুন>

৪শ টাকায় খামার শুরু করে বছরে আয় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা | 4 hundred taka start the farm, earning 3 to 4 lakhTaka a year


মাত্র ৪০০ টাকায় ১ দিন বয়সী এক জোড়া টার্কি দিয়ে নিজের খামার শুরু করি। বর্তমানে আমার খামারের পুঁজি ১০ লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। টার্কি মুরগি পালনে এখন আমার বার্ষিক আয় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। পুরো পরিবার চলছে টার্কি খামারের ওপর ভিত্তি করেই।’ কথাগুলো বলছিলেন নরসিংদীর পলাশ উপজেলার পাইকসা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ বাসেদ। আর টার্কি পালনে নিজের সাফল্যে এলাকায় তিনি পরিচিতি পেয়েছেন টার্কি বাসেদ নামে। একই রকম সফলতার মুখ দেখেছেন সাভারের শেরপুর এলাকার কর্ণপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রাশেদুল হাসান মামুন। মাত্র ২ বছর আগে ২ লাখ টাকা দিয়ে টার্কি খামার গড়ে তুললেও বর্তমানে তার পুঁজি দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ। জনকণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘এর আগে পোশাক শিল্পে জড়িত ছিলাম। ফ্যাক্টরিতে কাজ করতে করতে প্রোডাকশন ম্যানেজার হয়েছিলাম। তবে একই সময়ে টার্কি মুরগি পালনে এগিয়ে আসি। দেখলাম টার্কি পালনেই আমার লাভ হচ্ছে। তখন খামার গড়ে তুলি। খামারের কাজে এখন প্রতিমাসে ৩ লাখ টাকা ব্যবহার হচ্ছে। এতে প্রতিমাসে আয় হচ্ছে প্রায় ৭০ হাজার টাকা। মূলত এ আয়ের ওপর নির্ভর করেই চলছে আমার পরিবার।’ শুধু বাসেদ ও মামুনই নন, টার্কি মুরগি পালনে দেশে সফলতার মুখ দেখেছেন এমন অনেকেই। আর এ খাতটিতে বর্তমানে যুক্ত আছেন ছোট-বড় প্রায় আড়াই হাজার খামারি। ২০০ থেকে ৩০০ টার্কি পালন হচ্ছে এমন খামারের সংখ্যা প্রায় ১০০। একই সঙ্গে দেশে গড়ে উঠেছে টার্কির বাণিজ্যিক খামারও। সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, দেশে প্রতিনিয়তই বাড়ছে টার্কি খামারির সংখ্যা। তাদের মতে, দেশের ইতিবাচক আবহাওয়া ও টার্কি মুরগি পালনে খরচ কম হওয়ায় খাতটি হয়ে উঠতে পারে সম্ভাবনাময়। এমনকি পোল্ট্রি শিল্পে সূচনা হতে পারে নতুন এক দিগন্তের।
জানতে চাইলে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডাঃ মোঃ আইনুল হক জনকণ্ঠকে বলেন, ‘মাংসের যোগানের ক্ষেত্রে টার্কি পালন দেশের জন্য খুবই ইতিবাচক। কারণ অল্প সময়ে এক একটি টার্কির ওজন হয় ৫ থেকে ৬ কেজি। আবার টার্কি পালনে খামারিদের আয়ও বেশি। এটি অবশ্যই একটি সম্ভাবনার দিক।’ তিনি বলেন, ‘তবে নতুন কিছু আসলে এর একটি চ্যালেঞ্জ থাকে। আমাদের সেই চ্যালেঞ্জ নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। টার্কি পালনের মাধ্যমে যাতে নতুন কোন রোগ-বালাই না ছড়ায়; সেটি নিয়েও কাজ চলছে। পরীক্ষামূলকভাবে নরসিংদীতে টার্কি পালন সোসাইটি গড়ে তোলা হয়েছে। খামারিদের নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।’

মাত্র ৪০০ টাকায় ১ দিন বয়সী এক জোড়া টার্কি দিয়ে নিজের খামার শুরু করি। বর্তমানে আমার খামারের পুঁজি ১০ লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। টার্কি মুরগি পালনে এখন আমার বার্ষিক আয় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। পুরো পরিবার চলছে টার্কি খামারের ওপর ভিত্তি করেই।’ কথাগুলো বলছিলেন নরসিংদীর পলাশ উপজেলার পাইকসা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ বাসেদ। আর টার্কি পালনে নিজের সাফল্যে এলাকায় তিনি পরিচিতি পেয়েছেন টার্কি বাসেদ নামে। একই রকম সফলতার মুখ দেখেছেন সাভারের শেরপুর এলাকার কর্ণপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রাশেদুল হাসান মামুন। মাত্র ২ বছর আগে ২ লাখ টাকা দিয়ে টার্কি খামার গড়ে তুললেও বর্তমানে তার পুঁজি দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ। জনকণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘এর আগে পোশাক শিল্পে জড়িত ছিলাম। ফ্যাক্টরিতে কাজ করতে করতে প্রোডাকশন ম্যানেজার হয়েছিলাম। তবে একই সময়ে টার্কি মুরগি পালনে এগিয়ে আসি। দেখলাম টার্কি পালনেই আমার লাভ হচ্ছে। তখন খামার গড়ে তুলি। খামারের কাজে এখন প্রতিমাসে ৩ লাখ টাকা ব্যবহার হচ্ছে। এতে প্রতিমাসে আয় হচ্ছে প্রায় ৭০ হাজার টাকা। মূলত এ আয়ের ওপর নির্ভর করেই চলছে আমার পরিবার।’ শুধু বাসেদ ও মামুনই নন, টার্কি মুরগি পালনে দেশে সফলতার মুখ দেখেছেন এমন অনেকেই। আর এ খাতটিতে বর্তমানে যুক্ত আছেন ছোট-বড় প্রায় আড়াই হাজার খামারি। ২০০ থেকে ৩০০ টার্কি পালন হচ্ছে এমন খামারের সংখ্যা প্রায় ১০০। একই সঙ্গে দেশে গড়ে উঠেছে টার্কির বাণিজ্যিক খামারও। সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, দেশে প্রতিনিয়তই বাড়ছে টার্কি খামারির সংখ্যা। তাদের মতে, দেশের ইতিবাচক আবহাওয়া ও টার্কি মুরগি পালনে খরচ কম হওয়ায় খাতটি হয়ে উঠতে পারে সম্ভাবনাময়। এমনকি পোল্ট্রি শিল্পে সূচনা হতে পারে নতুন এক দিগন্তের।
জানতে চাইলে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডাঃ মোঃ আইনুল হক জনকণ্ঠকে বলেন, ‘মাংসের যোগানের ক্ষেত্রে টার্কি পালন দেশের জন্য খুবই ইতিবাচক। কারণ অল্প সময়ে এক একটি টার্কির ওজন হয় ৫ থেকে ৬ কেজি। আবার টার্কি পালনে খামারিদের আয়ও বেশি। এটি অবশ্যই একটি সম্ভাবনার দিক।’ তিনি বলেন, ‘তবে নতুন কিছু আসলে এর একটি চ্যালেঞ্জ থাকে। আমাদের সেই চ্যালেঞ্জ নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। টার্কি পালনের মাধ্যমে যাতে নতুন কোন রোগ-বালাই না ছড়ায়; সেটি নিয়েও কাজ চলছে। পরীক্ষামূলকভাবে নরসিংদীতে টার্কি পালন সোসাইটি গড়ে তোলা হয়েছে। খামারিদের নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।’
আরো পড়ুন>

টার্কি নিয়ে সিরিয়াস কিছু কথা | Serious talk about Turkey Bird


বাঙ্গালী তার কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে একেবারেই ইউনিক( আমি নিজেও কিন্তু বাঙ্গালী আগেই বলে রাখলাম )।তার মধ্যে একটা হল বিদেশ প্রীতি।দেশী মুরগী আর দেশী ডিম ছাড়া বাঙ্গালী দেশীর খুব একটা ধার ধারে না।দেশের সীমান্তের বাইরে উৎপন্ন বা দেশের বাইরে হতে আগত সবকিছুর প্রতি একটা চিকন দুর্বলতা কাজ করে।সেটা বিয়ের হাট বাজার পেরিয়ে শালিকে গিফট দেওয়া প্রবাসী দুলাভাইয়ের ক্রিমে এসে শেষ হয়।বিদেশ থেকে পাঠানো বড় ভাইয়ের দেওয়া মোবাইল হাতে কত শত কিশোরকে যে আনন্দিত হতে দেখেছি তার কোন শেষ নেই।
আরেকটা বিশেষ বৈশিষ্ট্যে হল খাবারের ক্ষেত্রে নিজেদের পরিচিত গণ্ডির বাইরে খুব একটা না যাওয়া।অবশ্য ফুড লাভারদের ক্ষেত্রে অন্য কথা।ছোটবেলায় বাবা মা মুরগী খাইয়ে বড় করেছেন তাই খাবারের মেন্যুতে মুরগী ছাড়া অন্য সবকিছুই
অচেনা লাগে আর সূক্ষ্ম অস্বস্তিবোধ হয়।তবে কোনভাবে একবার শুরু করলে সেটার প্রতি অবসেসিভ হয়ে যায় , যেটা আমরা দেখেছি ব্রয়লারের ক্ষেত্রে।
উপরের আলোচিত দুইটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে প্রথমটি গ্রহণমূলক আর পরেরটি বর্জনমূলক।একটা পজিটিভ আরেকটা নেগেটিভ।তাই তাদের মধ্যে বিকর্ষণ (বৈজ্ঞানিক নীতিতে আকর্ষণ করার কথা) হওয়াটাই স্বাভাবিক।আর এই বিকর্ষণের
ভেন্যু বাঙ্গালীর মন।আর উছিলা হল টার্কি যা আমেরিকান বা বিদেশী আবার একই সাথে খাবারের মেন্যুতে নতুন আইটেম।
একদিন ব্রয়লারের মত টার্কিতেও বাঙ্গালী অবসেসিভ হয়ে যাবে।আর যে অবসেশন শুরু হয় ধীরে ধীরে সেটার মেয়াদও থাকে দীর্ঘদিন।
Happy turkey farming!!

বাঙ্গালী তার কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে একেবারেই ইউনিক( আমি নিজেও কিন্তু বাঙ্গালী আগেই বলে রাখলাম )।তার মধ্যে একটা হল বিদেশ প্রীতি।দেশী মুরগী আর দেশী ডিম ছাড়া বাঙ্গালী দেশীর খুব একটা ধার ধারে না।দেশের সীমান্তের বাইরে উৎপন্ন বা দেশের বাইরে হতে আগত সবকিছুর প্রতি একটা চিকন দুর্বলতা কাজ করে।সেটা বিয়ের হাট বাজার পেরিয়ে শালিকে গিফট দেওয়া প্রবাসী দুলাভাইয়ের ক্রিমে এসে শেষ হয়।বিদেশ থেকে পাঠানো বড় ভাইয়ের দেওয়া মোবাইল হাতে কত শত কিশোরকে যে আনন্দিত হতে দেখেছি তার কোন শেষ নেই।
আরেকটা বিশেষ বৈশিষ্ট্যে হল খাবারের ক্ষেত্রে নিজেদের পরিচিত গণ্ডির বাইরে খুব একটা না যাওয়া।অবশ্য ফুড লাভারদের ক্ষেত্রে অন্য কথা।ছোটবেলায় বাবা মা মুরগী খাইয়ে বড় করেছেন তাই খাবারের মেন্যুতে মুরগী ছাড়া অন্য সবকিছুই
অচেনা লাগে আর সূক্ষ্ম অস্বস্তিবোধ হয়।তবে কোনভাবে একবার শুরু করলে সেটার প্রতি অবসেসিভ হয়ে যায় , যেটা আমরা দেখেছি ব্রয়লারের ক্ষেত্রে।
উপরের আলোচিত দুইটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে প্রথমটি গ্রহণমূলক আর পরেরটি বর্জনমূলক।একটা পজিটিভ আরেকটা নেগেটিভ।তাই তাদের মধ্যে বিকর্ষণ (বৈজ্ঞানিক নীতিতে আকর্ষণ করার কথা) হওয়াটাই স্বাভাবিক।আর এই বিকর্ষণের
ভেন্যু বাঙ্গালীর মন।আর উছিলা হল টার্কি যা আমেরিকান বা বিদেশী আবার একই সাথে খাবারের মেন্যুতে নতুন আইটেম।
একদিন ব্রয়লারের মত টার্কিতেও বাঙ্গালী অবসেসিভ হয়ে যাবে।আর যে অবসেশন শুরু হয় ধীরে ধীরে সেটার মেয়াদও থাকে দীর্ঘদিন।
Happy turkey farming!!
আরো পড়ুন>

টার্কি পালন: অধিক লাভের হাতছানি | Turkey Murgi rearing In less time More profits


দেশের বেকারত্ব নিরসনে নতুন দিক উন্মোচন করতে যাচ্ছে টার্কি পালন। যেখানে বাংলাদেশে বেকারত্বের হার  ৪৬% সেখানে অল্প কিছু টাকা বিনিয়োগ করেই এক বছরের মধ্যেই দ্বিগুণ লাভের মুনাফা দেখতে পারছেন টার্কি খামারিরা। বাংলাদেশে টার্কি পালন নতুন হলেও অন্যান্য উন্নত দেশগুলোতে ব্যাপক হারে পালন করা হচ্ছে টার্কি। নতুন জন্ম নেয়া বাচ্চা কম সময়ের মধ্যে লালন পালন করেই মাত্র তিন মাসের মাথায় টার্কিগুলো দ্বিগুণের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি করে বেশ ভালো মুনাফা দেখতে পারছেন টার্কি খামারিরা।
অংশীদারির ভিত্তিতে ২০১৬ সালের মে মাসে রাজধানীর দক্ষিণ মাণ্ডা এলাকায় ১৩৩টি টার্কি মুরগি নিয়ে খামার গড়ে তুলেন সেলিম মিয়া। খামারের নাম দেন কাঁশবন অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেড। সেলিমের পাশাপাশি আছেন আরও তিনজন অংশীদার। জমি নির্ধারণ, টার্কি বাচ্চা কেনাসহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে সর্বমোট বিনিয়োগ করছেন প্রায় ৮০ লাখ টাকা। তিলে তিলে গড়ে উঠা এই খামারে এখন টার্কি মুরগির সংখ্যা তিন হাজারেরও বেশি। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর সপ্তাহজুড়ে বিক্রি করা হচ্ছে টার্কি।
কথা হয় কাঁশবন অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মো. আকরাম হোসেনের সাথে। তিনি ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমরা গত বছর ভারত থেকে মাত্র ১৩৩টি টার্কি মুরগি নিয়ে টার্কি খামার গড়ে তুলি। এরপর এই বাচ্চার সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৫০টি। তবে এখন পর্যন্ত ফার্মের মুরগির মতো একসঙ্গে দুই হাজার বা তার থেকেও বেশি বাচ্চা ফুটানোর মতো অবস্থা হয়নি টার্কির। আমি মনে করি টার্কি এখনো রাজখানার মধ্যে আছে। এটি এমন একটি মুরগি এটি কখনো ব্রয়লার কিংবা লেয়ার মুরগির মতো হবে না। তবে টার্কি যদি নিচের লেয়ারেও আসে তা একটা মানের মধ্যে থাকবে।’
টার্কির দরদাম
দামের ব্যাপারে আকরাম হোসেন  বলেন, ‘আমরা যখন গত বছর কিনে এনেছিলাম তখন এর আরও অনেক দাম ছিল। তবে এখন খামারের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে এর দাম কিছুটা হলেও কমছে। তবে এই মুহূর্তে দাম কিছুটা বেশি। বছরে বেশ কয়েকবার এর দাম উঠানামা করে। এটি মূলত হয় বাজারের চাহিদা অনুযায়ী। এখন ১৫ দিন বয়সের একজোড়া্ টার্কির দাম এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু। ৩০ দিনের বাচ্চার দাম তিন হাজার টাকা জোড়া। সাড়ে তিন মাস বয়সী জোড়া প্রতি টার্কি এখন পর্যন্ত নয় হাজার টাকায় বিক্রি করা সম্ভব। তবে এখন পূর্ণ বয়স্ক এক জোড়া টার্কি বিক্রি হচ্ছে ১৪ হাজার টাকায়। আর যেগুলো এখন ডিম পাড়ছে তাদের একটির দামই এখন ১০ হাজার টাকা।’
টার্কির উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি
অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় টার্কির উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি। প্রতি ২০ সপ্তাহ বয়স থেকে টার্কি ডিম পাড়া শুরু করে। একটি নির্দিষ্ট সময় পর ১০০টি ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার মাত্র ২৮ দিনের মাথায় ডিম ফুটে বাচ্চা বের হওয়া শুরু করে। এই ব্যাপারে ব্যবস্থাপক আকরাম হোসেন বলেন, ‘আমাদের এখানে সাধারণত ২৬ সপ্তাহ বয়স থেকে টার্কিগুলো ডিম দেয়া শুরু করে। প্রয়োজনীয় আলো বাতাসের ব্যবস্থা থাকায় বছরে একেকটি টার্কি ৯০টিরও বেশি ডিম দিয়ে থাকে। তবে বেশিরভাগ টার্কি বিকাল থেকে সন্ধ্যায় ডিম দেয়।’
আকরাম জানান, তার খামারে প্রায় সব জাতের টার্কি রয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ব্ল্যাক, রাঙ্গিন সেট, স্লেট, ব্রোঞ্জ, রয়েল পাম্প ইত্যাদি। এর মধ্যে রয়েল পাম্পের দাম সবচেয়ে বেশি। যা বিক্রি হচ্ছে জোড়াপ্রতি ২০ হাজার টাকা। এগুলো আকারে বেশ বড় হয়ে থাকে।
বাসায় পালনের ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপক জানান, ‘টার্কি এখনো ঘরে পালার মতো যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। বাসার বাইরে কিংবা ছাদে পালনের ক্ষেত্রে প্রথমে একটি শেড বানাতে হবে। শেডের ভেতরে নরম ফোম দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। শীতপ্রধান দেশগুলোতে এদের আদি জন্ম থাকায় এরা সহজে গরম সহ্য করতে পারে না। তাই ফোম দিলে গরম কিছুটা কম লাগবে। আর যে কাজটি বেশি গুরত্বের সাহায্যে করতে হবে তা হলো জীবাণুমুক্ত রাখা। এর পাশাপাশি খাদ্যের জন্য রাখতে হবে কলমি, হেলেঞ্চা, সরিষা, পালংকসহ বিভিন্ন ধরনের শাক। আর বাৎসরিকভাবে রোগ থেকে মুক্ত রাখার জন্য প্রথম আড়াই মাসে চারটি ভ্যাকসিন দিয়ে রাখতে হবে। ভ্যাকসিন না দিলেও এর রোগ বালাই সহজে আক্রান্ত করতে পারে না। অর্থাৎ এই ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করলেই বাসার বাইরে কিংবা ছাদে সহজেই টার্কি পালন করা যাবে।
অদুর ভবিষ্যতে বয়লার মোরুগের স্হান দখল করবে টার্কি, কিভাবে?
আমাদের দেশি ব্রিড টার্কি ৬ মাসে প্রায় ৬/৭ কেজি ওজন হয়। ৬ কেজি ৩৫০ টাকা দরে= ২১০০/- টাকা।
খরচঃ- বাচ্চা ক্রয় করেঃ
প্রথম তিন মাস খাবার কম খায়,
দ্বিতীয় তিন মাস বেশি খায়।
গড় হিসেবে দৈনিক ৩.৫০ টাকা,
খাবার -----৩.৫০*১৮০=৬৩০/-
ঔষধ------------------------=১৫০/-
বাচ্চা ১৫ দিন-- ---------=৩০০/-
লেবার ---------------------=১০০/-
----------------------------------------------
মোট------------------------=১১৮০/-
বাচ্চা না কিনলে=৮৮০/-
২১০০-১১৮০=৯২০/- লাভ।
কোন অনুষ্ঠানে বয়লার মোরুগ অনেকেই খেতে চাইনা, সেখানে টার্কি পারফেক্ট।
এখন দরকার প্রচার ও সচেতনতা।

দেশের বেকারত্ব নিরসনে নতুন দিক উন্মোচন করতে যাচ্ছে টার্কি পালন। যেখানে বাংলাদেশে বেকারত্বের হার  ৪৬% সেখানে অল্প কিছু টাকা বিনিয়োগ করেই এক বছরের মধ্যেই দ্বিগুণ লাভের মুনাফা দেখতে পারছেন টার্কি খামারিরা। বাংলাদেশে টার্কি পালন নতুন হলেও অন্যান্য উন্নত দেশগুলোতে ব্যাপক হারে পালন করা হচ্ছে টার্কি। নতুন জন্ম নেয়া বাচ্চা কম সময়ের মধ্যে লালন পালন করেই মাত্র তিন মাসের মাথায় টার্কিগুলো দ্বিগুণের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি করে বেশ ভালো মুনাফা দেখতে পারছেন টার্কি খামারিরা।
অংশীদারির ভিত্তিতে ২০১৬ সালের মে মাসে রাজধানীর দক্ষিণ মাণ্ডা এলাকায় ১৩৩টি টার্কি মুরগি নিয়ে খামার গড়ে তুলেন সেলিম মিয়া। খামারের নাম দেন কাঁশবন অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেড। সেলিমের পাশাপাশি আছেন আরও তিনজন অংশীদার। জমি নির্ধারণ, টার্কি বাচ্চা কেনাসহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে সর্বমোট বিনিয়োগ করছেন প্রায় ৮০ লাখ টাকা। তিলে তিলে গড়ে উঠা এই খামারে এখন টার্কি মুরগির সংখ্যা তিন হাজারেরও বেশি। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর সপ্তাহজুড়ে বিক্রি করা হচ্ছে টার্কি।
কথা হয় কাঁশবন অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মো. আকরাম হোসেনের সাথে। তিনি ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমরা গত বছর ভারত থেকে মাত্র ১৩৩টি টার্কি মুরগি নিয়ে টার্কি খামার গড়ে তুলি। এরপর এই বাচ্চার সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৫০টি। তবে এখন পর্যন্ত ফার্মের মুরগির মতো একসঙ্গে দুই হাজার বা তার থেকেও বেশি বাচ্চা ফুটানোর মতো অবস্থা হয়নি টার্কির। আমি মনে করি টার্কি এখনো রাজখানার মধ্যে আছে। এটি এমন একটি মুরগি এটি কখনো ব্রয়লার কিংবা লেয়ার মুরগির মতো হবে না। তবে টার্কি যদি নিচের লেয়ারেও আসে তা একটা মানের মধ্যে থাকবে।’
টার্কির দরদাম
দামের ব্যাপারে আকরাম হোসেন  বলেন, ‘আমরা যখন গত বছর কিনে এনেছিলাম তখন এর আরও অনেক দাম ছিল। তবে এখন খামারের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে এর দাম কিছুটা হলেও কমছে। তবে এই মুহূর্তে দাম কিছুটা বেশি। বছরে বেশ কয়েকবার এর দাম উঠানামা করে। এটি মূলত হয় বাজারের চাহিদা অনুযায়ী। এখন ১৫ দিন বয়সের একজোড়া্ টার্কির দাম এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু। ৩০ দিনের বাচ্চার দাম তিন হাজার টাকা জোড়া। সাড়ে তিন মাস বয়সী জোড়া প্রতি টার্কি এখন পর্যন্ত নয় হাজার টাকায় বিক্রি করা সম্ভব। তবে এখন পূর্ণ বয়স্ক এক জোড়া টার্কি বিক্রি হচ্ছে ১৪ হাজার টাকায়। আর যেগুলো এখন ডিম পাড়ছে তাদের একটির দামই এখন ১০ হাজার টাকা।’
টার্কির উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি
অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় টার্কির উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি। প্রতি ২০ সপ্তাহ বয়স থেকে টার্কি ডিম পাড়া শুরু করে। একটি নির্দিষ্ট সময় পর ১০০টি ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার মাত্র ২৮ দিনের মাথায় ডিম ফুটে বাচ্চা বের হওয়া শুরু করে। এই ব্যাপারে ব্যবস্থাপক আকরাম হোসেন বলেন, ‘আমাদের এখানে সাধারণত ২৬ সপ্তাহ বয়স থেকে টার্কিগুলো ডিম দেয়া শুরু করে। প্রয়োজনীয় আলো বাতাসের ব্যবস্থা থাকায় বছরে একেকটি টার্কি ৯০টিরও বেশি ডিম দিয়ে থাকে। তবে বেশিরভাগ টার্কি বিকাল থেকে সন্ধ্যায় ডিম দেয়।’
আকরাম জানান, তার খামারে প্রায় সব জাতের টার্কি রয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ব্ল্যাক, রাঙ্গিন সেট, স্লেট, ব্রোঞ্জ, রয়েল পাম্প ইত্যাদি। এর মধ্যে রয়েল পাম্পের দাম সবচেয়ে বেশি। যা বিক্রি হচ্ছে জোড়াপ্রতি ২০ হাজার টাকা। এগুলো আকারে বেশ বড় হয়ে থাকে।
বাসায় পালনের ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপক জানান, ‘টার্কি এখনো ঘরে পালার মতো যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। বাসার বাইরে কিংবা ছাদে পালনের ক্ষেত্রে প্রথমে একটি শেড বানাতে হবে। শেডের ভেতরে নরম ফোম দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। শীতপ্রধান দেশগুলোতে এদের আদি জন্ম থাকায় এরা সহজে গরম সহ্য করতে পারে না। তাই ফোম দিলে গরম কিছুটা কম লাগবে। আর যে কাজটি বেশি গুরত্বের সাহায্যে করতে হবে তা হলো জীবাণুমুক্ত রাখা। এর পাশাপাশি খাদ্যের জন্য রাখতে হবে কলমি, হেলেঞ্চা, সরিষা, পালংকসহ বিভিন্ন ধরনের শাক। আর বাৎসরিকভাবে রোগ থেকে মুক্ত রাখার জন্য প্রথম আড়াই মাসে চারটি ভ্যাকসিন দিয়ে রাখতে হবে। ভ্যাকসিন না দিলেও এর রোগ বালাই সহজে আক্রান্ত করতে পারে না। অর্থাৎ এই ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করলেই বাসার বাইরে কিংবা ছাদে সহজেই টার্কি পালন করা যাবে।
অদুর ভবিষ্যতে বয়লার মোরুগের স্হান দখল করবে টার্কি, কিভাবে?
আমাদের দেশি ব্রিড টার্কি ৬ মাসে প্রায় ৬/৭ কেজি ওজন হয়। ৬ কেজি ৩৫০ টাকা দরে= ২১০০/- টাকা।
খরচঃ- বাচ্চা ক্রয় করেঃ
প্রথম তিন মাস খাবার কম খায়,
দ্বিতীয় তিন মাস বেশি খায়।
গড় হিসেবে দৈনিক ৩.৫০ টাকা,
খাবার -----৩.৫০*১৮০=৬৩০/-
ঔষধ------------------------=১৫০/-
বাচ্চা ১৫ দিন-- ---------=৩০০/-
লেবার ---------------------=১০০/-
----------------------------------------------
মোট------------------------=১১৮০/-
বাচ্চা না কিনলে=৮৮০/-
২১০০-১১৮০=৯২০/- লাভ।
কোন অনুষ্ঠানে বয়লার মোরুগ অনেকেই খেতে চাইনা, সেখানে টার্কি পারফেক্ট।
এখন দরকার প্রচার ও সচেতনতা।
আরো পড়ুন>

টার্কি পালণে ঘুচতে পারে বেকারত্ব | Unemployment can be overcome by pet turkey

টার্কি এক সময়ের বন্য পাখী হলেও এখন একটি গৃহ পালিত বড় আকারের টার্কি মুরগী। এটি গৃহে পালন শুরু হয় উত্তর আমেরিকায় । কিন্ত বর্তমানে ইউরোপসহ পৃথিবীর প্রায় সব দেশে টার্কি পাখী কম–বেশী পালন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টার্কির মাংস বেশ জনপ্রিয়।

টার্কি বর্তমানে মাংসের প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়ে অর্থনীতিতে অবদান রাখছে ।
টার্কির মাংসে প্রোটিন বেশী, চর্বি কম এবং আন্যান্য পাখীর মাংসের চেয়ে বেশী পুষ্টিকর । পশ্চিমা দেশ গুলতে টার্কি ভীষণ জনপ্রিয় । তাই সবচেয়ে বেশী টার্কি পালন হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি, ফ্রান্স,ইতালি,নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, পোল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশে । তবে বাংলাদেশেও এখন ব্যাক্তি উদ্যোগে টার্কি চাষ শুরু হয়েছে । যেটা আমাদের জন্য সুখবর এবং বেকার যুবকদের টার্কি পালনে আগ্রহ ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়ায় আশা করা যায়, আগামী কয়েক বছরে মধ্যেই এটা ব্যাপক ভাবে বিস্তার লাভ করবে।
টার্কি পালনের সুবিধাসমুহঃ-
 টার্কির মাংস উৎপাদন ক্ষমতা ব্যাপক। সাধারণত ০৭-১৪ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে, কিছু কিছু প্রজাতী আরো বেশী ওজন হতে পারে।
এটা ঝামেলাহীন ভাবে দেশী মুরগীর মত পালন করা যায়, পাশাপাশি আবদ্ধ অবস্থায়ও পালন করা যায় ।
টার্কি ব্রয়লার মুরগীর চেয়ে দ্রুত বাড়ে, ২০ সপ্তাহে গড় ওজন পুরুষ পাখী =৭–৮ কেজি ও স্ত্রী পাখী =৪–৫ কেজি ।
 টার্কি পালনে তুলনামূলক খরচ অনেক কম, কারন এরা দানাদার খাদ্যের পাশাপাশি ঘাস, লতাপাতা খেতে বেশী পছন্দ করে ।
টার্কি দ্রুত মাংস উৎপাদনশীল একটি পাখী । দেশী হাঁস–মুরগীর মত সাধারন নিয়মে পালন করলেও ২৮ -৩০ সপ্তাহে প্রতিটি গড়ে ৫-৬ কেজি ওজন হয়।
 টার্কি দেখতে সুন্দর, তাই বাড়ির শোভা বর্ধন করে ।
টার্কির মাংসে প্রোটিনের পরিমাণ বেশী, চর্বি কম । তাই গরু কিংবা খাসীর মাংসের বিকল্প হতে পারে ।
 টার্কির মাংসে অধিক পরিমাণ জিংক, লৌহ, পটাশিয়াম, বি৬ ও ফসফরাস থাকে । এ উপাদান গুলু মানব শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী এবং নিয়মিত এই মাংস খেলে কোলেস্টেরল কমে যায় ।
 টার্কির মাংসে ভিটামিন ই, এমাইনো এসিড ও ট্রিপটোফেন অধিক পরিমাণে থাকায় এর মাংস খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে ।
 সাধারণত ৩০ সপ্তাহ বয়স থেকে টার্কি ডিম দেয়া শুরু করে । প্রয়োজনীয় আলো বাতাস, পরিষ্কার পানি এবং খাবার সরবরাহ করা হলে বছরে ৮০ – ১০০ ডিম দিয়ে থাকে ।
 টার্কির খাবার সরবরাহের জন্য দুইটি পদ্ধতি ব্যাবহার করা যায় । যেমন ম্যাশ ফিডিং ও পিলেট ফিডিং ।
একটি আদর্শ খাদ্য তালিকা নিচে দেয়া হলো –ধান-২০%, গম- ২০%, ভুট্টা- ২৫%, সয়াবিন মিল- ১০%, ঘাসের বীজ- ৮%, সূর্যমুখী বীজ- ১০%, ঝিনুক গুড়া- ৭% মোট = ১০০%
 সব সময় মোট খাবারের সঙ্গে ৫০% সবুজ ঘাস খেতে দিলে ভালো । সে ক্ষেত্রে নরম জাতীয় যে কোন ঘাস হতে হবে । যেমন – কলমি, হেলেঞ্চা, কচুরী পানা ইত্যাদি । একটি পূর্ণ বয়স্ক টার্কির দিনে ১৪০–১৫০ গ্রাম খাবার দরকার হয় । যেখানে ৪৪০০ – ৪৫০০ ক্যালোরি নিশ্চিত করতে হবে ।
 টার্কি নিজেই ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটায় । তবে দেশী মুরগী অথবা ইনকিউবেটর দিয়ে বাচ্চা ফুটালে ফল ভালো পাওয়া যায় । তাছাড়া বাচ্চা উৎপাদনের জন্য সময় নষ্ট না হওয়ার কারণে টার্কিও ডিম উৎপাদন বেশী করে ।
 টার্কির মাংস পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হওয়ায় এটি খাদ্য তালিকার একটি আদর্শ মাংস হতে পারে । পাশাপাশি দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মাংসের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে ।
যাদের অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস খাওয়া নিষেধ অথবা যারা নিজেরাই এড়িয়ে চলেন, কিংবা যারা গরু / খাসীর মাংস খায়না , টার্কি তাদের জন্য হতে পারে প্রিয় একটি বিকল্প । তাছাড়া বিয়ে, বৌ –ভাত, জন্মদিন সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাসীর/গরুর মাংসের বিকল্প হিসেবে টার্কির মাংস হতে পারে অতি উৎকৃষ্ট একটি খাবার । এবং গরু / খাসীর তুলনায় খরচ ও হবে কম ।
যারা বেকার বসে আছেন * যারা নতুন কিছু শুরু করতে চান * পোল্ট্রি ব্যবসা করে যারা লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন এবং আপনার স্থাপনা এখন কোন কাজে আসছে না * যারা কম ঝামেলা পূর্ণ কাজ পছন্দ করেন এবং ভালো আয়ের উৎস খুজছেন * যারা অল্প পুঁজি এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা খুজছেন, টার্কির খামার তাদের জন্য আদর্শের । কারন হিসেবে আমার অভিমত:
১। একটি আদর্শ টার্কি খামার করতে খুব বেশী পুঁজির প্রয়োজন হয় না ।
২। অন্যান্য পাখীর তুলনায় এর রোগ বালাই কম এবং কিছু নিয়ম মেনে চললেগি এই খামারে ঝুঁকি অনেক কম।
৩। যেহেতু ৫০% পর্যন্ত ঘাস দেয়া যায়, তাই খবারে খরচ কম ।
৪। বাজার চাহিদা প্রচুর ও উচ্চ মুল্য থাকায় খরচের তুলনায় আয় অনেক বেশী ।
বাংলাদেশের গ্রাম গঞ্জে অনেক জায়গা অনাবাদী/ পতিত অবস্থায় পরে থাকে । যেখানে প্রাকৃতিক ভাবে জন্মে রয়েছে বিভিন্ন ঘাস–লতা । এরকম উন্মুক্ত জায়গা টার্কি পালনের জন্য বেশী উপযোগী। অন্যদিকে আমদের রয়েছে এক বৃহত্তর বেকার জনগোষ্ঠী । তাই একদিকে অব্যবহৃত জমিকে ব্যবহার এবং বেকারদের জন্য কর্ম সংস্থান, এই দুই এর মাঝে সেতু বন্ধন হতে পারে ছোট একটি টার্কি খামার ।
★★কোথায় পাবেন টার্কি মুরগি ?★★
 টার্কি মুরগি পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

টার্কি এক সময়ের বন্য পাখী হলেও এখন একটি গৃহ পালিত বড় আকারের টার্কি মুরগী। এটি গৃহে পালন শুরু হয় উত্তর আমেরিকায় । কিন্ত বর্তমানে ইউরোপসহ পৃথিবীর প্রায় সব দেশে টার্কি পাখী কম–বেশী পালন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টার্কির মাংস বেশ জনপ্রিয়।

টার্কি বর্তমানে মাংসের প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়ে অর্থনীতিতে অবদান রাখছে ।
টার্কির মাংসে প্রোটিন বেশী, চর্বি কম এবং আন্যান্য পাখীর মাংসের চেয়ে বেশী পুষ্টিকর । পশ্চিমা দেশ গুলতে টার্কি ভীষণ জনপ্রিয় । তাই সবচেয়ে বেশী টার্কি পালন হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি, ফ্রান্স,ইতালি,নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, পোল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশে । তবে বাংলাদেশেও এখন ব্যাক্তি উদ্যোগে টার্কি চাষ শুরু হয়েছে । যেটা আমাদের জন্য সুখবর এবং বেকার যুবকদের টার্কি পালনে আগ্রহ ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়ায় আশা করা যায়, আগামী কয়েক বছরে মধ্যেই এটা ব্যাপক ভাবে বিস্তার লাভ করবে।
টার্কি পালনের সুবিধাসমুহঃ-
 টার্কির মাংস উৎপাদন ক্ষমতা ব্যাপক। সাধারণত ০৭-১৪ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে, কিছু কিছু প্রজাতী আরো বেশী ওজন হতে পারে।
এটা ঝামেলাহীন ভাবে দেশী মুরগীর মত পালন করা যায়, পাশাপাশি আবদ্ধ অবস্থায়ও পালন করা যায় ।
টার্কি ব্রয়লার মুরগীর চেয়ে দ্রুত বাড়ে, ২০ সপ্তাহে গড় ওজন পুরুষ পাখী =৭–৮ কেজি ও স্ত্রী পাখী =৪–৫ কেজি ।
 টার্কি পালনে তুলনামূলক খরচ অনেক কম, কারন এরা দানাদার খাদ্যের পাশাপাশি ঘাস, লতাপাতা খেতে বেশী পছন্দ করে ।
টার্কি দ্রুত মাংস উৎপাদনশীল একটি পাখী । দেশী হাঁস–মুরগীর মত সাধারন নিয়মে পালন করলেও ২৮ -৩০ সপ্তাহে প্রতিটি গড়ে ৫-৬ কেজি ওজন হয়।
 টার্কি দেখতে সুন্দর, তাই বাড়ির শোভা বর্ধন করে ।
টার্কির মাংসে প্রোটিনের পরিমাণ বেশী, চর্বি কম । তাই গরু কিংবা খাসীর মাংসের বিকল্প হতে পারে ।
 টার্কির মাংসে অধিক পরিমাণ জিংক, লৌহ, পটাশিয়াম, বি৬ ও ফসফরাস থাকে । এ উপাদান গুলু মানব শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী এবং নিয়মিত এই মাংস খেলে কোলেস্টেরল কমে যায় ।
 টার্কির মাংসে ভিটামিন ই, এমাইনো এসিড ও ট্রিপটোফেন অধিক পরিমাণে থাকায় এর মাংস খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে ।
 সাধারণত ৩০ সপ্তাহ বয়স থেকে টার্কি ডিম দেয়া শুরু করে । প্রয়োজনীয় আলো বাতাস, পরিষ্কার পানি এবং খাবার সরবরাহ করা হলে বছরে ৮০ – ১০০ ডিম দিয়ে থাকে ।
 টার্কির খাবার সরবরাহের জন্য দুইটি পদ্ধতি ব্যাবহার করা যায় । যেমন ম্যাশ ফিডিং ও পিলেট ফিডিং ।
একটি আদর্শ খাদ্য তালিকা নিচে দেয়া হলো –ধান-২০%, গম- ২০%, ভুট্টা- ২৫%, সয়াবিন মিল- ১০%, ঘাসের বীজ- ৮%, সূর্যমুখী বীজ- ১০%, ঝিনুক গুড়া- ৭% মোট = ১০০%
 সব সময় মোট খাবারের সঙ্গে ৫০% সবুজ ঘাস খেতে দিলে ভালো । সে ক্ষেত্রে নরম জাতীয় যে কোন ঘাস হতে হবে । যেমন – কলমি, হেলেঞ্চা, কচুরী পানা ইত্যাদি । একটি পূর্ণ বয়স্ক টার্কির দিনে ১৪০–১৫০ গ্রাম খাবার দরকার হয় । যেখানে ৪৪০০ – ৪৫০০ ক্যালোরি নিশ্চিত করতে হবে ।
 টার্কি নিজেই ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটায় । তবে দেশী মুরগী অথবা ইনকিউবেটর দিয়ে বাচ্চা ফুটালে ফল ভালো পাওয়া যায় । তাছাড়া বাচ্চা উৎপাদনের জন্য সময় নষ্ট না হওয়ার কারণে টার্কিও ডিম উৎপাদন বেশী করে ।
 টার্কির মাংস পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হওয়ায় এটি খাদ্য তালিকার একটি আদর্শ মাংস হতে পারে । পাশাপাশি দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মাংসের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে ।
যাদের অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস খাওয়া নিষেধ অথবা যারা নিজেরাই এড়িয়ে চলেন, কিংবা যারা গরু / খাসীর মাংস খায়না , টার্কি তাদের জন্য হতে পারে প্রিয় একটি বিকল্প । তাছাড়া বিয়ে, বৌ –ভাত, জন্মদিন সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাসীর/গরুর মাংসের বিকল্প হিসেবে টার্কির মাংস হতে পারে অতি উৎকৃষ্ট একটি খাবার । এবং গরু / খাসীর তুলনায় খরচ ও হবে কম ।
যারা বেকার বসে আছেন * যারা নতুন কিছু শুরু করতে চান * পোল্ট্রি ব্যবসা করে যারা লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন এবং আপনার স্থাপনা এখন কোন কাজে আসছে না * যারা কম ঝামেলা পূর্ণ কাজ পছন্দ করেন এবং ভালো আয়ের উৎস খুজছেন * যারা অল্প পুঁজি এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা খুজছেন, টার্কির খামার তাদের জন্য আদর্শের । কারন হিসেবে আমার অভিমত:
১। একটি আদর্শ টার্কি খামার করতে খুব বেশী পুঁজির প্রয়োজন হয় না ।
২। অন্যান্য পাখীর তুলনায় এর রোগ বালাই কম এবং কিছু নিয়ম মেনে চললেগি এই খামারে ঝুঁকি অনেক কম।
৩। যেহেতু ৫০% পর্যন্ত ঘাস দেয়া যায়, তাই খবারে খরচ কম ।
৪। বাজার চাহিদা প্রচুর ও উচ্চ মুল্য থাকায় খরচের তুলনায় আয় অনেক বেশী ।
বাংলাদেশের গ্রাম গঞ্জে অনেক জায়গা অনাবাদী/ পতিত অবস্থায় পরে থাকে । যেখানে প্রাকৃতিক ভাবে জন্মে রয়েছে বিভিন্ন ঘাস–লতা । এরকম উন্মুক্ত জায়গা টার্কি পালনের জন্য বেশী উপযোগী। অন্যদিকে আমদের রয়েছে এক বৃহত্তর বেকার জনগোষ্ঠী । তাই একদিকে অব্যবহৃত জমিকে ব্যবহার এবং বেকারদের জন্য কর্ম সংস্থান, এই দুই এর মাঝে সেতু বন্ধন হতে পারে ছোট একটি টার্কি খামার ।
★★কোথায় পাবেন টার্কি মুরগি ?★★
 টার্কি মুরগি পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

আরো পড়ুন>