Latest Products
Showing posts with label turkey meat in bangladesh. Show all posts
Showing posts with label turkey meat in bangladesh. Show all posts

টার্কির মাংসের গুনাবলী জেনে নিন | Know the turkey meat quality


টার্কির মাংসে অধিক পরিমাণ আয়রন, জিংক, পটাসিয়াম, ফসফরাস ও বি৬ থাকে। এ উপাদানগুলো মানব শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী এবং নিয়মিত এ মাংশ খেলে কোলেস্টেরল কমে যায়।
প্রোটিন যা মানবদেহের জন্য অতি প্রয়োজনীয়। টার্কির মাংসে প্রোটিনের পরিমাণ ২৪-২৫ ভাগ। অপরদিকে মুরগির মাংসে প্রোটিন মাত্র ২২ ভাগ ও গরুর মাংশে মাত্র ২০ ভাগ।
 টার্কির মাংসে এমাইনো এসিড ও ট্রিপটোফ্যান অধিক পরিমাণে থাকে বিধায় এর মাংস শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
কোলেষ্টরল মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। গরুর মাংসে কোলেষ্টরল রয়েছে ২৪ ভাগ, খাসির মাংশে ২৩ ভাগ ও মুরগির মাংশে ৫ ভাগ। অপরদিকে টার্কির মাংসে কোলেষ্টরলের মাত্রা প্রায় (০) শূণ্য ভাগ।
 টার্কির মাংসে ভিটামিন ই অধিক পরিমাণে থাকে যা এন্টিঅক্সিডেন্ট ও রোগ প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে।
 টার্কির মাংস অন্যান্য মাংশ থেকে কম চর্বিযুক্ত, তাই টার্কির মাংস সব বয়সী মানুষের ও রোগীদের জন্য উপাদেয়।
টার্কির মাংস বিশ্বজোড়া পরিচিত পাওয়ার অন্যতম সেরা কারন হচ্ছে এর অতুলনীয় স্বাদ। সত্যিকারের ভোজন রসিকরা একবার এর স্বাদ গ্রহণ করলে ফ্যান হতে বাধ্য।
যেকোন পার্টিতে বারবিকিউ,কাবাব,রোস্ট, গ্রীল কি না করা যায় টার্কি দিয়ে। করতে পারেন ঝাল ফ্রাই, রেজালা কিংবা আপনার পছন্দমত যেকোন রান্না। যদি সুস্থ থাকতে চান, তাহলে টার্কির মাংস খান।



টার্কির মাংসে অধিক পরিমাণ আয়রন, জিংক, পটাসিয়াম, ফসফরাস ও বি৬ থাকে। এ উপাদানগুলো মানব শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী এবং নিয়মিত এ মাংশ খেলে কোলেস্টেরল কমে যায়।
প্রোটিন যা মানবদেহের জন্য অতি প্রয়োজনীয়। টার্কির মাংসে প্রোটিনের পরিমাণ ২৪-২৫ ভাগ। অপরদিকে মুরগির মাংসে প্রোটিন মাত্র ২২ ভাগ ও গরুর মাংশে মাত্র ২০ ভাগ।
 টার্কির মাংসে এমাইনো এসিড ও ট্রিপটোফ্যান অধিক পরিমাণে থাকে বিধায় এর মাংস শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
কোলেষ্টরল মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। গরুর মাংসে কোলেষ্টরল রয়েছে ২৪ ভাগ, খাসির মাংশে ২৩ ভাগ ও মুরগির মাংশে ৫ ভাগ। অপরদিকে টার্কির মাংসে কোলেষ্টরলের মাত্রা প্রায় (০) শূণ্য ভাগ।
 টার্কির মাংসে ভিটামিন ই অধিক পরিমাণে থাকে যা এন্টিঅক্সিডেন্ট ও রোগ প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে।
 টার্কির মাংস অন্যান্য মাংশ থেকে কম চর্বিযুক্ত, তাই টার্কির মাংস সব বয়সী মানুষের ও রোগীদের জন্য উপাদেয়।
টার্কির মাংস বিশ্বজোড়া পরিচিত পাওয়ার অন্যতম সেরা কারন হচ্ছে এর অতুলনীয় স্বাদ। সত্যিকারের ভোজন রসিকরা একবার এর স্বাদ গ্রহণ করলে ফ্যান হতে বাধ্য।
যেকোন পার্টিতে বারবিকিউ,কাবাব,রোস্ট, গ্রীল কি না করা যায় টার্কি দিয়ে। করতে পারেন ঝাল ফ্রাই, রেজালা কিংবা আপনার পছন্দমত যেকোন রান্না। যদি সুস্থ থাকতে চান, তাহলে টার্কির মাংস খান।


আরো পড়ুন>

টার্কি পালণে ঘুচতে পারে বেকারত্ব | Unemployment can be overcome by pet turkey

টার্কি এক সময়ের বন্য পাখী হলেও এখন একটি গৃহ পালিত বড় আকারের টার্কি মুরগী। এটি গৃহে পালন শুরু হয় উত্তর আমেরিকায় । কিন্ত বর্তমানে ইউরোপসহ পৃথিবীর প্রায় সব দেশে টার্কি পাখী কম–বেশী পালন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টার্কির মাংস বেশ জনপ্রিয়।

টার্কি বর্তমানে মাংসের প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়ে অর্থনীতিতে অবদান রাখছে ।
টার্কির মাংসে প্রোটিন বেশী, চর্বি কম এবং আন্যান্য পাখীর মাংসের চেয়ে বেশী পুষ্টিকর । পশ্চিমা দেশ গুলতে টার্কি ভীষণ জনপ্রিয় । তাই সবচেয়ে বেশী টার্কি পালন হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি, ফ্রান্স,ইতালি,নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, পোল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশে । তবে বাংলাদেশেও এখন ব্যাক্তি উদ্যোগে টার্কি চাষ শুরু হয়েছে । যেটা আমাদের জন্য সুখবর এবং বেকার যুবকদের টার্কি পালনে আগ্রহ ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়ায় আশা করা যায়, আগামী কয়েক বছরে মধ্যেই এটা ব্যাপক ভাবে বিস্তার লাভ করবে।
টার্কি পালনের সুবিধাসমুহঃ-
 টার্কির মাংস উৎপাদন ক্ষমতা ব্যাপক। সাধারণত ০৭-১৪ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে, কিছু কিছু প্রজাতী আরো বেশী ওজন হতে পারে।
এটা ঝামেলাহীন ভাবে দেশী মুরগীর মত পালন করা যায়, পাশাপাশি আবদ্ধ অবস্থায়ও পালন করা যায় ।
টার্কি ব্রয়লার মুরগীর চেয়ে দ্রুত বাড়ে, ২০ সপ্তাহে গড় ওজন পুরুষ পাখী =৭–৮ কেজি ও স্ত্রী পাখী =৪–৫ কেজি ।
 টার্কি পালনে তুলনামূলক খরচ অনেক কম, কারন এরা দানাদার খাদ্যের পাশাপাশি ঘাস, লতাপাতা খেতে বেশী পছন্দ করে ।
টার্কি দ্রুত মাংস উৎপাদনশীল একটি পাখী । দেশী হাঁস–মুরগীর মত সাধারন নিয়মে পালন করলেও ২৮ -৩০ সপ্তাহে প্রতিটি গড়ে ৫-৬ কেজি ওজন হয়।
 টার্কি দেখতে সুন্দর, তাই বাড়ির শোভা বর্ধন করে ।
টার্কির মাংসে প্রোটিনের পরিমাণ বেশী, চর্বি কম । তাই গরু কিংবা খাসীর মাংসের বিকল্প হতে পারে ।
 টার্কির মাংসে অধিক পরিমাণ জিংক, লৌহ, পটাশিয়াম, বি৬ ও ফসফরাস থাকে । এ উপাদান গুলু মানব শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী এবং নিয়মিত এই মাংস খেলে কোলেস্টেরল কমে যায় ।
 টার্কির মাংসে ভিটামিন ই, এমাইনো এসিড ও ট্রিপটোফেন অধিক পরিমাণে থাকায় এর মাংস খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে ।
 সাধারণত ৩০ সপ্তাহ বয়স থেকে টার্কি ডিম দেয়া শুরু করে । প্রয়োজনীয় আলো বাতাস, পরিষ্কার পানি এবং খাবার সরবরাহ করা হলে বছরে ৮০ – ১০০ ডিম দিয়ে থাকে ।
 টার্কির খাবার সরবরাহের জন্য দুইটি পদ্ধতি ব্যাবহার করা যায় । যেমন ম্যাশ ফিডিং ও পিলেট ফিডিং ।
একটি আদর্শ খাদ্য তালিকা নিচে দেয়া হলো –ধান-২০%, গম- ২০%, ভুট্টা- ২৫%, সয়াবিন মিল- ১০%, ঘাসের বীজ- ৮%, সূর্যমুখী বীজ- ১০%, ঝিনুক গুড়া- ৭% মোট = ১০০%
 সব সময় মোট খাবারের সঙ্গে ৫০% সবুজ ঘাস খেতে দিলে ভালো । সে ক্ষেত্রে নরম জাতীয় যে কোন ঘাস হতে হবে । যেমন – কলমি, হেলেঞ্চা, কচুরী পানা ইত্যাদি । একটি পূর্ণ বয়স্ক টার্কির দিনে ১৪০–১৫০ গ্রাম খাবার দরকার হয় । যেখানে ৪৪০০ – ৪৫০০ ক্যালোরি নিশ্চিত করতে হবে ।
 টার্কি নিজেই ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটায় । তবে দেশী মুরগী অথবা ইনকিউবেটর দিয়ে বাচ্চা ফুটালে ফল ভালো পাওয়া যায় । তাছাড়া বাচ্চা উৎপাদনের জন্য সময় নষ্ট না হওয়ার কারণে টার্কিও ডিম উৎপাদন বেশী করে ।
 টার্কির মাংস পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হওয়ায় এটি খাদ্য তালিকার একটি আদর্শ মাংস হতে পারে । পাশাপাশি দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মাংসের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে ।
যাদের অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস খাওয়া নিষেধ অথবা যারা নিজেরাই এড়িয়ে চলেন, কিংবা যারা গরু / খাসীর মাংস খায়না , টার্কি তাদের জন্য হতে পারে প্রিয় একটি বিকল্প । তাছাড়া বিয়ে, বৌ –ভাত, জন্মদিন সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাসীর/গরুর মাংসের বিকল্প হিসেবে টার্কির মাংস হতে পারে অতি উৎকৃষ্ট একটি খাবার । এবং গরু / খাসীর তুলনায় খরচ ও হবে কম ।
যারা বেকার বসে আছেন * যারা নতুন কিছু শুরু করতে চান * পোল্ট্রি ব্যবসা করে যারা লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন এবং আপনার স্থাপনা এখন কোন কাজে আসছে না * যারা কম ঝামেলা পূর্ণ কাজ পছন্দ করেন এবং ভালো আয়ের উৎস খুজছেন * যারা অল্প পুঁজি এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা খুজছেন, টার্কির খামার তাদের জন্য আদর্শের । কারন হিসেবে আমার অভিমত:
১। একটি আদর্শ টার্কি খামার করতে খুব বেশী পুঁজির প্রয়োজন হয় না ।
২। অন্যান্য পাখীর তুলনায় এর রোগ বালাই কম এবং কিছু নিয়ম মেনে চললেগি এই খামারে ঝুঁকি অনেক কম।
৩। যেহেতু ৫০% পর্যন্ত ঘাস দেয়া যায়, তাই খবারে খরচ কম ।
৪। বাজার চাহিদা প্রচুর ও উচ্চ মুল্য থাকায় খরচের তুলনায় আয় অনেক বেশী ।
বাংলাদেশের গ্রাম গঞ্জে অনেক জায়গা অনাবাদী/ পতিত অবস্থায় পরে থাকে । যেখানে প্রাকৃতিক ভাবে জন্মে রয়েছে বিভিন্ন ঘাস–লতা । এরকম উন্মুক্ত জায়গা টার্কি পালনের জন্য বেশী উপযোগী। অন্যদিকে আমদের রয়েছে এক বৃহত্তর বেকার জনগোষ্ঠী । তাই একদিকে অব্যবহৃত জমিকে ব্যবহার এবং বেকারদের জন্য কর্ম সংস্থান, এই দুই এর মাঝে সেতু বন্ধন হতে পারে ছোট একটি টার্কি খামার ।
★★কোথায় পাবেন টার্কি মুরগি ?★★
 টার্কি মুরগি পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

টার্কি এক সময়ের বন্য পাখী হলেও এখন একটি গৃহ পালিত বড় আকারের টার্কি মুরগী। এটি গৃহে পালন শুরু হয় উত্তর আমেরিকায় । কিন্ত বর্তমানে ইউরোপসহ পৃথিবীর প্রায় সব দেশে টার্কি পাখী কম–বেশী পালন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টার্কির মাংস বেশ জনপ্রিয়।

টার্কি বর্তমানে মাংসের প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়ে অর্থনীতিতে অবদান রাখছে ।
টার্কির মাংসে প্রোটিন বেশী, চর্বি কম এবং আন্যান্য পাখীর মাংসের চেয়ে বেশী পুষ্টিকর । পশ্চিমা দেশ গুলতে টার্কি ভীষণ জনপ্রিয় । তাই সবচেয়ে বেশী টার্কি পালন হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি, ফ্রান্স,ইতালি,নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, পোল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশে । তবে বাংলাদেশেও এখন ব্যাক্তি উদ্যোগে টার্কি চাষ শুরু হয়েছে । যেটা আমাদের জন্য সুখবর এবং বেকার যুবকদের টার্কি পালনে আগ্রহ ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়ায় আশা করা যায়, আগামী কয়েক বছরে মধ্যেই এটা ব্যাপক ভাবে বিস্তার লাভ করবে।
টার্কি পালনের সুবিধাসমুহঃ-
 টার্কির মাংস উৎপাদন ক্ষমতা ব্যাপক। সাধারণত ০৭-১৪ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে, কিছু কিছু প্রজাতী আরো বেশী ওজন হতে পারে।
এটা ঝামেলাহীন ভাবে দেশী মুরগীর মত পালন করা যায়, পাশাপাশি আবদ্ধ অবস্থায়ও পালন করা যায় ।
টার্কি ব্রয়লার মুরগীর চেয়ে দ্রুত বাড়ে, ২০ সপ্তাহে গড় ওজন পুরুষ পাখী =৭–৮ কেজি ও স্ত্রী পাখী =৪–৫ কেজি ।
 টার্কি পালনে তুলনামূলক খরচ অনেক কম, কারন এরা দানাদার খাদ্যের পাশাপাশি ঘাস, লতাপাতা খেতে বেশী পছন্দ করে ।
টার্কি দ্রুত মাংস উৎপাদনশীল একটি পাখী । দেশী হাঁস–মুরগীর মত সাধারন নিয়মে পালন করলেও ২৮ -৩০ সপ্তাহে প্রতিটি গড়ে ৫-৬ কেজি ওজন হয়।
 টার্কি দেখতে সুন্দর, তাই বাড়ির শোভা বর্ধন করে ।
টার্কির মাংসে প্রোটিনের পরিমাণ বেশী, চর্বি কম । তাই গরু কিংবা খাসীর মাংসের বিকল্প হতে পারে ।
 টার্কির মাংসে অধিক পরিমাণ জিংক, লৌহ, পটাশিয়াম, বি৬ ও ফসফরাস থাকে । এ উপাদান গুলু মানব শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী এবং নিয়মিত এই মাংস খেলে কোলেস্টেরল কমে যায় ।
 টার্কির মাংসে ভিটামিন ই, এমাইনো এসিড ও ট্রিপটোফেন অধিক পরিমাণে থাকায় এর মাংস খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে ।
 সাধারণত ৩০ সপ্তাহ বয়স থেকে টার্কি ডিম দেয়া শুরু করে । প্রয়োজনীয় আলো বাতাস, পরিষ্কার পানি এবং খাবার সরবরাহ করা হলে বছরে ৮০ – ১০০ ডিম দিয়ে থাকে ।
 টার্কির খাবার সরবরাহের জন্য দুইটি পদ্ধতি ব্যাবহার করা যায় । যেমন ম্যাশ ফিডিং ও পিলেট ফিডিং ।
একটি আদর্শ খাদ্য তালিকা নিচে দেয়া হলো –ধান-২০%, গম- ২০%, ভুট্টা- ২৫%, সয়াবিন মিল- ১০%, ঘাসের বীজ- ৮%, সূর্যমুখী বীজ- ১০%, ঝিনুক গুড়া- ৭% মোট = ১০০%
 সব সময় মোট খাবারের সঙ্গে ৫০% সবুজ ঘাস খেতে দিলে ভালো । সে ক্ষেত্রে নরম জাতীয় যে কোন ঘাস হতে হবে । যেমন – কলমি, হেলেঞ্চা, কচুরী পানা ইত্যাদি । একটি পূর্ণ বয়স্ক টার্কির দিনে ১৪০–১৫০ গ্রাম খাবার দরকার হয় । যেখানে ৪৪০০ – ৪৫০০ ক্যালোরি নিশ্চিত করতে হবে ।
 টার্কি নিজেই ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটায় । তবে দেশী মুরগী অথবা ইনকিউবেটর দিয়ে বাচ্চা ফুটালে ফল ভালো পাওয়া যায় । তাছাড়া বাচ্চা উৎপাদনের জন্য সময় নষ্ট না হওয়ার কারণে টার্কিও ডিম উৎপাদন বেশী করে ।
 টার্কির মাংস পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হওয়ায় এটি খাদ্য তালিকার একটি আদর্শ মাংস হতে পারে । পাশাপাশি দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মাংসের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে ।
যাদের অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস খাওয়া নিষেধ অথবা যারা নিজেরাই এড়িয়ে চলেন, কিংবা যারা গরু / খাসীর মাংস খায়না , টার্কি তাদের জন্য হতে পারে প্রিয় একটি বিকল্প । তাছাড়া বিয়ে, বৌ –ভাত, জন্মদিন সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাসীর/গরুর মাংসের বিকল্প হিসেবে টার্কির মাংস হতে পারে অতি উৎকৃষ্ট একটি খাবার । এবং গরু / খাসীর তুলনায় খরচ ও হবে কম ।
যারা বেকার বসে আছেন * যারা নতুন কিছু শুরু করতে চান * পোল্ট্রি ব্যবসা করে যারা লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন এবং আপনার স্থাপনা এখন কোন কাজে আসছে না * যারা কম ঝামেলা পূর্ণ কাজ পছন্দ করেন এবং ভালো আয়ের উৎস খুজছেন * যারা অল্প পুঁজি এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা খুজছেন, টার্কির খামার তাদের জন্য আদর্শের । কারন হিসেবে আমার অভিমত:
১। একটি আদর্শ টার্কি খামার করতে খুব বেশী পুঁজির প্রয়োজন হয় না ।
২। অন্যান্য পাখীর তুলনায় এর রোগ বালাই কম এবং কিছু নিয়ম মেনে চললেগি এই খামারে ঝুঁকি অনেক কম।
৩। যেহেতু ৫০% পর্যন্ত ঘাস দেয়া যায়, তাই খবারে খরচ কম ।
৪। বাজার চাহিদা প্রচুর ও উচ্চ মুল্য থাকায় খরচের তুলনায় আয় অনেক বেশী ।
বাংলাদেশের গ্রাম গঞ্জে অনেক জায়গা অনাবাদী/ পতিত অবস্থায় পরে থাকে । যেখানে প্রাকৃতিক ভাবে জন্মে রয়েছে বিভিন্ন ঘাস–লতা । এরকম উন্মুক্ত জায়গা টার্কি পালনের জন্য বেশী উপযোগী। অন্যদিকে আমদের রয়েছে এক বৃহত্তর বেকার জনগোষ্ঠী । তাই একদিকে অব্যবহৃত জমিকে ব্যবহার এবং বেকারদের জন্য কর্ম সংস্থান, এই দুই এর মাঝে সেতু বন্ধন হতে পারে ছোট একটি টার্কি খামার ।
★★কোথায় পাবেন টার্কি মুরগি ?★★
 টার্কি মুরগি পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

আরো পড়ুন>