Latest Products
Showing posts with label Turkey chicken farm. Show all posts
Showing posts with label Turkey chicken farm. Show all posts

হাইব্রিড টার্কি মুরগীর দাম এতো বেশি কেন ? Why hybrid turkey chicken prices so much?

হাইব্রিড টার্কি মুরগি পর্ব
বলেছিলাম হাইব্রিড টার্কি মুরগি নিয়ে লিখবো!! (আমি হাইব্রিড মুরগী বিরোধি নয়)
কিন্তু তার আগে একটা গল্প না বললেই নয়ঃ

হাইব্রিড টার্কি মুরগি  


এলাকার বাঁজারে আমাদের দোকানের সামনে এক শ্যাকের ছেলে (আঞ্চলিক ভাষা) পাকা তাল বিক্রি করতেছে। এক সাধু তাল কিনতে চাইলেন কিন্তু সর্থ একটাই তাল মিষ্টি হবে কি না??
শ্যাকের ছেলের উত্তরটা এমনঃ তাল ভালো করে গোলাইয়া মিডা (গুড়) আর বেশি কইররা দুধ দিবেন হেইয়ার পর ঘন কইরা ২/৩ দিন জালাইবেন। হ্যার পর যদি খারাপ লাগে হেলে বোঝবেন আপনার গায়ে জর আছে।
হাইব্রিডের আবির্ভাব নিয়ে লেখা বাড়াতে চাচ্ছি না,
১. পৃথিবীতে হাইব্রিডের সৃষ্টিই ব্যাপক চাহিদা মিটানোর জন্য। মোদ্দা কথা হচ্ছে দ্রুত বর্ধনশিল, কম মজাদার এবং দামটা হবে হাতের নাগালে।
২. যদি সেটাই হয় তাহলে প্রশ্ন আসতেই পারে হাইব্রিড টার্কির দাম এতো বেশি ক্যান??
সুবিধা বাদিদের থেকে যে উত্তরটা আসবে সেটাও বলে দিচ্ছি, তারা বলবেন এখনো প্রডাকশন কম চাহিদা বেশি তাই দাম বেশি।
৩. মেনে নিলাম আপনার কথা, হাইব্রিডের নিয়ম হচ্ছে আমি বাচ্চা কিনে বড় করে মাংস আকারে বিক্রি করব।
আমি কারো থেকে ১০০ বাচ্চা কিনে বড় করে বিক্রি করে যদি মাংস আকারে বিক্রি করতে যাই তাহলে বর্তমান ক্রয় দর, খাবার ও ঔষধ মিলিয়ে আমার ব্যাবসা কোথায় দ্বারাবে?
৪. আমার ৩ নং প্রশ্নের উত্তরে উত্তর আসবে এখনো মাংস আকারে বিক্রি করে লস হবে আগে নিজে প্রোডাকশন করেন।
৫. আপনার কথা মেনে নিয়ে আমি প্রোডাকশন শুরু করে দিলাম, আমার প্রোডাকশন শুরু হতে সময় লাগবে ৭/৮ মাস সেই বাচ্চা মিট আকারে বাঁজারে পাঠাতে আমার সময় লাগবে আরো ৪/৫ মাস। এবার বলুন তখন (মোট ১ বছর পরে) আমার বয়লার টার্কির মাংসের দাম প্রতি কেজি কত এসে দ্বারাবে??
৬. আপনারা ৫নং এর উত্তরে বলবেনঃ ৩০০ করে হলেও আপনার ২০ কেজির একটা টার্কির দাম আসবে ৬০০০ টাকা। কিন্তু ভাই এখনই অনেক যায়গা থেকে আমরা লোকাল টার্কি ২৫০-৩০০ মধ্যে কিনতেছি। তাহলে আমার বয়লার কে কিনবে ৩০০ করে?
আর যদি ৩০০ টাকাই দাম হিসাব করে থাকেন তাহলে এক পেয়ার রানিং হাইব্রিডের দাম কিভাবে ২৫০০০ টাকা চাচ্ছেন?
৭. উত্তর আসবে ততোদিনে চাহিদা বাড়বে তাই দাম কমবে না, কিন্তু একটা ২০ কেজির টার্কির ক্রেতা এই দেশে কতজন আছে?
৮. আপনি হয়তো ৮ নং প্রশ্নের উত্তর দিবেন মানুষ টার্কির মজা পেয়ে গেলে ক্রেতা বেড়ে যানে। কিন্তু আপনি কি হাইব্রিড টার্কির স্বাধ কখনো চেখে দেখেছেন? ৯৯% হাইব্রিড খামারিই বলবেন এখনো আমি হাইব্রিড খাইনি (আমি খেয়ে বলছি এর চাইতে পাঠার মাংস উত্তম)।
৯. আপনারা ১/২ মাসের ১ জোড়া হাইব্রিড টার্কির বাচ্চার যে দাম চাচ্ছেন তাতে আমি হিসাব করে দেখেছি ২টা ছাগলের বাচ্চা কিনা যায়। এবং ২/৪ টা ছাগল পালতে তেমন কোন নগদ অর্থের দরকার হয় না, কারোন কথায় বলে ছাগলে না খায় কি।
১০. আপনারা ৯ নং এর উত্তরে বলবেন তাহলে ছাগল কিনেন, টার্কি পালার দরকার নাই।
ভাই এটা তো কোন ফেন্সি আইটেম না! ছাগল তো কেউ দুধ খাওয়ার জন্য পালে না। ছগল যেমন মাংসের আইটেম টার্কিও তেমন মাংসের আইটেম তাহলে দাম এতো বেশি হবে ক্যান?
তাহলে কি বলতে পারি আপনারা এক মাসের প্রডাকশন দিয়ে আপনার পুরা ইনভাইস্ট তুলে নিতে চাচ্ছেন??
হাইব্রিড টার্কি মুরগি পর্ব
বলেছিলাম হাইব্রিড টার্কি মুরগি নিয়ে লিখবো!! (আমি হাইব্রিড মুরগী বিরোধি নয়)
কিন্তু তার আগে একটা গল্প না বললেই নয়ঃ

হাইব্রিড টার্কি মুরগি  


এলাকার বাঁজারে আমাদের দোকানের সামনে এক শ্যাকের ছেলে (আঞ্চলিক ভাষা) পাকা তাল বিক্রি করতেছে। এক সাধু তাল কিনতে চাইলেন কিন্তু সর্থ একটাই তাল মিষ্টি হবে কি না??
শ্যাকের ছেলের উত্তরটা এমনঃ তাল ভালো করে গোলাইয়া মিডা (গুড়) আর বেশি কইররা দুধ দিবেন হেইয়ার পর ঘন কইরা ২/৩ দিন জালাইবেন। হ্যার পর যদি খারাপ লাগে হেলে বোঝবেন আপনার গায়ে জর আছে।
হাইব্রিডের আবির্ভাব নিয়ে লেখা বাড়াতে চাচ্ছি না,
১. পৃথিবীতে হাইব্রিডের সৃষ্টিই ব্যাপক চাহিদা মিটানোর জন্য। মোদ্দা কথা হচ্ছে দ্রুত বর্ধনশিল, কম মজাদার এবং দামটা হবে হাতের নাগালে।
২. যদি সেটাই হয় তাহলে প্রশ্ন আসতেই পারে হাইব্রিড টার্কির দাম এতো বেশি ক্যান??
সুবিধা বাদিদের থেকে যে উত্তরটা আসবে সেটাও বলে দিচ্ছি, তারা বলবেন এখনো প্রডাকশন কম চাহিদা বেশি তাই দাম বেশি।
৩. মেনে নিলাম আপনার কথা, হাইব্রিডের নিয়ম হচ্ছে আমি বাচ্চা কিনে বড় করে মাংস আকারে বিক্রি করব।
আমি কারো থেকে ১০০ বাচ্চা কিনে বড় করে বিক্রি করে যদি মাংস আকারে বিক্রি করতে যাই তাহলে বর্তমান ক্রয় দর, খাবার ও ঔষধ মিলিয়ে আমার ব্যাবসা কোথায় দ্বারাবে?
৪. আমার ৩ নং প্রশ্নের উত্তরে উত্তর আসবে এখনো মাংস আকারে বিক্রি করে লস হবে আগে নিজে প্রোডাকশন করেন।
৫. আপনার কথা মেনে নিয়ে আমি প্রোডাকশন শুরু করে দিলাম, আমার প্রোডাকশন শুরু হতে সময় লাগবে ৭/৮ মাস সেই বাচ্চা মিট আকারে বাঁজারে পাঠাতে আমার সময় লাগবে আরো ৪/৫ মাস। এবার বলুন তখন (মোট ১ বছর পরে) আমার বয়লার টার্কির মাংসের দাম প্রতি কেজি কত এসে দ্বারাবে??
৬. আপনারা ৫নং এর উত্তরে বলবেনঃ ৩০০ করে হলেও আপনার ২০ কেজির একটা টার্কির দাম আসবে ৬০০০ টাকা। কিন্তু ভাই এখনই অনেক যায়গা থেকে আমরা লোকাল টার্কি ২৫০-৩০০ মধ্যে কিনতেছি। তাহলে আমার বয়লার কে কিনবে ৩০০ করে?
আর যদি ৩০০ টাকাই দাম হিসাব করে থাকেন তাহলে এক পেয়ার রানিং হাইব্রিডের দাম কিভাবে ২৫০০০ টাকা চাচ্ছেন?
৭. উত্তর আসবে ততোদিনে চাহিদা বাড়বে তাই দাম কমবে না, কিন্তু একটা ২০ কেজির টার্কির ক্রেতা এই দেশে কতজন আছে?
৮. আপনি হয়তো ৮ নং প্রশ্নের উত্তর দিবেন মানুষ টার্কির মজা পেয়ে গেলে ক্রেতা বেড়ে যানে। কিন্তু আপনি কি হাইব্রিড টার্কির স্বাধ কখনো চেখে দেখেছেন? ৯৯% হাইব্রিড খামারিই বলবেন এখনো আমি হাইব্রিড খাইনি (আমি খেয়ে বলছি এর চাইতে পাঠার মাংস উত্তম)।
৯. আপনারা ১/২ মাসের ১ জোড়া হাইব্রিড টার্কির বাচ্চার যে দাম চাচ্ছেন তাতে আমি হিসাব করে দেখেছি ২টা ছাগলের বাচ্চা কিনা যায়। এবং ২/৪ টা ছাগল পালতে তেমন কোন নগদ অর্থের দরকার হয় না, কারোন কথায় বলে ছাগলে না খায় কি।
১০. আপনারা ৯ নং এর উত্তরে বলবেন তাহলে ছাগল কিনেন, টার্কি পালার দরকার নাই।
ভাই এটা তো কোন ফেন্সি আইটেম না! ছাগল তো কেউ দুধ খাওয়ার জন্য পালে না। ছগল যেমন মাংসের আইটেম টার্কিও তেমন মাংসের আইটেম তাহলে দাম এতো বেশি হবে ক্যান?
তাহলে কি বলতে পারি আপনারা এক মাসের প্রডাকশন দিয়ে আপনার পুরা ইনভাইস্ট তুলে নিতে চাচ্ছেন??
আরো পড়ুন>

টার্কি মুরগির খামার ২০০ থেকে ১০০০ | Turkey chicken farm 200 to 1000

পরশুরামের বাসপদুয়া গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে ওঠেছে আমেরিকান টার্কি মুরগির খামার। গত দেড় বছরে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে টার্কি খামারটি। টার্কি মুরগি বিক্রি ও বাচ্চা উৎপাদন করে কোটিপতি হয়েছেন খামারের মালিক ...
টার্কি মুরগির খামার ২০০ থেকে ১০০০ একটি টার্কি মুরগির ওজন ৩০ কেজি পর্যন্ত হয়। প্রতিকেজি বিক্রি হয় ৮০০ টাকায়।  পরশুরামের বাসপদুয়া গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে ওঠেছে আমেরিকান টার্কি মুরগির খামার। গত দেড় বছরে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে খামারটি। টার্কি মুরগি বিক্রি ও বাচ্চা উৎপাদন করে কোটিপতি হয়েছেন খামারের মালিক আজমীর হোসেন জুয়েল।
জানা গেছে, উপজেলার বাসপদুয়া গ্রামে ২০১৫ সালের শেষদিকে ১৬ শতক জমির উপর ‘আল্লাহর দান টার্কি ফার্ম’ নামে টার্কি মুরগির খামার গড়ে তোলেন ফিশ ফিডস ব্যবসায়ী আজমীর হোসেন জুয়েল। প্রথমে আমেরিকা থেকে ২০০ বাচ্চা এনে খামার শুরু করেন। বর্তমানে প্রায় এক হাজার টার্কি মুরগি আছে ওই খামারে। একটি টার্কি মুরগি একটানা ২২টি পর্যন্ত ডিম দেয়। আজমীর হোসেন জুয়েলের ভাই আবদুল হালিম নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি করেছেন হ্যাচারি মেশিন। এ মেশিনে ডিম রাখার ২৮ দিন পর বাচ্চা ফুটে। দানাদার খাদ্য ছাড়াও কলমির শাক, বাঁধাকপি ও সবজি জাতীয় খাবার খায় টার্কি মুরগি। চার মাস পর থেকে খাওয়ার উপযোগী হয় এসব মুরগি। ছয় মাস বয়সের মুরগি ৬ থেকে ৭ কেজি পর্যন্ত হয়। একটি টার্কি মুরগির ওজন ৩০ কেজি পর্যন্ত হয়। এখানে প্রতিকেজি মুরগি বিক্রি হয় ৮০০ টাকায়।
খামারের উদ্যোক্তা জুয়েল জানান, হ্যাচারি মেশিনে দৈনিক ৫০টি বাচ্চা ফুটে। এক মাস বয়সী বাচ্চা বিক্রি হয় একজোড়া সাড়ে চার হাজার টাকায়। এ খামার থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকজন খামারি বাচ্চা নিয়ে গেছেন। টার্কি মুরগি বিদেশেও রপ্তানি করা হচ্ছে।
জানা গেছে, ১৭০০ সালে যুক্তরাজ্যে ক্রস ব্রিডিংয়ের মাধ্যমে টার্কি মুরগির জাত উৎপাদন করা হয়। উত্তর আমেরিকা টার্কি মুরগির উত্পত্তিস্থল। ইউরোপসহ পৃথিবীর প্রায় সব দেশে টার্কি মুরগি পালন করা হয়। অনেকটা খাসির মাংসের মতোই এ মুরগির মাংসের স্বাদ। এ মাংসে অধিক পরিমাণ প্রোটিন ও কম পরিমাণ চর্বি রয়েছে। সুস্বাদু এই মুরগির রোগ বালাইও তেমন হয় না।
টার্কি মুরগির পাশাপাশি তিতির মুরগি, ফ্রান্সের দেশী মুরগি, বিদেশি কোয়েল পাখিসহ বিভিন্ন জাতের বিদেশি কবুতরের খামারও গড়ে তুলেছেন জুয়েল।
‘আল্লাহর দান
টার্কি ফার্মের’ স্বত্ত্বাধিকারী আজমীর হোসেন জুয়েল বলেন, ‘দেশের বাইরে থেকে বাচ্চা এনে টার্কি মুরগির খামার গড়ে তুলেছিলাম। আলস্নাহর রহমতে এখন এক হাজার টার্কি মুরগি রয়েছে আমার খামারে।’
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, টার্কি মুরগির খামার করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া যায়। ফেনীতে এ প্রথম টার্কি মুরগির খামার গড়ে উঠেছে। এ ব্যাপারে খামারিরা চাইলে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।’
পরশুরামের বাসপদুয়া গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে ওঠেছে আমেরিকান টার্কি মুরগির খামার। গত দেড় বছরে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে টার্কি খামারটি। টার্কি মুরগি বিক্রি ও বাচ্চা উৎপাদন করে কোটিপতি হয়েছেন খামারের মালিক ...
টার্কি মুরগির খামার ২০০ থেকে ১০০০ একটি টার্কি মুরগির ওজন ৩০ কেজি পর্যন্ত হয়। প্রতিকেজি বিক্রি হয় ৮০০ টাকায়।  পরশুরামের বাসপদুয়া গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে ওঠেছে আমেরিকান টার্কি মুরগির খামার। গত দেড় বছরে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে খামারটি। টার্কি মুরগি বিক্রি ও বাচ্চা উৎপাদন করে কোটিপতি হয়েছেন খামারের মালিক আজমীর হোসেন জুয়েল।
জানা গেছে, উপজেলার বাসপদুয়া গ্রামে ২০১৫ সালের শেষদিকে ১৬ শতক জমির উপর ‘আল্লাহর দান টার্কি ফার্ম’ নামে টার্কি মুরগির খামার গড়ে তোলেন ফিশ ফিডস ব্যবসায়ী আজমীর হোসেন জুয়েল। প্রথমে আমেরিকা থেকে ২০০ বাচ্চা এনে খামার শুরু করেন। বর্তমানে প্রায় এক হাজার টার্কি মুরগি আছে ওই খামারে। একটি টার্কি মুরগি একটানা ২২টি পর্যন্ত ডিম দেয়। আজমীর হোসেন জুয়েলের ভাই আবদুল হালিম নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি করেছেন হ্যাচারি মেশিন। এ মেশিনে ডিম রাখার ২৮ দিন পর বাচ্চা ফুটে। দানাদার খাদ্য ছাড়াও কলমির শাক, বাঁধাকপি ও সবজি জাতীয় খাবার খায় টার্কি মুরগি। চার মাস পর থেকে খাওয়ার উপযোগী হয় এসব মুরগি। ছয় মাস বয়সের মুরগি ৬ থেকে ৭ কেজি পর্যন্ত হয়। একটি টার্কি মুরগির ওজন ৩০ কেজি পর্যন্ত হয়। এখানে প্রতিকেজি মুরগি বিক্রি হয় ৮০০ টাকায়।
খামারের উদ্যোক্তা জুয়েল জানান, হ্যাচারি মেশিনে দৈনিক ৫০টি বাচ্চা ফুটে। এক মাস বয়সী বাচ্চা বিক্রি হয় একজোড়া সাড়ে চার হাজার টাকায়। এ খামার থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকজন খামারি বাচ্চা নিয়ে গেছেন। টার্কি মুরগি বিদেশেও রপ্তানি করা হচ্ছে।
জানা গেছে, ১৭০০ সালে যুক্তরাজ্যে ক্রস ব্রিডিংয়ের মাধ্যমে টার্কি মুরগির জাত উৎপাদন করা হয়। উত্তর আমেরিকা টার্কি মুরগির উত্পত্তিস্থল। ইউরোপসহ পৃথিবীর প্রায় সব দেশে টার্কি মুরগি পালন করা হয়। অনেকটা খাসির মাংসের মতোই এ মুরগির মাংসের স্বাদ। এ মাংসে অধিক পরিমাণ প্রোটিন ও কম পরিমাণ চর্বি রয়েছে। সুস্বাদু এই মুরগির রোগ বালাইও তেমন হয় না।
টার্কি মুরগির পাশাপাশি তিতির মুরগি, ফ্রান্সের দেশী মুরগি, বিদেশি কোয়েল পাখিসহ বিভিন্ন জাতের বিদেশি কবুতরের খামারও গড়ে তুলেছেন জুয়েল।
‘আল্লাহর দান
টার্কি ফার্মের’ স্বত্ত্বাধিকারী আজমীর হোসেন জুয়েল বলেন, ‘দেশের বাইরে থেকে বাচ্চা এনে টার্কি মুরগির খামার গড়ে তুলেছিলাম। আলস্নাহর রহমতে এখন এক হাজার টার্কি মুরগি রয়েছে আমার খামারে।’
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, টার্কি মুরগির খামার করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া যায়। ফেনীতে এ প্রথম টার্কি মুরগির খামার গড়ে উঠেছে। এ ব্যাপারে খামারিরা চাইলে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।’
আরো পড়ুন>