Latest Products
Showing posts with label টার্কি মুরগী. Show all posts
Showing posts with label টার্কি মুরগী. Show all posts

হাইব্রিড টার্কি মুরগীর দাম এতো বেশি কেন ? Why hybrid turkey chicken prices so much?

হাইব্রিড টার্কি মুরগি পর্ব
বলেছিলাম হাইব্রিড টার্কি মুরগি নিয়ে লিখবো!! (আমি হাইব্রিড মুরগী বিরোধি নয়)
কিন্তু তার আগে একটা গল্প না বললেই নয়ঃ

হাইব্রিড টার্কি মুরগি  


এলাকার বাঁজারে আমাদের দোকানের সামনে এক শ্যাকের ছেলে (আঞ্চলিক ভাষা) পাকা তাল বিক্রি করতেছে। এক সাধু তাল কিনতে চাইলেন কিন্তু সর্থ একটাই তাল মিষ্টি হবে কি না??
শ্যাকের ছেলের উত্তরটা এমনঃ তাল ভালো করে গোলাইয়া মিডা (গুড়) আর বেশি কইররা দুধ দিবেন হেইয়ার পর ঘন কইরা ২/৩ দিন জালাইবেন। হ্যার পর যদি খারাপ লাগে হেলে বোঝবেন আপনার গায়ে জর আছে।
হাইব্রিডের আবির্ভাব নিয়ে লেখা বাড়াতে চাচ্ছি না,
১. পৃথিবীতে হাইব্রিডের সৃষ্টিই ব্যাপক চাহিদা মিটানোর জন্য। মোদ্দা কথা হচ্ছে দ্রুত বর্ধনশিল, কম মজাদার এবং দামটা হবে হাতের নাগালে।
২. যদি সেটাই হয় তাহলে প্রশ্ন আসতেই পারে হাইব্রিড টার্কির দাম এতো বেশি ক্যান??
সুবিধা বাদিদের থেকে যে উত্তরটা আসবে সেটাও বলে দিচ্ছি, তারা বলবেন এখনো প্রডাকশন কম চাহিদা বেশি তাই দাম বেশি।
৩. মেনে নিলাম আপনার কথা, হাইব্রিডের নিয়ম হচ্ছে আমি বাচ্চা কিনে বড় করে মাংস আকারে বিক্রি করব।
আমি কারো থেকে ১০০ বাচ্চা কিনে বড় করে বিক্রি করে যদি মাংস আকারে বিক্রি করতে যাই তাহলে বর্তমান ক্রয় দর, খাবার ও ঔষধ মিলিয়ে আমার ব্যাবসা কোথায় দ্বারাবে?
৪. আমার ৩ নং প্রশ্নের উত্তরে উত্তর আসবে এখনো মাংস আকারে বিক্রি করে লস হবে আগে নিজে প্রোডাকশন করেন।
৫. আপনার কথা মেনে নিয়ে আমি প্রোডাকশন শুরু করে দিলাম, আমার প্রোডাকশন শুরু হতে সময় লাগবে ৭/৮ মাস সেই বাচ্চা মিট আকারে বাঁজারে পাঠাতে আমার সময় লাগবে আরো ৪/৫ মাস। এবার বলুন তখন (মোট ১ বছর পরে) আমার বয়লার টার্কির মাংসের দাম প্রতি কেজি কত এসে দ্বারাবে??
৬. আপনারা ৫নং এর উত্তরে বলবেনঃ ৩০০ করে হলেও আপনার ২০ কেজির একটা টার্কির দাম আসবে ৬০০০ টাকা। কিন্তু ভাই এখনই অনেক যায়গা থেকে আমরা লোকাল টার্কি ২৫০-৩০০ মধ্যে কিনতেছি। তাহলে আমার বয়লার কে কিনবে ৩০০ করে?
আর যদি ৩০০ টাকাই দাম হিসাব করে থাকেন তাহলে এক পেয়ার রানিং হাইব্রিডের দাম কিভাবে ২৫০০০ টাকা চাচ্ছেন?
৭. উত্তর আসবে ততোদিনে চাহিদা বাড়বে তাই দাম কমবে না, কিন্তু একটা ২০ কেজির টার্কির ক্রেতা এই দেশে কতজন আছে?
৮. আপনি হয়তো ৮ নং প্রশ্নের উত্তর দিবেন মানুষ টার্কির মজা পেয়ে গেলে ক্রেতা বেড়ে যানে। কিন্তু আপনি কি হাইব্রিড টার্কির স্বাধ কখনো চেখে দেখেছেন? ৯৯% হাইব্রিড খামারিই বলবেন এখনো আমি হাইব্রিড খাইনি (আমি খেয়ে বলছি এর চাইতে পাঠার মাংস উত্তম)।
৯. আপনারা ১/২ মাসের ১ জোড়া হাইব্রিড টার্কির বাচ্চার যে দাম চাচ্ছেন তাতে আমি হিসাব করে দেখেছি ২টা ছাগলের বাচ্চা কিনা যায়। এবং ২/৪ টা ছাগল পালতে তেমন কোন নগদ অর্থের দরকার হয় না, কারোন কথায় বলে ছাগলে না খায় কি।
১০. আপনারা ৯ নং এর উত্তরে বলবেন তাহলে ছাগল কিনেন, টার্কি পালার দরকার নাই।
ভাই এটা তো কোন ফেন্সি আইটেম না! ছাগল তো কেউ দুধ খাওয়ার জন্য পালে না। ছগল যেমন মাংসের আইটেম টার্কিও তেমন মাংসের আইটেম তাহলে দাম এতো বেশি হবে ক্যান?
তাহলে কি বলতে পারি আপনারা এক মাসের প্রডাকশন দিয়ে আপনার পুরা ইনভাইস্ট তুলে নিতে চাচ্ছেন??
হাইব্রিড টার্কি মুরগি পর্ব
বলেছিলাম হাইব্রিড টার্কি মুরগি নিয়ে লিখবো!! (আমি হাইব্রিড মুরগী বিরোধি নয়)
কিন্তু তার আগে একটা গল্প না বললেই নয়ঃ

হাইব্রিড টার্কি মুরগি  


এলাকার বাঁজারে আমাদের দোকানের সামনে এক শ্যাকের ছেলে (আঞ্চলিক ভাষা) পাকা তাল বিক্রি করতেছে। এক সাধু তাল কিনতে চাইলেন কিন্তু সর্থ একটাই তাল মিষ্টি হবে কি না??
শ্যাকের ছেলের উত্তরটা এমনঃ তাল ভালো করে গোলাইয়া মিডা (গুড়) আর বেশি কইররা দুধ দিবেন হেইয়ার পর ঘন কইরা ২/৩ দিন জালাইবেন। হ্যার পর যদি খারাপ লাগে হেলে বোঝবেন আপনার গায়ে জর আছে।
হাইব্রিডের আবির্ভাব নিয়ে লেখা বাড়াতে চাচ্ছি না,
১. পৃথিবীতে হাইব্রিডের সৃষ্টিই ব্যাপক চাহিদা মিটানোর জন্য। মোদ্দা কথা হচ্ছে দ্রুত বর্ধনশিল, কম মজাদার এবং দামটা হবে হাতের নাগালে।
২. যদি সেটাই হয় তাহলে প্রশ্ন আসতেই পারে হাইব্রিড টার্কির দাম এতো বেশি ক্যান??
সুবিধা বাদিদের থেকে যে উত্তরটা আসবে সেটাও বলে দিচ্ছি, তারা বলবেন এখনো প্রডাকশন কম চাহিদা বেশি তাই দাম বেশি।
৩. মেনে নিলাম আপনার কথা, হাইব্রিডের নিয়ম হচ্ছে আমি বাচ্চা কিনে বড় করে মাংস আকারে বিক্রি করব।
আমি কারো থেকে ১০০ বাচ্চা কিনে বড় করে বিক্রি করে যদি মাংস আকারে বিক্রি করতে যাই তাহলে বর্তমান ক্রয় দর, খাবার ও ঔষধ মিলিয়ে আমার ব্যাবসা কোথায় দ্বারাবে?
৪. আমার ৩ নং প্রশ্নের উত্তরে উত্তর আসবে এখনো মাংস আকারে বিক্রি করে লস হবে আগে নিজে প্রোডাকশন করেন।
৫. আপনার কথা মেনে নিয়ে আমি প্রোডাকশন শুরু করে দিলাম, আমার প্রোডাকশন শুরু হতে সময় লাগবে ৭/৮ মাস সেই বাচ্চা মিট আকারে বাঁজারে পাঠাতে আমার সময় লাগবে আরো ৪/৫ মাস। এবার বলুন তখন (মোট ১ বছর পরে) আমার বয়লার টার্কির মাংসের দাম প্রতি কেজি কত এসে দ্বারাবে??
৬. আপনারা ৫নং এর উত্তরে বলবেনঃ ৩০০ করে হলেও আপনার ২০ কেজির একটা টার্কির দাম আসবে ৬০০০ টাকা। কিন্তু ভাই এখনই অনেক যায়গা থেকে আমরা লোকাল টার্কি ২৫০-৩০০ মধ্যে কিনতেছি। তাহলে আমার বয়লার কে কিনবে ৩০০ করে?
আর যদি ৩০০ টাকাই দাম হিসাব করে থাকেন তাহলে এক পেয়ার রানিং হাইব্রিডের দাম কিভাবে ২৫০০০ টাকা চাচ্ছেন?
৭. উত্তর আসবে ততোদিনে চাহিদা বাড়বে তাই দাম কমবে না, কিন্তু একটা ২০ কেজির টার্কির ক্রেতা এই দেশে কতজন আছে?
৮. আপনি হয়তো ৮ নং প্রশ্নের উত্তর দিবেন মানুষ টার্কির মজা পেয়ে গেলে ক্রেতা বেড়ে যানে। কিন্তু আপনি কি হাইব্রিড টার্কির স্বাধ কখনো চেখে দেখেছেন? ৯৯% হাইব্রিড খামারিই বলবেন এখনো আমি হাইব্রিড খাইনি (আমি খেয়ে বলছি এর চাইতে পাঠার মাংস উত্তম)।
৯. আপনারা ১/২ মাসের ১ জোড়া হাইব্রিড টার্কির বাচ্চার যে দাম চাচ্ছেন তাতে আমি হিসাব করে দেখেছি ২টা ছাগলের বাচ্চা কিনা যায়। এবং ২/৪ টা ছাগল পালতে তেমন কোন নগদ অর্থের দরকার হয় না, কারোন কথায় বলে ছাগলে না খায় কি।
১০. আপনারা ৯ নং এর উত্তরে বলবেন তাহলে ছাগল কিনেন, টার্কি পালার দরকার নাই।
ভাই এটা তো কোন ফেন্সি আইটেম না! ছাগল তো কেউ দুধ খাওয়ার জন্য পালে না। ছগল যেমন মাংসের আইটেম টার্কিও তেমন মাংসের আইটেম তাহলে দাম এতো বেশি হবে ক্যান?
তাহলে কি বলতে পারি আপনারা এক মাসের প্রডাকশন দিয়ে আপনার পুরা ইনভাইস্ট তুলে নিতে চাচ্ছেন??
আরো পড়ুন>

টার্কি নিয়ে সিরিয়াস কিছু কথা | Serious talk about Turkey Bird


বাঙ্গালী তার কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে একেবারেই ইউনিক( আমি নিজেও কিন্তু বাঙ্গালী আগেই বলে রাখলাম )।তার মধ্যে একটা হল বিদেশ প্রীতি।দেশী মুরগী আর দেশী ডিম ছাড়া বাঙ্গালী দেশীর খুব একটা ধার ধারে না।দেশের সীমান্তের বাইরে উৎপন্ন বা দেশের বাইরে হতে আগত সবকিছুর প্রতি একটা চিকন দুর্বলতা কাজ করে।সেটা বিয়ের হাট বাজার পেরিয়ে শালিকে গিফট দেওয়া প্রবাসী দুলাভাইয়ের ক্রিমে এসে শেষ হয়।বিদেশ থেকে পাঠানো বড় ভাইয়ের দেওয়া মোবাইল হাতে কত শত কিশোরকে যে আনন্দিত হতে দেখেছি তার কোন শেষ নেই।
আরেকটা বিশেষ বৈশিষ্ট্যে হল খাবারের ক্ষেত্রে নিজেদের পরিচিত গণ্ডির বাইরে খুব একটা না যাওয়া।অবশ্য ফুড লাভারদের ক্ষেত্রে অন্য কথা।ছোটবেলায় বাবা মা মুরগী খাইয়ে বড় করেছেন তাই খাবারের মেন্যুতে মুরগী ছাড়া অন্য সবকিছুই
অচেনা লাগে আর সূক্ষ্ম অস্বস্তিবোধ হয়।তবে কোনভাবে একবার শুরু করলে সেটার প্রতি অবসেসিভ হয়ে যায় , যেটা আমরা দেখেছি ব্রয়লারের ক্ষেত্রে।
উপরের আলোচিত দুইটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে প্রথমটি গ্রহণমূলক আর পরেরটি বর্জনমূলক।একটা পজিটিভ আরেকটা নেগেটিভ।তাই তাদের মধ্যে বিকর্ষণ (বৈজ্ঞানিক নীতিতে আকর্ষণ করার কথা) হওয়াটাই স্বাভাবিক।আর এই বিকর্ষণের
ভেন্যু বাঙ্গালীর মন।আর উছিলা হল টার্কি যা আমেরিকান বা বিদেশী আবার একই সাথে খাবারের মেন্যুতে নতুন আইটেম।
একদিন ব্রয়লারের মত টার্কিতেও বাঙ্গালী অবসেসিভ হয়ে যাবে।আর যে অবসেশন শুরু হয় ধীরে ধীরে সেটার মেয়াদও থাকে দীর্ঘদিন।
Happy turkey farming!!

বাঙ্গালী তার কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে একেবারেই ইউনিক( আমি নিজেও কিন্তু বাঙ্গালী আগেই বলে রাখলাম )।তার মধ্যে একটা হল বিদেশ প্রীতি।দেশী মুরগী আর দেশী ডিম ছাড়া বাঙ্গালী দেশীর খুব একটা ধার ধারে না।দেশের সীমান্তের বাইরে উৎপন্ন বা দেশের বাইরে হতে আগত সবকিছুর প্রতি একটা চিকন দুর্বলতা কাজ করে।সেটা বিয়ের হাট বাজার পেরিয়ে শালিকে গিফট দেওয়া প্রবাসী দুলাভাইয়ের ক্রিমে এসে শেষ হয়।বিদেশ থেকে পাঠানো বড় ভাইয়ের দেওয়া মোবাইল হাতে কত শত কিশোরকে যে আনন্দিত হতে দেখেছি তার কোন শেষ নেই।
আরেকটা বিশেষ বৈশিষ্ট্যে হল খাবারের ক্ষেত্রে নিজেদের পরিচিত গণ্ডির বাইরে খুব একটা না যাওয়া।অবশ্য ফুড লাভারদের ক্ষেত্রে অন্য কথা।ছোটবেলায় বাবা মা মুরগী খাইয়ে বড় করেছেন তাই খাবারের মেন্যুতে মুরগী ছাড়া অন্য সবকিছুই
অচেনা লাগে আর সূক্ষ্ম অস্বস্তিবোধ হয়।তবে কোনভাবে একবার শুরু করলে সেটার প্রতি অবসেসিভ হয়ে যায় , যেটা আমরা দেখেছি ব্রয়লারের ক্ষেত্রে।
উপরের আলোচিত দুইটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে প্রথমটি গ্রহণমূলক আর পরেরটি বর্জনমূলক।একটা পজিটিভ আরেকটা নেগেটিভ।তাই তাদের মধ্যে বিকর্ষণ (বৈজ্ঞানিক নীতিতে আকর্ষণ করার কথা) হওয়াটাই স্বাভাবিক।আর এই বিকর্ষণের
ভেন্যু বাঙ্গালীর মন।আর উছিলা হল টার্কি যা আমেরিকান বা বিদেশী আবার একই সাথে খাবারের মেন্যুতে নতুন আইটেম।
একদিন ব্রয়লারের মত টার্কিতেও বাঙ্গালী অবসেসিভ হয়ে যাবে।আর যে অবসেশন শুরু হয় ধীরে ধীরে সেটার মেয়াদও থাকে দীর্ঘদিন।
Happy turkey farming!!
আরো পড়ুন>

বেকারত্ব বনাম টার্কি মুরগী খামার | Unemployment vs Turkey Hen farm



যারা বেকার বসে আছেন আপনাদেরকেই বলছি প্রতিদিন কোনোনা কোনো ভাবে আপনি সমাজের কাছে লাঞ্চিত হচ্ছেন..
এই দেশের সমাজ ব্যাবস্থা এমন যে কাওকে ভালো পরামর্শ তো দুরের কথা ভালো কাজে উতসাহ দিতেও পারেনা.।
এই ধরুন আপনি একটা টার্কি খামার করতে চান তখন আপনার আসে পাসের লোকজন আপনাকে বিভিন্ন ভাবে নিরুতসাহিত করবে।
লান্সনার সিকাড় হতেও হবে আপনাকে আবার বেকার বসে আছেন তখনো আপনাকে অবজ্ঞা করবেই।
বাংগালীরা আর কিছু না পারলেও আপনি জত্তদিন বেকার থাকবেন ততদিন আপনার সমাজে দাম কানাকড়ি ও দিবেনা, আবার সোনার হরীণ হাতে পেয়ে গেলে আপনাকে মাথায় তুলে নাচবে এটাই স্বভাব। পিছু লোকে কিছু বলে।
"টার্কি খামার এবং মানুষের তাচ্ছিল্যতা"
টার্কি খামার যখন থেকে শুরু করব ভাবলাম, তখন থেকেই মনে প্রানে একটাই, চাওয়া টার্কি খামার করব।
শুরু হল টার্কি খামারীদের বাড়িতে বাড়িতে রাত বিরাত ছুটাছুটি, তবে হা বুকে হাত রেখে বলছি টার্কি পেলে কখনো কোটিপতি বা লাখ পতি হবার স্বপ্নে বিভোর ছিলাম না।
তবে বুঝতে পারতাম যে এটার বাজার সম্ভবনা।
স্বপ্নের খামার গড়ার জন্য বিদেশ যাওয়ার জন্য জমাকরা টাকা থেকেই বানালাম সেড কিনলাম ১মাসের ১০০পিস বাচ্চা।
মনে হয়েছিলো বিদেশে গিয়ে কি হবে কি কাজ করবো আমি? তাহলে কি দেশের প্রতি কোনদিন কোন দায় নিতে পারব না??
বহু কাঠ খড় পেরিয়ে তৈরী করে ফেললাম স্বপ্নের টার্কি খামর।
( তবে হুজুগে নয়,, সব ব্যাপারে নিজের সাধ্যমত জেনে, নিজের আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তা নিয়ে ) কিন্তু পতিজ্ঞা বদ্ধ ছিলাম সব কিছুর সাথে মানিয়ে নিব, এবং ভালোবেসে টার্কির খামার করে নিজেকে খামারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করব।সব ত্যাগ করে নিজেকে খামারী হিসেবে স্টাবলিশ করব মনস্থির করলাম।
খামার প্রতিস্থাপন করার পর,
গ্রামের পাড়ায়, পাড়ায় আনাচে কানাচে, চায়ের দোকানে কানাঘুচা চলতে থাকল
অমুকের ছেলে দেখি, লেখা পড়া করল
এখন চাকুরী না নিয়া, গ্রামে মুরগী পালে? তাও জংলী মুরগী।
মহিলারা বলতে শুরু করল, এই মুরগী না আইনা ফারমের মুরগী (ব্রয়লার) পাললে ও আমরা নিয়া দু একটা কিনে খাইতাম।
এত্ত ট্যাকা দিয়া কি মানুষ এমুন জংলী মুরগী খাইবো??? গ্রামের অধিকাংশ মুরুব্বিদের মুখে জখন শুনতাম এগুলো শকুন/শকুনের সাথে ক্রস করা তখনো একেকবার বুকটা হু হু করে কেঁদেছে বহুবার..
এভাবে নানা ভাবে নানা জনের তাচ্ছিল্য সহ্য করতাম।
এক সময় শুরু হল নিজের ভালবাসার টার্কি গুলার পোডাক্শান।
যখন বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাচ্চা, টার্কির মাংশের জন্য মোরগ নিতে ঝাকে ঝাকে মানুষ এসে আমাকে ভালোবাসা দিতে শুরু করল
তখন সেদিনের সেই তাচ্ছিল্য করা মানুষ গুলাই এখন প্রতিনিয়ত জানতে চায়
কবে তার ছেলে, জামাই, এবং তাদের বাড়িতে একটা টার্কি ফার্ম গড়ে তুলতে কবে সাহায্য করব?
এভাবেই শত ব্যস্ততার মধ্যেই খামরীদের ভালোবাসা নিয়ে যতটুকু পারি গড়িয়ে দিচ্ছি তাদের স্বপ্নের টার্কি ফার্ম।
গড়িয়ে উঠছে অসংখ্য টার্কি খামার।
>>টার্কি শুধু একটা পাখি ই না
>> টার্কি খামার বাংলাদের মানুষের স্বপ্ন এবং ভালোবাসার জায়গা।
বিঃদ্রঃ ( টার্কি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়
দেখি এখনও প্রায় তাচ্ছিল্য করে
বেড়ায় কিছু অতি নগন্য আর কিছু
নিচুশ্রেনীর মানুষ।
ব্যাপার না সব ভালোবাসার বিপরীতে
কিছু ভিলেন থাকে, তবে জয় হয়
শেষ পর্যন্ত ভালোবাসারই।
"আমরা শুরু করেছি আপনিও এগিয়ে আসুন। যারা বেকার বসে আছেন, যারা নতুন কিছু শুরু করতে চান, পোল্ট্রি ব্যবসা করে যারা লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন এবং আপনার স্থাপনা এখন কোন কাজে আসছে না?
প্রবাসী ভাইয়েরা দেশে ফিরে লাভজনক কিছু একটা করবেন ভাবছেন?
যারা কম ঝামেলা পূর্ণ কাজ পছন্দ করেন এবং ভালো আয়ের উৎস খুজছেন। যারা অল্প পুঁজি এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা খুজছেন, টার্কির খামার তাদের জন্য আদর্শের।"
বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভাবে টার্কি পালন / ব্যবসা থেকে ভালো মুনাফা অর্জনের উজ্জল সম্ভবনা রয়েছে।
একটুখানি সচেতনতা, সরকারী সদিচ্ছা এবং ক্রেতা-বিক্রেতার পারস্পরিক অংশ গ্রহনে এই টার্কিই হয়ে উঠতে পারে আত্নকর্মসংস্থানের মাধ্যম, নিরাপদ ও সহজলভ্য মাংসের যোগান, সর্বোপরি ব্যপক উৎপাদনের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উপযোগী সব বয়সী বাচ্চা ও এডাল টার্কি বিক্রয় চলছে।


যারা বেকার বসে আছেন আপনাদেরকেই বলছি প্রতিদিন কোনোনা কোনো ভাবে আপনি সমাজের কাছে লাঞ্চিত হচ্ছেন..
এই দেশের সমাজ ব্যাবস্থা এমন যে কাওকে ভালো পরামর্শ তো দুরের কথা ভালো কাজে উতসাহ দিতেও পারেনা.।
এই ধরুন আপনি একটা টার্কি খামার করতে চান তখন আপনার আসে পাসের লোকজন আপনাকে বিভিন্ন ভাবে নিরুতসাহিত করবে।
লান্সনার সিকাড় হতেও হবে আপনাকে আবার বেকার বসে আছেন তখনো আপনাকে অবজ্ঞা করবেই।
বাংগালীরা আর কিছু না পারলেও আপনি জত্তদিন বেকার থাকবেন ততদিন আপনার সমাজে দাম কানাকড়ি ও দিবেনা, আবার সোনার হরীণ হাতে পেয়ে গেলে আপনাকে মাথায় তুলে নাচবে এটাই স্বভাব। পিছু লোকে কিছু বলে।
"টার্কি খামার এবং মানুষের তাচ্ছিল্যতা"
টার্কি খামার যখন থেকে শুরু করব ভাবলাম, তখন থেকেই মনে প্রানে একটাই, চাওয়া টার্কি খামার করব।
শুরু হল টার্কি খামারীদের বাড়িতে বাড়িতে রাত বিরাত ছুটাছুটি, তবে হা বুকে হাত রেখে বলছি টার্কি পেলে কখনো কোটিপতি বা লাখ পতি হবার স্বপ্নে বিভোর ছিলাম না।
তবে বুঝতে পারতাম যে এটার বাজার সম্ভবনা।
স্বপ্নের খামার গড়ার জন্য বিদেশ যাওয়ার জন্য জমাকরা টাকা থেকেই বানালাম সেড কিনলাম ১মাসের ১০০পিস বাচ্চা।
মনে হয়েছিলো বিদেশে গিয়ে কি হবে কি কাজ করবো আমি? তাহলে কি দেশের প্রতি কোনদিন কোন দায় নিতে পারব না??
বহু কাঠ খড় পেরিয়ে তৈরী করে ফেললাম স্বপ্নের টার্কি খামর।
( তবে হুজুগে নয়,, সব ব্যাপারে নিজের সাধ্যমত জেনে, নিজের আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তা নিয়ে ) কিন্তু পতিজ্ঞা বদ্ধ ছিলাম সব কিছুর সাথে মানিয়ে নিব, এবং ভালোবেসে টার্কির খামার করে নিজেকে খামারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করব।সব ত্যাগ করে নিজেকে খামারী হিসেবে স্টাবলিশ করব মনস্থির করলাম।
খামার প্রতিস্থাপন করার পর,
গ্রামের পাড়ায়, পাড়ায় আনাচে কানাচে, চায়ের দোকানে কানাঘুচা চলতে থাকল
অমুকের ছেলে দেখি, লেখা পড়া করল
এখন চাকুরী না নিয়া, গ্রামে মুরগী পালে? তাও জংলী মুরগী।
মহিলারা বলতে শুরু করল, এই মুরগী না আইনা ফারমের মুরগী (ব্রয়লার) পাললে ও আমরা নিয়া দু একটা কিনে খাইতাম।
এত্ত ট্যাকা দিয়া কি মানুষ এমুন জংলী মুরগী খাইবো??? গ্রামের অধিকাংশ মুরুব্বিদের মুখে জখন শুনতাম এগুলো শকুন/শকুনের সাথে ক্রস করা তখনো একেকবার বুকটা হু হু করে কেঁদেছে বহুবার..
এভাবে নানা ভাবে নানা জনের তাচ্ছিল্য সহ্য করতাম।
এক সময় শুরু হল নিজের ভালবাসার টার্কি গুলার পোডাক্শান।
যখন বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাচ্চা, টার্কির মাংশের জন্য মোরগ নিতে ঝাকে ঝাকে মানুষ এসে আমাকে ভালোবাসা দিতে শুরু করল
তখন সেদিনের সেই তাচ্ছিল্য করা মানুষ গুলাই এখন প্রতিনিয়ত জানতে চায়
কবে তার ছেলে, জামাই, এবং তাদের বাড়িতে একটা টার্কি ফার্ম গড়ে তুলতে কবে সাহায্য করব?
এভাবেই শত ব্যস্ততার মধ্যেই খামরীদের ভালোবাসা নিয়ে যতটুকু পারি গড়িয়ে দিচ্ছি তাদের স্বপ্নের টার্কি ফার্ম।
গড়িয়ে উঠছে অসংখ্য টার্কি খামার।
>>টার্কি শুধু একটা পাখি ই না
>> টার্কি খামার বাংলাদের মানুষের স্বপ্ন এবং ভালোবাসার জায়গা।
বিঃদ্রঃ ( টার্কি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়
দেখি এখনও প্রায় তাচ্ছিল্য করে
বেড়ায় কিছু অতি নগন্য আর কিছু
নিচুশ্রেনীর মানুষ।
ব্যাপার না সব ভালোবাসার বিপরীতে
কিছু ভিলেন থাকে, তবে জয় হয়
শেষ পর্যন্ত ভালোবাসারই।
"আমরা শুরু করেছি আপনিও এগিয়ে আসুন। যারা বেকার বসে আছেন, যারা নতুন কিছু শুরু করতে চান, পোল্ট্রি ব্যবসা করে যারা লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন এবং আপনার স্থাপনা এখন কোন কাজে আসছে না?
প্রবাসী ভাইয়েরা দেশে ফিরে লাভজনক কিছু একটা করবেন ভাবছেন?
যারা কম ঝামেলা পূর্ণ কাজ পছন্দ করেন এবং ভালো আয়ের উৎস খুজছেন। যারা অল্প পুঁজি এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা খুজছেন, টার্কির খামার তাদের জন্য আদর্শের।"
বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভাবে টার্কি পালন / ব্যবসা থেকে ভালো মুনাফা অর্জনের উজ্জল সম্ভবনা রয়েছে।
একটুখানি সচেতনতা, সরকারী সদিচ্ছা এবং ক্রেতা-বিক্রেতার পারস্পরিক অংশ গ্রহনে এই টার্কিই হয়ে উঠতে পারে আত্নকর্মসংস্থানের মাধ্যম, নিরাপদ ও সহজলভ্য মাংসের যোগান, সর্বোপরি ব্যপক উৎপাদনের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উপযোগী সব বয়সী বাচ্চা ও এডাল টার্কি বিক্রয় চলছে।
আরো পড়ুন>