Latest Products
Showing posts with label টার্কি মুরগি. Show all posts
Showing posts with label টার্কি মুরগি. Show all posts

হাইব্রিড টার্কি মুরগীর দাম এতো বেশি কেন ? Why hybrid turkey chicken prices so much?

হাইব্রিড টার্কি মুরগি পর্ব
বলেছিলাম হাইব্রিড টার্কি মুরগি নিয়ে লিখবো!! (আমি হাইব্রিড মুরগী বিরোধি নয়)
কিন্তু তার আগে একটা গল্প না বললেই নয়ঃ

হাইব্রিড টার্কি মুরগি  


এলাকার বাঁজারে আমাদের দোকানের সামনে এক শ্যাকের ছেলে (আঞ্চলিক ভাষা) পাকা তাল বিক্রি করতেছে। এক সাধু তাল কিনতে চাইলেন কিন্তু সর্থ একটাই তাল মিষ্টি হবে কি না??
শ্যাকের ছেলের উত্তরটা এমনঃ তাল ভালো করে গোলাইয়া মিডা (গুড়) আর বেশি কইররা দুধ দিবেন হেইয়ার পর ঘন কইরা ২/৩ দিন জালাইবেন। হ্যার পর যদি খারাপ লাগে হেলে বোঝবেন আপনার গায়ে জর আছে।
হাইব্রিডের আবির্ভাব নিয়ে লেখা বাড়াতে চাচ্ছি না,
১. পৃথিবীতে হাইব্রিডের সৃষ্টিই ব্যাপক চাহিদা মিটানোর জন্য। মোদ্দা কথা হচ্ছে দ্রুত বর্ধনশিল, কম মজাদার এবং দামটা হবে হাতের নাগালে।
২. যদি সেটাই হয় তাহলে প্রশ্ন আসতেই পারে হাইব্রিড টার্কির দাম এতো বেশি ক্যান??
সুবিধা বাদিদের থেকে যে উত্তরটা আসবে সেটাও বলে দিচ্ছি, তারা বলবেন এখনো প্রডাকশন কম চাহিদা বেশি তাই দাম বেশি।
৩. মেনে নিলাম আপনার কথা, হাইব্রিডের নিয়ম হচ্ছে আমি বাচ্চা কিনে বড় করে মাংস আকারে বিক্রি করব।
আমি কারো থেকে ১০০ বাচ্চা কিনে বড় করে বিক্রি করে যদি মাংস আকারে বিক্রি করতে যাই তাহলে বর্তমান ক্রয় দর, খাবার ও ঔষধ মিলিয়ে আমার ব্যাবসা কোথায় দ্বারাবে?
৪. আমার ৩ নং প্রশ্নের উত্তরে উত্তর আসবে এখনো মাংস আকারে বিক্রি করে লস হবে আগে নিজে প্রোডাকশন করেন।
৫. আপনার কথা মেনে নিয়ে আমি প্রোডাকশন শুরু করে দিলাম, আমার প্রোডাকশন শুরু হতে সময় লাগবে ৭/৮ মাস সেই বাচ্চা মিট আকারে বাঁজারে পাঠাতে আমার সময় লাগবে আরো ৪/৫ মাস। এবার বলুন তখন (মোট ১ বছর পরে) আমার বয়লার টার্কির মাংসের দাম প্রতি কেজি কত এসে দ্বারাবে??
৬. আপনারা ৫নং এর উত্তরে বলবেনঃ ৩০০ করে হলেও আপনার ২০ কেজির একটা টার্কির দাম আসবে ৬০০০ টাকা। কিন্তু ভাই এখনই অনেক যায়গা থেকে আমরা লোকাল টার্কি ২৫০-৩০০ মধ্যে কিনতেছি। তাহলে আমার বয়লার কে কিনবে ৩০০ করে?
আর যদি ৩০০ টাকাই দাম হিসাব করে থাকেন তাহলে এক পেয়ার রানিং হাইব্রিডের দাম কিভাবে ২৫০০০ টাকা চাচ্ছেন?
৭. উত্তর আসবে ততোদিনে চাহিদা বাড়বে তাই দাম কমবে না, কিন্তু একটা ২০ কেজির টার্কির ক্রেতা এই দেশে কতজন আছে?
৮. আপনি হয়তো ৮ নং প্রশ্নের উত্তর দিবেন মানুষ টার্কির মজা পেয়ে গেলে ক্রেতা বেড়ে যানে। কিন্তু আপনি কি হাইব্রিড টার্কির স্বাধ কখনো চেখে দেখেছেন? ৯৯% হাইব্রিড খামারিই বলবেন এখনো আমি হাইব্রিড খাইনি (আমি খেয়ে বলছি এর চাইতে পাঠার মাংস উত্তম)।
৯. আপনারা ১/২ মাসের ১ জোড়া হাইব্রিড টার্কির বাচ্চার যে দাম চাচ্ছেন তাতে আমি হিসাব করে দেখেছি ২টা ছাগলের বাচ্চা কিনা যায়। এবং ২/৪ টা ছাগল পালতে তেমন কোন নগদ অর্থের দরকার হয় না, কারোন কথায় বলে ছাগলে না খায় কি।
১০. আপনারা ৯ নং এর উত্তরে বলবেন তাহলে ছাগল কিনেন, টার্কি পালার দরকার নাই।
ভাই এটা তো কোন ফেন্সি আইটেম না! ছাগল তো কেউ দুধ খাওয়ার জন্য পালে না। ছগল যেমন মাংসের আইটেম টার্কিও তেমন মাংসের আইটেম তাহলে দাম এতো বেশি হবে ক্যান?
তাহলে কি বলতে পারি আপনারা এক মাসের প্রডাকশন দিয়ে আপনার পুরা ইনভাইস্ট তুলে নিতে চাচ্ছেন??
হাইব্রিড টার্কি মুরগি পর্ব
বলেছিলাম হাইব্রিড টার্কি মুরগি নিয়ে লিখবো!! (আমি হাইব্রিড মুরগী বিরোধি নয়)
কিন্তু তার আগে একটা গল্প না বললেই নয়ঃ

হাইব্রিড টার্কি মুরগি  


এলাকার বাঁজারে আমাদের দোকানের সামনে এক শ্যাকের ছেলে (আঞ্চলিক ভাষা) পাকা তাল বিক্রি করতেছে। এক সাধু তাল কিনতে চাইলেন কিন্তু সর্থ একটাই তাল মিষ্টি হবে কি না??
শ্যাকের ছেলের উত্তরটা এমনঃ তাল ভালো করে গোলাইয়া মিডা (গুড়) আর বেশি কইররা দুধ দিবেন হেইয়ার পর ঘন কইরা ২/৩ দিন জালাইবেন। হ্যার পর যদি খারাপ লাগে হেলে বোঝবেন আপনার গায়ে জর আছে।
হাইব্রিডের আবির্ভাব নিয়ে লেখা বাড়াতে চাচ্ছি না,
১. পৃথিবীতে হাইব্রিডের সৃষ্টিই ব্যাপক চাহিদা মিটানোর জন্য। মোদ্দা কথা হচ্ছে দ্রুত বর্ধনশিল, কম মজাদার এবং দামটা হবে হাতের নাগালে।
২. যদি সেটাই হয় তাহলে প্রশ্ন আসতেই পারে হাইব্রিড টার্কির দাম এতো বেশি ক্যান??
সুবিধা বাদিদের থেকে যে উত্তরটা আসবে সেটাও বলে দিচ্ছি, তারা বলবেন এখনো প্রডাকশন কম চাহিদা বেশি তাই দাম বেশি।
৩. মেনে নিলাম আপনার কথা, হাইব্রিডের নিয়ম হচ্ছে আমি বাচ্চা কিনে বড় করে মাংস আকারে বিক্রি করব।
আমি কারো থেকে ১০০ বাচ্চা কিনে বড় করে বিক্রি করে যদি মাংস আকারে বিক্রি করতে যাই তাহলে বর্তমান ক্রয় দর, খাবার ও ঔষধ মিলিয়ে আমার ব্যাবসা কোথায় দ্বারাবে?
৪. আমার ৩ নং প্রশ্নের উত্তরে উত্তর আসবে এখনো মাংস আকারে বিক্রি করে লস হবে আগে নিজে প্রোডাকশন করেন।
৫. আপনার কথা মেনে নিয়ে আমি প্রোডাকশন শুরু করে দিলাম, আমার প্রোডাকশন শুরু হতে সময় লাগবে ৭/৮ মাস সেই বাচ্চা মিট আকারে বাঁজারে পাঠাতে আমার সময় লাগবে আরো ৪/৫ মাস। এবার বলুন তখন (মোট ১ বছর পরে) আমার বয়লার টার্কির মাংসের দাম প্রতি কেজি কত এসে দ্বারাবে??
৬. আপনারা ৫নং এর উত্তরে বলবেনঃ ৩০০ করে হলেও আপনার ২০ কেজির একটা টার্কির দাম আসবে ৬০০০ টাকা। কিন্তু ভাই এখনই অনেক যায়গা থেকে আমরা লোকাল টার্কি ২৫০-৩০০ মধ্যে কিনতেছি। তাহলে আমার বয়লার কে কিনবে ৩০০ করে?
আর যদি ৩০০ টাকাই দাম হিসাব করে থাকেন তাহলে এক পেয়ার রানিং হাইব্রিডের দাম কিভাবে ২৫০০০ টাকা চাচ্ছেন?
৭. উত্তর আসবে ততোদিনে চাহিদা বাড়বে তাই দাম কমবে না, কিন্তু একটা ২০ কেজির টার্কির ক্রেতা এই দেশে কতজন আছে?
৮. আপনি হয়তো ৮ নং প্রশ্নের উত্তর দিবেন মানুষ টার্কির মজা পেয়ে গেলে ক্রেতা বেড়ে যানে। কিন্তু আপনি কি হাইব্রিড টার্কির স্বাধ কখনো চেখে দেখেছেন? ৯৯% হাইব্রিড খামারিই বলবেন এখনো আমি হাইব্রিড খাইনি (আমি খেয়ে বলছি এর চাইতে পাঠার মাংস উত্তম)।
৯. আপনারা ১/২ মাসের ১ জোড়া হাইব্রিড টার্কির বাচ্চার যে দাম চাচ্ছেন তাতে আমি হিসাব করে দেখেছি ২টা ছাগলের বাচ্চা কিনা যায়। এবং ২/৪ টা ছাগল পালতে তেমন কোন নগদ অর্থের দরকার হয় না, কারোন কথায় বলে ছাগলে না খায় কি।
১০. আপনারা ৯ নং এর উত্তরে বলবেন তাহলে ছাগল কিনেন, টার্কি পালার দরকার নাই।
ভাই এটা তো কোন ফেন্সি আইটেম না! ছাগল তো কেউ দুধ খাওয়ার জন্য পালে না। ছগল যেমন মাংসের আইটেম টার্কিও তেমন মাংসের আইটেম তাহলে দাম এতো বেশি হবে ক্যান?
তাহলে কি বলতে পারি আপনারা এক মাসের প্রডাকশন দিয়ে আপনার পুরা ইনভাইস্ট তুলে নিতে চাচ্ছেন??
আরো পড়ুন>

জনপ্রিয় হয়ে উঠছে টার্কি মুরগি চাষ | Turkey's chicken farming has become popular

জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আমেরিকা ও ইউরোপের টার্কি মুরগি। ডিম সংগ্রহের এক মাসের মধ্যে বাচ্চা ফুটে ও তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ছয় কেজি ওজন হচ্ছে এসব টার্কি মুরগির।

বর্তমানে মাংসের চাহিদা পূরণে গরু, মুরগি ও হাঁসের খামার দেখা মেলে অহরহ। কিন্তু মুরগির মাংসের চাহিদা পূরণের জন্য অধিক মাংসসমৃদ্ধ টার্কি জাতের মুরগি পালনের বিষয়টি এবার লক্ষ্য করা গেছে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে।

তবে
টার্কি এক সময়ের বন্যপাখি হলেও এখন এটি গৃহপালিত বড় আকারের একটি পাখি। তেমনি একজন টার্কি খামারি নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালের পাইকসা এলাকার বাছেদ মিয়া।

তিনি আগে মুরগি পালন করতেন, শখের বসে সিলেট থেকে দুটি মাত্র টার্কির বাচ্চা সংগ্রহ করেন। পরে বিষয়টি নিজের কাছেই কৌতূহল মনে হলে তা থেকে যে ডিম আসে তা দেশি মুরগি দিয়ে ফোটানো শুরু করেন। সেই থেকে টার্কির খামার করার ইচ্ছা পোষণ করেন বাছেদ।

তার কাছে থেকে টার্কির বাচ্চা নিয়ে সফল হয়েছেন আশপাশের প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি পরিবার। তারা বাড়িতে ছোট আকারেই পালন করছেন এ টার্কির মুরগি। তাদের মধ্যে অন্যতম হুমায়ুন, বারেক, জামান, আলামিনসহ আরো অনেকে।

বাছেদ মিয়া জানান, টার্কি মুরগি পালন অর্থনৈতিকভাবে খরচ অনেক কম। বয়লার বা লেয়ার ও হাঁস পালনের চেয়ে অনেক বেশি লাভ হয়। এ ছাড়া টার্কি ৩০ সপ্তাহ থেকে ডিম দেওয়া শুরু করে। একটি টার্কি বছরে ৮০ থেকে ১০০টি ডিম দেয়। আবার ২৮ থেকে ৩০ দিনেই এই ডিম ফুটে বাচ্চার জন্ম হয়।

একটি টার্কি ৪ মাস বয়স হলেই গড় ওজন ৭ থেকে ৮ কেজি। ৩ থেকে ৪ মাস বয়স হলেই একটি টার্কি মাংসের জন্য বিক্রির উপযোগী হয়ে ওঠে। দেশি হাঁস-মুরগির মতো সাধারণ নিয়মে পালন করলেও ৫ থেকে ৬ মাসে প্রতিটি টার্কি গড়ে ৫ থেকে ৬ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। খোলা বা আবদ্ধ উভয়ভাবেই টার্কি পালন করা যায়।

টার্কি মুরগি নিজেই ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটাতে পারে। তবে টার্কি না দিয়ে ফোটানোই উত্তম। কেননা টার্কি ডিমে তা দিলে পুনরায় ডিম পারতে দেরি করে। এর বদলে দেশি মুরগি অথবা ইনকিউবেটর দিয়ে বাচ্চা ফুটালে ফল ভালো পাওয়া যায়।

বাছেদ মিয়া আরো বলেন, টার্কির মাংস পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হওয়ায় এটি খাদ্য তালিকার একটি আদর্শ মাংস হিসেবে ঢাকার নামিদামি হোটেলে সরবরাহ হয়ে থাকে সিংহভাগ।

ঘোড়াশালের টার্কি মুরগি খামারি কাসেম মিয়া জানান, বাছেদ মিয়ার কাছ থেকে মাত্র ১০টি টার্কির বাচ্চা নিয়ে ছোট আকারে পালন শুরু করেন তিনি। মাত্র এক বছর যাবত টার্কি পালন করেই তিনি লাভের মুখ দেখেন। তাই তার ইচ্ছা  নিজস্ব মুরগির ডিম দিয়েই খামারটি আরো বড় করার।

একই এলাকার বিষু দত্ত জানান, আগে হাঁসের খামার করেছিলেন। তাতে প্রচুর লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন। তারপর শুরু করেন কোয়েল পাখির খামার। ব্যবসা কিছুটা জমতে শুরু করে। কোয়েল পাখি পালনের পাশাপাশি তিনি ২০/২৫ দিন পূর্বে বিভিন্ন খামারিদের কাছ থেকে প্রায় দেড় শতাধিক টার্কি মুরগি সংগ্রহ করেন। শুরু হয় তার টার্কি পালনের যাত্রা। তিনি এর পাশাপাশি খোলা অবস্থায় অর্ধশতাধিক দেশি জাতের মুরগিও পালন শুরু করেন।

পলাশ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহা জামান বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টার্কির মাংস বেশ জনপ্রিয়। পাখির মাংসের মধ্যে হাঁস, মুরগি, কোয়েল এরপর টার্কির অবস্থান। টার্কি বর্তমানে মাংসের প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়ে অর্থনীতিতে বেশ অবদান রাখছে। এ ছাড়া এর মাংসে প্রোটিন বেশি, চর্বি কম এবং আন্যান্য পাখির মাংসের চেয়ে বেশি পুষ্টিকর। পশ্চিমা দেশগুলোতে টার্কি খুব জনপ্রিয়।

তবে রোগ বালাইয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে বড় ধরনের কোনো রোগ দেখা না দিলেও পক্স, সালমোনেলোসিস, কলেরা ও এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা দেখা দিতে পারে। পরিবেশ ও খামার অব্যবস্থাপনার কারণে এসব রোগ সংক্রমণ হতে পারে। তবে নিয়মিত টিকা দেওয়া হলে এ সব রোগ আক্রান্ত করতে পারে না।
জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আমেরিকা ও ইউরোপের টার্কি মুরগি। ডিম সংগ্রহের এক মাসের মধ্যে বাচ্চা ফুটে ও তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ছয় কেজি ওজন হচ্ছে এসব টার্কি মুরগির।

বর্তমানে মাংসের চাহিদা পূরণে গরু, মুরগি ও হাঁসের খামার দেখা মেলে অহরহ। কিন্তু মুরগির মাংসের চাহিদা পূরণের জন্য অধিক মাংসসমৃদ্ধ টার্কি জাতের মুরগি পালনের বিষয়টি এবার লক্ষ্য করা গেছে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে।

তবে
টার্কি এক সময়ের বন্যপাখি হলেও এখন এটি গৃহপালিত বড় আকারের একটি পাখি। তেমনি একজন টার্কি খামারি নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালের পাইকসা এলাকার বাছেদ মিয়া।

তিনি আগে মুরগি পালন করতেন, শখের বসে সিলেট থেকে দুটি মাত্র টার্কির বাচ্চা সংগ্রহ করেন। পরে বিষয়টি নিজের কাছেই কৌতূহল মনে হলে তা থেকে যে ডিম আসে তা দেশি মুরগি দিয়ে ফোটানো শুরু করেন। সেই থেকে টার্কির খামার করার ইচ্ছা পোষণ করেন বাছেদ।

তার কাছে থেকে টার্কির বাচ্চা নিয়ে সফল হয়েছেন আশপাশের প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি পরিবার। তারা বাড়িতে ছোট আকারেই পালন করছেন এ টার্কির মুরগি। তাদের মধ্যে অন্যতম হুমায়ুন, বারেক, জামান, আলামিনসহ আরো অনেকে।

বাছেদ মিয়া জানান, টার্কি মুরগি পালন অর্থনৈতিকভাবে খরচ অনেক কম। বয়লার বা লেয়ার ও হাঁস পালনের চেয়ে অনেক বেশি লাভ হয়। এ ছাড়া টার্কি ৩০ সপ্তাহ থেকে ডিম দেওয়া শুরু করে। একটি টার্কি বছরে ৮০ থেকে ১০০টি ডিম দেয়। আবার ২৮ থেকে ৩০ দিনেই এই ডিম ফুটে বাচ্চার জন্ম হয়।

একটি টার্কি ৪ মাস বয়স হলেই গড় ওজন ৭ থেকে ৮ কেজি। ৩ থেকে ৪ মাস বয়স হলেই একটি টার্কি মাংসের জন্য বিক্রির উপযোগী হয়ে ওঠে। দেশি হাঁস-মুরগির মতো সাধারণ নিয়মে পালন করলেও ৫ থেকে ৬ মাসে প্রতিটি টার্কি গড়ে ৫ থেকে ৬ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। খোলা বা আবদ্ধ উভয়ভাবেই টার্কি পালন করা যায়।

টার্কি মুরগি নিজেই ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটাতে পারে। তবে টার্কি না দিয়ে ফোটানোই উত্তম। কেননা টার্কি ডিমে তা দিলে পুনরায় ডিম পারতে দেরি করে। এর বদলে দেশি মুরগি অথবা ইনকিউবেটর দিয়ে বাচ্চা ফুটালে ফল ভালো পাওয়া যায়।

বাছেদ মিয়া আরো বলেন, টার্কির মাংস পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হওয়ায় এটি খাদ্য তালিকার একটি আদর্শ মাংস হিসেবে ঢাকার নামিদামি হোটেলে সরবরাহ হয়ে থাকে সিংহভাগ।

ঘোড়াশালের টার্কি মুরগি খামারি কাসেম মিয়া জানান, বাছেদ মিয়ার কাছ থেকে মাত্র ১০টি টার্কির বাচ্চা নিয়ে ছোট আকারে পালন শুরু করেন তিনি। মাত্র এক বছর যাবত টার্কি পালন করেই তিনি লাভের মুখ দেখেন। তাই তার ইচ্ছা  নিজস্ব মুরগির ডিম দিয়েই খামারটি আরো বড় করার।

একই এলাকার বিষু দত্ত জানান, আগে হাঁসের খামার করেছিলেন। তাতে প্রচুর লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন। তারপর শুরু করেন কোয়েল পাখির খামার। ব্যবসা কিছুটা জমতে শুরু করে। কোয়েল পাখি পালনের পাশাপাশি তিনি ২০/২৫ দিন পূর্বে বিভিন্ন খামারিদের কাছ থেকে প্রায় দেড় শতাধিক টার্কি মুরগি সংগ্রহ করেন। শুরু হয় তার টার্কি পালনের যাত্রা। তিনি এর পাশাপাশি খোলা অবস্থায় অর্ধশতাধিক দেশি জাতের মুরগিও পালন শুরু করেন।

পলাশ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহা জামান বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টার্কির মাংস বেশ জনপ্রিয়। পাখির মাংসের মধ্যে হাঁস, মুরগি, কোয়েল এরপর টার্কির অবস্থান। টার্কি বর্তমানে মাংসের প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়ে অর্থনীতিতে বেশ অবদান রাখছে। এ ছাড়া এর মাংসে প্রোটিন বেশি, চর্বি কম এবং আন্যান্য পাখির মাংসের চেয়ে বেশি পুষ্টিকর। পশ্চিমা দেশগুলোতে টার্কি খুব জনপ্রিয়।

তবে রোগ বালাইয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে বড় ধরনের কোনো রোগ দেখা না দিলেও পক্স, সালমোনেলোসিস, কলেরা ও এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা দেখা দিতে পারে। পরিবেশ ও খামার অব্যবস্থাপনার কারণে এসব রোগ সংক্রমণ হতে পারে। তবে নিয়মিত টিকা দেওয়া হলে এ সব রোগ আক্রান্ত করতে পারে না।
আরো পড়ুন>

৪শ টাকায় খামার শুরু করে বছরে আয় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা | 4 hundred taka start the farm, earning 3 to 4 lakhTaka a year


মাত্র ৪০০ টাকায় ১ দিন বয়সী এক জোড়া টার্কি দিয়ে নিজের খামার শুরু করি। বর্তমানে আমার খামারের পুঁজি ১০ লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। টার্কি মুরগি পালনে এখন আমার বার্ষিক আয় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। পুরো পরিবার চলছে টার্কি খামারের ওপর ভিত্তি করেই।’ কথাগুলো বলছিলেন নরসিংদীর পলাশ উপজেলার পাইকসা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ বাসেদ। আর টার্কি পালনে নিজের সাফল্যে এলাকায় তিনি পরিচিতি পেয়েছেন টার্কি বাসেদ নামে। একই রকম সফলতার মুখ দেখেছেন সাভারের শেরপুর এলাকার কর্ণপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রাশেদুল হাসান মামুন। মাত্র ২ বছর আগে ২ লাখ টাকা দিয়ে টার্কি খামার গড়ে তুললেও বর্তমানে তার পুঁজি দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ। জনকণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘এর আগে পোশাক শিল্পে জড়িত ছিলাম। ফ্যাক্টরিতে কাজ করতে করতে প্রোডাকশন ম্যানেজার হয়েছিলাম। তবে একই সময়ে টার্কি মুরগি পালনে এগিয়ে আসি। দেখলাম টার্কি পালনেই আমার লাভ হচ্ছে। তখন খামার গড়ে তুলি। খামারের কাজে এখন প্রতিমাসে ৩ লাখ টাকা ব্যবহার হচ্ছে। এতে প্রতিমাসে আয় হচ্ছে প্রায় ৭০ হাজার টাকা। মূলত এ আয়ের ওপর নির্ভর করেই চলছে আমার পরিবার।’ শুধু বাসেদ ও মামুনই নন, টার্কি মুরগি পালনে দেশে সফলতার মুখ দেখেছেন এমন অনেকেই। আর এ খাতটিতে বর্তমানে যুক্ত আছেন ছোট-বড় প্রায় আড়াই হাজার খামারি। ২০০ থেকে ৩০০ টার্কি পালন হচ্ছে এমন খামারের সংখ্যা প্রায় ১০০। একই সঙ্গে দেশে গড়ে উঠেছে টার্কির বাণিজ্যিক খামারও। সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, দেশে প্রতিনিয়তই বাড়ছে টার্কি খামারির সংখ্যা। তাদের মতে, দেশের ইতিবাচক আবহাওয়া ও টার্কি মুরগি পালনে খরচ কম হওয়ায় খাতটি হয়ে উঠতে পারে সম্ভাবনাময়। এমনকি পোল্ট্রি শিল্পে সূচনা হতে পারে নতুন এক দিগন্তের।
জানতে চাইলে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডাঃ মোঃ আইনুল হক জনকণ্ঠকে বলেন, ‘মাংসের যোগানের ক্ষেত্রে টার্কি পালন দেশের জন্য খুবই ইতিবাচক। কারণ অল্প সময়ে এক একটি টার্কির ওজন হয় ৫ থেকে ৬ কেজি। আবার টার্কি পালনে খামারিদের আয়ও বেশি। এটি অবশ্যই একটি সম্ভাবনার দিক।’ তিনি বলেন, ‘তবে নতুন কিছু আসলে এর একটি চ্যালেঞ্জ থাকে। আমাদের সেই চ্যালেঞ্জ নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। টার্কি পালনের মাধ্যমে যাতে নতুন কোন রোগ-বালাই না ছড়ায়; সেটি নিয়েও কাজ চলছে। পরীক্ষামূলকভাবে নরসিংদীতে টার্কি পালন সোসাইটি গড়ে তোলা হয়েছে। খামারিদের নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।’

মাত্র ৪০০ টাকায় ১ দিন বয়সী এক জোড়া টার্কি দিয়ে নিজের খামার শুরু করি। বর্তমানে আমার খামারের পুঁজি ১০ লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। টার্কি মুরগি পালনে এখন আমার বার্ষিক আয় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। পুরো পরিবার চলছে টার্কি খামারের ওপর ভিত্তি করেই।’ কথাগুলো বলছিলেন নরসিংদীর পলাশ উপজেলার পাইকসা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ বাসেদ। আর টার্কি পালনে নিজের সাফল্যে এলাকায় তিনি পরিচিতি পেয়েছেন টার্কি বাসেদ নামে। একই রকম সফলতার মুখ দেখেছেন সাভারের শেরপুর এলাকার কর্ণপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রাশেদুল হাসান মামুন। মাত্র ২ বছর আগে ২ লাখ টাকা দিয়ে টার্কি খামার গড়ে তুললেও বর্তমানে তার পুঁজি দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ। জনকণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘এর আগে পোশাক শিল্পে জড়িত ছিলাম। ফ্যাক্টরিতে কাজ করতে করতে প্রোডাকশন ম্যানেজার হয়েছিলাম। তবে একই সময়ে টার্কি মুরগি পালনে এগিয়ে আসি। দেখলাম টার্কি পালনেই আমার লাভ হচ্ছে। তখন খামার গড়ে তুলি। খামারের কাজে এখন প্রতিমাসে ৩ লাখ টাকা ব্যবহার হচ্ছে। এতে প্রতিমাসে আয় হচ্ছে প্রায় ৭০ হাজার টাকা। মূলত এ আয়ের ওপর নির্ভর করেই চলছে আমার পরিবার।’ শুধু বাসেদ ও মামুনই নন, টার্কি মুরগি পালনে দেশে সফলতার মুখ দেখেছেন এমন অনেকেই। আর এ খাতটিতে বর্তমানে যুক্ত আছেন ছোট-বড় প্রায় আড়াই হাজার খামারি। ২০০ থেকে ৩০০ টার্কি পালন হচ্ছে এমন খামারের সংখ্যা প্রায় ১০০। একই সঙ্গে দেশে গড়ে উঠেছে টার্কির বাণিজ্যিক খামারও। সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, দেশে প্রতিনিয়তই বাড়ছে টার্কি খামারির সংখ্যা। তাদের মতে, দেশের ইতিবাচক আবহাওয়া ও টার্কি মুরগি পালনে খরচ কম হওয়ায় খাতটি হয়ে উঠতে পারে সম্ভাবনাময়। এমনকি পোল্ট্রি শিল্পে সূচনা হতে পারে নতুন এক দিগন্তের।
জানতে চাইলে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডাঃ মোঃ আইনুল হক জনকণ্ঠকে বলেন, ‘মাংসের যোগানের ক্ষেত্রে টার্কি পালন দেশের জন্য খুবই ইতিবাচক। কারণ অল্প সময়ে এক একটি টার্কির ওজন হয় ৫ থেকে ৬ কেজি। আবার টার্কি পালনে খামারিদের আয়ও বেশি। এটি অবশ্যই একটি সম্ভাবনার দিক।’ তিনি বলেন, ‘তবে নতুন কিছু আসলে এর একটি চ্যালেঞ্জ থাকে। আমাদের সেই চ্যালেঞ্জ নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। টার্কি পালনের মাধ্যমে যাতে নতুন কোন রোগ-বালাই না ছড়ায়; সেটি নিয়েও কাজ চলছে। পরীক্ষামূলকভাবে নরসিংদীতে টার্কি পালন সোসাইটি গড়ে তোলা হয়েছে। খামারিদের নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।’
আরো পড়ুন>

টার্কি মুরগী পালন করে সাবলম্বী হতে চলেছে যুবক মাসুদ | profit by turkey bird

উপজেলা সদরের মাহামুদ হাসান মাসুদ(৩২) টার্কি মুরগির খামার করেছে। মাসুদ দামুড়হুদা সদরের মাদ্রাসা পাড়ার আব্দুল মমিনের ছেলে। বর্তমানে মুরগির ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা বিক্রি করা শরু করেছেন। এতে সে ব্যাপক লাভবান হবে বলে আশা করছেন। মুরগির বাচ্চা ও সেড তৈরীতে তার খরচ হয়েছে দেড় লক্ষ টাকা।

মাহামুদ হাসান মাসুদ জানান, গত বছরের ২৮শে নভেম্বর দামুড়হুদা উপজেলা প্রানী সম্পদ অফিসের পরামর্শে তিনি ঢাকা থেকে ৬৫০টাকা প্রতি পিছ দরে ১দিনের ৬০টি বাচ্চা ৩৯ হাজার টাকায় কিনে আনে। এর মধ্যে ১১টি বাচ্চা মারা যায়। ১০ মাসে প্রতিটি মুরগির ওজন হয়েছে ১২ থেকে ১৪ কেজি। এর মধ্যে ২৯টি মুরগি ও ২০টি মোরগ আছে। গত রমজান মাসের মাঝা মাঝি থেকে মুরগি ডিম দেওয়া শরু করে।এরা দ্রুত বাড়ে এবং মযুরের মত পেখম মেলে ধরে নারী জাতের মুরগীদের আকৃষ্ট করে । বর্তমানে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ টি ডিম দিচ্ছে। এর মধ্যে তিনি ঐ ডিম চুয়াডাঙ্গার কুলপালার জাকির এ্যান্ড ব্রাদার্স থেকে বাচ্চা ফুটিয়ে ১দিনের বাচ্চা ৫শত ২/৩দিনের বাচ্চা প্রতি পিচ৭শত টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। এরই মধ্যে মাসুদ ২০টি বাচ্চার বিক্রি করেছে ও ২শত পিচ ডিম হ্যাচারিতে আছে। সঠিক ভাবে বাচ্চা গুলি ফুটলে লক্ষা ধিক টাকায় বিক্রি হবে এছাড়াও ৪ জোড়া মুরগি ৩৬ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে এর মধ্যে আরো ৪ জোড়া বিক্রি করবেন বলে জানান। তার ঘরের ছাদে সেড তৈরী ও বাচ্চা কেনা দিয়ে খরচ হয়েছে দেড় লক্ষ টাকা। প্রথম চালানেই তার সকল খরচ উঠে আসবে ও কিছু লাভ থাকবে বলে আশা করছেন। প্রতিটি মুরগি বছরে ১শ, থেকে ১শ ৩০টি ডিম দিয়ে থাকে। এই টার্কি মুরগি দেশি মুরগির মত পালন করা যায়। এরা পাতা জাতিয় খাবার খায় ফুল কফি,পাতা কফি, বেগুল আলু ঘাস কুচি কুচি করে কেটে দিলে খেয়ে থাকে ও ধানের কুড়া ভুট্টা ও খেয়ে থাকে। আবার পল্টি ফিড ও খেয়ে থাকে ফিড খাওয়ালে দ্রুত ওজন ও বাড়ে কিন্তু খরচ বেশি হয়। মুরগি মাংশ সাড়ে ৭শ থেকে ৮শত টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। এ থেকে মাসুদ খুব ভালো লাভবান হবে বলে আশা করছেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলেন, টার্কি মুরগি এখনো পাখি শ্রেণীর অন্তরর্ভুক্ত। রোগ-বালাই ও উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় এটি পালন করে সহজেই লাভবান হওয়া যায়।
উপজেলা সদরের মাহামুদ হাসান মাসুদ(৩২) টার্কি মুরগির খামার করেছে। মাসুদ দামুড়হুদা সদরের মাদ্রাসা পাড়ার আব্দুল মমিনের ছেলে। বর্তমানে মুরগির ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা বিক্রি করা শরু করেছেন। এতে সে ব্যাপক লাভবান হবে বলে আশা করছেন। মুরগির বাচ্চা ও সেড তৈরীতে তার খরচ হয়েছে দেড় লক্ষ টাকা।

মাহামুদ হাসান মাসুদ জানান, গত বছরের ২৮শে নভেম্বর দামুড়হুদা উপজেলা প্রানী সম্পদ অফিসের পরামর্শে তিনি ঢাকা থেকে ৬৫০টাকা প্রতি পিছ দরে ১দিনের ৬০টি বাচ্চা ৩৯ হাজার টাকায় কিনে আনে। এর মধ্যে ১১টি বাচ্চা মারা যায়। ১০ মাসে প্রতিটি মুরগির ওজন হয়েছে ১২ থেকে ১৪ কেজি। এর মধ্যে ২৯টি মুরগি ও ২০টি মোরগ আছে। গত রমজান মাসের মাঝা মাঝি থেকে মুরগি ডিম দেওয়া শরু করে।এরা দ্রুত বাড়ে এবং মযুরের মত পেখম মেলে ধরে নারী জাতের মুরগীদের আকৃষ্ট করে । বর্তমানে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ টি ডিম দিচ্ছে। এর মধ্যে তিনি ঐ ডিম চুয়াডাঙ্গার কুলপালার জাকির এ্যান্ড ব্রাদার্স থেকে বাচ্চা ফুটিয়ে ১দিনের বাচ্চা ৫শত ২/৩দিনের বাচ্চা প্রতি পিচ৭শত টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। এরই মধ্যে মাসুদ ২০টি বাচ্চার বিক্রি করেছে ও ২শত পিচ ডিম হ্যাচারিতে আছে। সঠিক ভাবে বাচ্চা গুলি ফুটলে লক্ষা ধিক টাকায় বিক্রি হবে এছাড়াও ৪ জোড়া মুরগি ৩৬ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে এর মধ্যে আরো ৪ জোড়া বিক্রি করবেন বলে জানান। তার ঘরের ছাদে সেড তৈরী ও বাচ্চা কেনা দিয়ে খরচ হয়েছে দেড় লক্ষ টাকা। প্রথম চালানেই তার সকল খরচ উঠে আসবে ও কিছু লাভ থাকবে বলে আশা করছেন। প্রতিটি মুরগি বছরে ১শ, থেকে ১শ ৩০টি ডিম দিয়ে থাকে। এই টার্কি মুরগি দেশি মুরগির মত পালন করা যায়। এরা পাতা জাতিয় খাবার খায় ফুল কফি,পাতা কফি, বেগুল আলু ঘাস কুচি কুচি করে কেটে দিলে খেয়ে থাকে ও ধানের কুড়া ভুট্টা ও খেয়ে থাকে। আবার পল্টি ফিড ও খেয়ে থাকে ফিড খাওয়ালে দ্রুত ওজন ও বাড়ে কিন্তু খরচ বেশি হয়। মুরগি মাংশ সাড়ে ৭শ থেকে ৮শত টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। এ থেকে মাসুদ খুব ভালো লাভবান হবে বলে আশা করছেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলেন, টার্কি মুরগি এখনো পাখি শ্রেণীর অন্তরর্ভুক্ত। রোগ-বালাই ও উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় এটি পালন করে সহজেই লাভবান হওয়া যায়।
আরো পড়ুন>

টার্কি পালন: অধিক লাভের হাতছানি | Turkey Murgi rearing In less time More profits


দেশের বেকারত্ব নিরসনে নতুন দিক উন্মোচন করতে যাচ্ছে টার্কি পালন। যেখানে বাংলাদেশে বেকারত্বের হার  ৪৬% সেখানে অল্প কিছু টাকা বিনিয়োগ করেই এক বছরের মধ্যেই দ্বিগুণ লাভের মুনাফা দেখতে পারছেন টার্কি খামারিরা। বাংলাদেশে টার্কি পালন নতুন হলেও অন্যান্য উন্নত দেশগুলোতে ব্যাপক হারে পালন করা হচ্ছে টার্কি। নতুন জন্ম নেয়া বাচ্চা কম সময়ের মধ্যে লালন পালন করেই মাত্র তিন মাসের মাথায় টার্কিগুলো দ্বিগুণের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি করে বেশ ভালো মুনাফা দেখতে পারছেন টার্কি খামারিরা।
অংশীদারির ভিত্তিতে ২০১৬ সালের মে মাসে রাজধানীর দক্ষিণ মাণ্ডা এলাকায় ১৩৩টি টার্কি মুরগি নিয়ে খামার গড়ে তুলেন সেলিম মিয়া। খামারের নাম দেন কাঁশবন অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেড। সেলিমের পাশাপাশি আছেন আরও তিনজন অংশীদার। জমি নির্ধারণ, টার্কি বাচ্চা কেনাসহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে সর্বমোট বিনিয়োগ করছেন প্রায় ৮০ লাখ টাকা। তিলে তিলে গড়ে উঠা এই খামারে এখন টার্কি মুরগির সংখ্যা তিন হাজারেরও বেশি। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর সপ্তাহজুড়ে বিক্রি করা হচ্ছে টার্কি।
কথা হয় কাঁশবন অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মো. আকরাম হোসেনের সাথে। তিনি ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমরা গত বছর ভারত থেকে মাত্র ১৩৩টি টার্কি মুরগি নিয়ে টার্কি খামার গড়ে তুলি। এরপর এই বাচ্চার সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৫০টি। তবে এখন পর্যন্ত ফার্মের মুরগির মতো একসঙ্গে দুই হাজার বা তার থেকেও বেশি বাচ্চা ফুটানোর মতো অবস্থা হয়নি টার্কির। আমি মনে করি টার্কি এখনো রাজখানার মধ্যে আছে। এটি এমন একটি মুরগি এটি কখনো ব্রয়লার কিংবা লেয়ার মুরগির মতো হবে না। তবে টার্কি যদি নিচের লেয়ারেও আসে তা একটা মানের মধ্যে থাকবে।’
টার্কির দরদাম
দামের ব্যাপারে আকরাম হোসেন  বলেন, ‘আমরা যখন গত বছর কিনে এনেছিলাম তখন এর আরও অনেক দাম ছিল। তবে এখন খামারের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে এর দাম কিছুটা হলেও কমছে। তবে এই মুহূর্তে দাম কিছুটা বেশি। বছরে বেশ কয়েকবার এর দাম উঠানামা করে। এটি মূলত হয় বাজারের চাহিদা অনুযায়ী। এখন ১৫ দিন বয়সের একজোড়া্ টার্কির দাম এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু। ৩০ দিনের বাচ্চার দাম তিন হাজার টাকা জোড়া। সাড়ে তিন মাস বয়সী জোড়া প্রতি টার্কি এখন পর্যন্ত নয় হাজার টাকায় বিক্রি করা সম্ভব। তবে এখন পূর্ণ বয়স্ক এক জোড়া টার্কি বিক্রি হচ্ছে ১৪ হাজার টাকায়। আর যেগুলো এখন ডিম পাড়ছে তাদের একটির দামই এখন ১০ হাজার টাকা।’
টার্কির উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি
অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় টার্কির উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি। প্রতি ২০ সপ্তাহ বয়স থেকে টার্কি ডিম পাড়া শুরু করে। একটি নির্দিষ্ট সময় পর ১০০টি ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার মাত্র ২৮ দিনের মাথায় ডিম ফুটে বাচ্চা বের হওয়া শুরু করে। এই ব্যাপারে ব্যবস্থাপক আকরাম হোসেন বলেন, ‘আমাদের এখানে সাধারণত ২৬ সপ্তাহ বয়স থেকে টার্কিগুলো ডিম দেয়া শুরু করে। প্রয়োজনীয় আলো বাতাসের ব্যবস্থা থাকায় বছরে একেকটি টার্কি ৯০টিরও বেশি ডিম দিয়ে থাকে। তবে বেশিরভাগ টার্কি বিকাল থেকে সন্ধ্যায় ডিম দেয়।’
আকরাম জানান, তার খামারে প্রায় সব জাতের টার্কি রয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ব্ল্যাক, রাঙ্গিন সেট, স্লেট, ব্রোঞ্জ, রয়েল পাম্প ইত্যাদি। এর মধ্যে রয়েল পাম্পের দাম সবচেয়ে বেশি। যা বিক্রি হচ্ছে জোড়াপ্রতি ২০ হাজার টাকা। এগুলো আকারে বেশ বড় হয়ে থাকে।
বাসায় পালনের ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপক জানান, ‘টার্কি এখনো ঘরে পালার মতো যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। বাসার বাইরে কিংবা ছাদে পালনের ক্ষেত্রে প্রথমে একটি শেড বানাতে হবে। শেডের ভেতরে নরম ফোম দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। শীতপ্রধান দেশগুলোতে এদের আদি জন্ম থাকায় এরা সহজে গরম সহ্য করতে পারে না। তাই ফোম দিলে গরম কিছুটা কম লাগবে। আর যে কাজটি বেশি গুরত্বের সাহায্যে করতে হবে তা হলো জীবাণুমুক্ত রাখা। এর পাশাপাশি খাদ্যের জন্য রাখতে হবে কলমি, হেলেঞ্চা, সরিষা, পালংকসহ বিভিন্ন ধরনের শাক। আর বাৎসরিকভাবে রোগ থেকে মুক্ত রাখার জন্য প্রথম আড়াই মাসে চারটি ভ্যাকসিন দিয়ে রাখতে হবে। ভ্যাকসিন না দিলেও এর রোগ বালাই সহজে আক্রান্ত করতে পারে না। অর্থাৎ এই ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করলেই বাসার বাইরে কিংবা ছাদে সহজেই টার্কি পালন করা যাবে।
অদুর ভবিষ্যতে বয়লার মোরুগের স্হান দখল করবে টার্কি, কিভাবে?
আমাদের দেশি ব্রিড টার্কি ৬ মাসে প্রায় ৬/৭ কেজি ওজন হয়। ৬ কেজি ৩৫০ টাকা দরে= ২১০০/- টাকা।
খরচঃ- বাচ্চা ক্রয় করেঃ
প্রথম তিন মাস খাবার কম খায়,
দ্বিতীয় তিন মাস বেশি খায়।
গড় হিসেবে দৈনিক ৩.৫০ টাকা,
খাবার -----৩.৫০*১৮০=৬৩০/-
ঔষধ------------------------=১৫০/-
বাচ্চা ১৫ দিন-- ---------=৩০০/-
লেবার ---------------------=১০০/-
----------------------------------------------
মোট------------------------=১১৮০/-
বাচ্চা না কিনলে=৮৮০/-
২১০০-১১৮০=৯২০/- লাভ।
কোন অনুষ্ঠানে বয়লার মোরুগ অনেকেই খেতে চাইনা, সেখানে টার্কি পারফেক্ট।
এখন দরকার প্রচার ও সচেতনতা।

দেশের বেকারত্ব নিরসনে নতুন দিক উন্মোচন করতে যাচ্ছে টার্কি পালন। যেখানে বাংলাদেশে বেকারত্বের হার  ৪৬% সেখানে অল্প কিছু টাকা বিনিয়োগ করেই এক বছরের মধ্যেই দ্বিগুণ লাভের মুনাফা দেখতে পারছেন টার্কি খামারিরা। বাংলাদেশে টার্কি পালন নতুন হলেও অন্যান্য উন্নত দেশগুলোতে ব্যাপক হারে পালন করা হচ্ছে টার্কি। নতুন জন্ম নেয়া বাচ্চা কম সময়ের মধ্যে লালন পালন করেই মাত্র তিন মাসের মাথায় টার্কিগুলো দ্বিগুণের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি করে বেশ ভালো মুনাফা দেখতে পারছেন টার্কি খামারিরা।
অংশীদারির ভিত্তিতে ২০১৬ সালের মে মাসে রাজধানীর দক্ষিণ মাণ্ডা এলাকায় ১৩৩টি টার্কি মুরগি নিয়ে খামার গড়ে তুলেন সেলিম মিয়া। খামারের নাম দেন কাঁশবন অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেড। সেলিমের পাশাপাশি আছেন আরও তিনজন অংশীদার। জমি নির্ধারণ, টার্কি বাচ্চা কেনাসহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে সর্বমোট বিনিয়োগ করছেন প্রায় ৮০ লাখ টাকা। তিলে তিলে গড়ে উঠা এই খামারে এখন টার্কি মুরগির সংখ্যা তিন হাজারেরও বেশি। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর সপ্তাহজুড়ে বিক্রি করা হচ্ছে টার্কি।
কথা হয় কাঁশবন অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মো. আকরাম হোসেনের সাথে। তিনি ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমরা গত বছর ভারত থেকে মাত্র ১৩৩টি টার্কি মুরগি নিয়ে টার্কি খামার গড়ে তুলি। এরপর এই বাচ্চার সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৫০টি। তবে এখন পর্যন্ত ফার্মের মুরগির মতো একসঙ্গে দুই হাজার বা তার থেকেও বেশি বাচ্চা ফুটানোর মতো অবস্থা হয়নি টার্কির। আমি মনে করি টার্কি এখনো রাজখানার মধ্যে আছে। এটি এমন একটি মুরগি এটি কখনো ব্রয়লার কিংবা লেয়ার মুরগির মতো হবে না। তবে টার্কি যদি নিচের লেয়ারেও আসে তা একটা মানের মধ্যে থাকবে।’
টার্কির দরদাম
দামের ব্যাপারে আকরাম হোসেন  বলেন, ‘আমরা যখন গত বছর কিনে এনেছিলাম তখন এর আরও অনেক দাম ছিল। তবে এখন খামারের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে এর দাম কিছুটা হলেও কমছে। তবে এই মুহূর্তে দাম কিছুটা বেশি। বছরে বেশ কয়েকবার এর দাম উঠানামা করে। এটি মূলত হয় বাজারের চাহিদা অনুযায়ী। এখন ১৫ দিন বয়সের একজোড়া্ টার্কির দাম এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু। ৩০ দিনের বাচ্চার দাম তিন হাজার টাকা জোড়া। সাড়ে তিন মাস বয়সী জোড়া প্রতি টার্কি এখন পর্যন্ত নয় হাজার টাকায় বিক্রি করা সম্ভব। তবে এখন পূর্ণ বয়স্ক এক জোড়া টার্কি বিক্রি হচ্ছে ১৪ হাজার টাকায়। আর যেগুলো এখন ডিম পাড়ছে তাদের একটির দামই এখন ১০ হাজার টাকা।’
টার্কির উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি
অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় টার্কির উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি। প্রতি ২০ সপ্তাহ বয়স থেকে টার্কি ডিম পাড়া শুরু করে। একটি নির্দিষ্ট সময় পর ১০০টি ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার মাত্র ২৮ দিনের মাথায় ডিম ফুটে বাচ্চা বের হওয়া শুরু করে। এই ব্যাপারে ব্যবস্থাপক আকরাম হোসেন বলেন, ‘আমাদের এখানে সাধারণত ২৬ সপ্তাহ বয়স থেকে টার্কিগুলো ডিম দেয়া শুরু করে। প্রয়োজনীয় আলো বাতাসের ব্যবস্থা থাকায় বছরে একেকটি টার্কি ৯০টিরও বেশি ডিম দিয়ে থাকে। তবে বেশিরভাগ টার্কি বিকাল থেকে সন্ধ্যায় ডিম দেয়।’
আকরাম জানান, তার খামারে প্রায় সব জাতের টার্কি রয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ব্ল্যাক, রাঙ্গিন সেট, স্লেট, ব্রোঞ্জ, রয়েল পাম্প ইত্যাদি। এর মধ্যে রয়েল পাম্পের দাম সবচেয়ে বেশি। যা বিক্রি হচ্ছে জোড়াপ্রতি ২০ হাজার টাকা। এগুলো আকারে বেশ বড় হয়ে থাকে।
বাসায় পালনের ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপক জানান, ‘টার্কি এখনো ঘরে পালার মতো যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। বাসার বাইরে কিংবা ছাদে পালনের ক্ষেত্রে প্রথমে একটি শেড বানাতে হবে। শেডের ভেতরে নরম ফোম দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। শীতপ্রধান দেশগুলোতে এদের আদি জন্ম থাকায় এরা সহজে গরম সহ্য করতে পারে না। তাই ফোম দিলে গরম কিছুটা কম লাগবে। আর যে কাজটি বেশি গুরত্বের সাহায্যে করতে হবে তা হলো জীবাণুমুক্ত রাখা। এর পাশাপাশি খাদ্যের জন্য রাখতে হবে কলমি, হেলেঞ্চা, সরিষা, পালংকসহ বিভিন্ন ধরনের শাক। আর বাৎসরিকভাবে রোগ থেকে মুক্ত রাখার জন্য প্রথম আড়াই মাসে চারটি ভ্যাকসিন দিয়ে রাখতে হবে। ভ্যাকসিন না দিলেও এর রোগ বালাই সহজে আক্রান্ত করতে পারে না। অর্থাৎ এই ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করলেই বাসার বাইরে কিংবা ছাদে সহজেই টার্কি পালন করা যাবে।
অদুর ভবিষ্যতে বয়লার মোরুগের স্হান দখল করবে টার্কি, কিভাবে?
আমাদের দেশি ব্রিড টার্কি ৬ মাসে প্রায় ৬/৭ কেজি ওজন হয়। ৬ কেজি ৩৫০ টাকা দরে= ২১০০/- টাকা।
খরচঃ- বাচ্চা ক্রয় করেঃ
প্রথম তিন মাস খাবার কম খায়,
দ্বিতীয় তিন মাস বেশি খায়।
গড় হিসেবে দৈনিক ৩.৫০ টাকা,
খাবার -----৩.৫০*১৮০=৬৩০/-
ঔষধ------------------------=১৫০/-
বাচ্চা ১৫ দিন-- ---------=৩০০/-
লেবার ---------------------=১০০/-
----------------------------------------------
মোট------------------------=১১৮০/-
বাচ্চা না কিনলে=৮৮০/-
২১০০-১১৮০=৯২০/- লাভ।
কোন অনুষ্ঠানে বয়লার মোরুগ অনেকেই খেতে চাইনা, সেখানে টার্কি পারফেক্ট।
এখন দরকার প্রচার ও সচেতনতা।
আরো পড়ুন>

উদীয়মান টার্কি মুরগি শিল্প ও কিছু ভাবনা | Rising turkey Hen industry and some ideas


বর্তমানে টার্কি শিল্পটা ৯৯% নতুন খামারিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, বাস্তবিক অর্থে টার্কি সম্পর্কে যাদের ধারণা খুবই সীমাবদ্ধ/ঝাপসা। বাংলাদেশে যেসব পুরাতন খামারি ভাইয়েরা আছেন তাদের বেশিরভাগই যে বিষয়টাকে এড়িয়ে যাচ্ছেন তা হলো অর্থনীতির ‘চাহিদা ও যোগান’ তত্ত্ব। টার্কি কোনো সাধারণ পণ্য নয়, এটি একটি কৃষিজ উৎপাদন যার চূড়ান্ত ভোক্তা হলো দেশের সাধারণ জনগণ। টার্কি শিল্পটা ৩টি ধাপে বিস্তার লাভ করেঃ
১। বড় খামারিদের কাছ থেকে ট্রেনিং/প্যারেন্ট স্টক (Parent Stock) নিয়ে নতুন খামারিরা খামার করেন।
২। পুরাতন ও নতুন খামারিরা তাদের খামারের টার্কি উৎপাদন বৃদ্ধি করেন।
৩। সর্বশেষে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো, ‘বাজারজাতকরণ’। অর্থাৎ, ভোক্তার হাতে টার্কির মাংস তুলে দেওয়া।
এই তৃতীয় ধাপটিই হলো সবচাইতে কঠিন এবং গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশে টার্কি শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে ভোক্তাদের ভেতর টার্কির মাংস খাওয়ার আগ্রহ তৈরি করতে হবে এবং এই বিষয়ে পুরাতন খামারিদেরই দায়িত্ব নিতে হবে। বাজারে টার্কির মাংসের চাহিদা বাড়াতে হবে এবং তার মূল্য ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার ভেতরে আনতে হবে। বাজারে যদি টার্কির মাংসের চাহিদাই না থাকে তাহলে খামারিরা তাদের টার্কি দিয়ে কি করবেন?
ছোট থেকেই একটা কথা শুনে আসছি তা হলো, “আমরা বাঙালিরা হুজুগের জাতি”। টার্কি সম্পর্কিত ফেসবুক গ্রুপে অনেকের পোস্ট দেখে অবাকও হই আবার হাসিও পায়। টার্কি সম্পর্কে যার কোনো অভিজ্ঞতাই নেই ওই ভাই ২০০/৩০০/৪০০ টার্কির বাচ্চা কিনে খামার শুরু করেছেন বা খামার করার পরিকল্পনা করছেন...!!! ওই ভাইদের কাছে আমার প্রশ্ন, খামার করার আগে আপনার নির্ধারিত ভোক্তা কারা, মানে আপনার পণ্য কাদের কাছে বিক্রি করবেন তা কি বিবেচনা করে দেখেছেন? যদি না করে থাকেন তাহলে এখন তো কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হতেই হবে, তাই না ভাই?
বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো Educated Unemployed Youth অর্থাৎ শিক্ষিত বেকার। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সামনে রেখে কিছু কিছু.........টার্কি নিয়ে বিভিন্ন চটকদার পোস্ট করে তাদের এই সেক্টরে ঢুকাচ্ছে। চটকদার পোস্টের কিছু উদাহরণ দিচ্ছিঃ
১। ৫/৭ লাখ টাকা খরচ করে বিদেশে না গিয়ে লাখ টাকা খরচ করে টার্কির খামার করুন এবং অল্পদিনে লাখপতি হয়ে যান।
২। হাইব্রিড/আমেরিকান টার্কি ৬-৭ মাসে ১০/১২ কেজি হয় এবং এক বছরে ১৫-২০ কেজি। যারা এই বিজ্ঞাপনগুলো দেন ওইসব খামারি ভাইদের কাছে আমার অনুরোধ, আমেরিকান/হাইব্রিড এর বিজ্ঞাপনের সঙ্গে এর সত্যতা প্রমাণের জন্য ইমপোর্ট লাইসেন্স বা কোনো বৈধ ডকুমেন্টের কপি পোস্ট করবেন।
৩। অল্প টাকায় টার্কি খামার করুন, অল্প সময়ে স্বাবলম্বী হোন ইত্যাদি ইত্যাদি।
আর ওইসব নিরীহ শিক্ষিত বেকার যুবকেরা না বুঝেই এই সেক্টরে ঝাঁপ দিচ্ছেন যার ফলাফল নিজের পণ্য বিক্রি না করতে পারার হতাশা। সবথেকে মূল বিষয় হলো, হাইব্রিডই হোক আর লোব্রিডই হোক যারা প্রচারণা চালাচ্ছেন তাদের ৯৯%ই কিন্তু নতুন খামারিদের পণ্য মার্কেটিং/বাজারজাতকরণের কোনো দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন না।
একটি বিষয় যা পুরাতন খামারি ভাইদের মনে রাখতে হবে, টার্কি শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে দেশের জনগণের কাছে টার্কির মাংস খাওয়ার আগ্রহ বৃদ্ধি করতে হবে এবং একইসঙ্গে টার্কির মাংসের দাম ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার সীমায় আনতে হবে। এটা যদি করতে না পারেন তাহলে আগামী ২/৩ বছরের ভেতর বাংলাদেশে শৌখিন টার্কিপালক ছাড়া আর কোনো খামারি থাকবে না। তাদের ভেতরে কিন্তু ভাই আপনিও আছেন......!!
যারা তাদের টার্কি বিক্রির জন্য বিভিন্ন চটকদার ইউটিউব ভিডিও ক্লিপ পোস্ট করছেন বা বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন তারা মাথার পেছনে একটা বিষয় মনে রাখবেন, এখন আপনার যে প্যারেন্ট স্টক (Parent Stock) আছে ২/৩ বছর পর ওগুলো যখন বাতিল হয়ে যাবে তখন আপনাকেও ওগুলো বাজারে মাংস হিসেবেই বিক্রি করতে হবে।
অতএব, এই টার্কি শিল্পের যদি বিস্তার ঘটাতেই হয় তাহলে কেবল নতুন খামারিদের চটকদার পোস্ট দিয়ে এই সেক্টরে না এনে, ‘বাজারে টার্কির মাংসের চাহিদা’ কি করে বৃদ্ধি করা যায় তা নিয়ে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। বাজারে চাহিদা থাকলে নতুন খামারি এমনিতেই সৃষ্টি হবে, তা কেউ চাক বা না চাক।

বর্তমানে টার্কি শিল্পটা ৯৯% নতুন খামারিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, বাস্তবিক অর্থে টার্কি সম্পর্কে যাদের ধারণা খুবই সীমাবদ্ধ/ঝাপসা। বাংলাদেশে যেসব পুরাতন খামারি ভাইয়েরা আছেন তাদের বেশিরভাগই যে বিষয়টাকে এড়িয়ে যাচ্ছেন তা হলো অর্থনীতির ‘চাহিদা ও যোগান’ তত্ত্ব। টার্কি কোনো সাধারণ পণ্য নয়, এটি একটি কৃষিজ উৎপাদন যার চূড়ান্ত ভোক্তা হলো দেশের সাধারণ জনগণ। টার্কি শিল্পটা ৩টি ধাপে বিস্তার লাভ করেঃ
১। বড় খামারিদের কাছ থেকে ট্রেনিং/প্যারেন্ট স্টক (Parent Stock) নিয়ে নতুন খামারিরা খামার করেন।
২। পুরাতন ও নতুন খামারিরা তাদের খামারের টার্কি উৎপাদন বৃদ্ধি করেন।
৩। সর্বশেষে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো, ‘বাজারজাতকরণ’। অর্থাৎ, ভোক্তার হাতে টার্কির মাংস তুলে দেওয়া।
এই তৃতীয় ধাপটিই হলো সবচাইতে কঠিন এবং গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশে টার্কি শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে ভোক্তাদের ভেতর টার্কির মাংস খাওয়ার আগ্রহ তৈরি করতে হবে এবং এই বিষয়ে পুরাতন খামারিদেরই দায়িত্ব নিতে হবে। বাজারে টার্কির মাংসের চাহিদা বাড়াতে হবে এবং তার মূল্য ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার ভেতরে আনতে হবে। বাজারে যদি টার্কির মাংসের চাহিদাই না থাকে তাহলে খামারিরা তাদের টার্কি দিয়ে কি করবেন?
ছোট থেকেই একটা কথা শুনে আসছি তা হলো, “আমরা বাঙালিরা হুজুগের জাতি”। টার্কি সম্পর্কিত ফেসবুক গ্রুপে অনেকের পোস্ট দেখে অবাকও হই আবার হাসিও পায়। টার্কি সম্পর্কে যার কোনো অভিজ্ঞতাই নেই ওই ভাই ২০০/৩০০/৪০০ টার্কির বাচ্চা কিনে খামার শুরু করেছেন বা খামার করার পরিকল্পনা করছেন...!!! ওই ভাইদের কাছে আমার প্রশ্ন, খামার করার আগে আপনার নির্ধারিত ভোক্তা কারা, মানে আপনার পণ্য কাদের কাছে বিক্রি করবেন তা কি বিবেচনা করে দেখেছেন? যদি না করে থাকেন তাহলে এখন তো কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হতেই হবে, তাই না ভাই?
বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো Educated Unemployed Youth অর্থাৎ শিক্ষিত বেকার। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সামনে রেখে কিছু কিছু.........টার্কি নিয়ে বিভিন্ন চটকদার পোস্ট করে তাদের এই সেক্টরে ঢুকাচ্ছে। চটকদার পোস্টের কিছু উদাহরণ দিচ্ছিঃ
১। ৫/৭ লাখ টাকা খরচ করে বিদেশে না গিয়ে লাখ টাকা খরচ করে টার্কির খামার করুন এবং অল্পদিনে লাখপতি হয়ে যান।
২। হাইব্রিড/আমেরিকান টার্কি ৬-৭ মাসে ১০/১২ কেজি হয় এবং এক বছরে ১৫-২০ কেজি। যারা এই বিজ্ঞাপনগুলো দেন ওইসব খামারি ভাইদের কাছে আমার অনুরোধ, আমেরিকান/হাইব্রিড এর বিজ্ঞাপনের সঙ্গে এর সত্যতা প্রমাণের জন্য ইমপোর্ট লাইসেন্স বা কোনো বৈধ ডকুমেন্টের কপি পোস্ট করবেন।
৩। অল্প টাকায় টার্কি খামার করুন, অল্প সময়ে স্বাবলম্বী হোন ইত্যাদি ইত্যাদি।
আর ওইসব নিরীহ শিক্ষিত বেকার যুবকেরা না বুঝেই এই সেক্টরে ঝাঁপ দিচ্ছেন যার ফলাফল নিজের পণ্য বিক্রি না করতে পারার হতাশা। সবথেকে মূল বিষয় হলো, হাইব্রিডই হোক আর লোব্রিডই হোক যারা প্রচারণা চালাচ্ছেন তাদের ৯৯%ই কিন্তু নতুন খামারিদের পণ্য মার্কেটিং/বাজারজাতকরণের কোনো দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন না।
একটি বিষয় যা পুরাতন খামারি ভাইদের মনে রাখতে হবে, টার্কি শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে দেশের জনগণের কাছে টার্কির মাংস খাওয়ার আগ্রহ বৃদ্ধি করতে হবে এবং একইসঙ্গে টার্কির মাংসের দাম ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার সীমায় আনতে হবে। এটা যদি করতে না পারেন তাহলে আগামী ২/৩ বছরের ভেতর বাংলাদেশে শৌখিন টার্কিপালক ছাড়া আর কোনো খামারি থাকবে না। তাদের ভেতরে কিন্তু ভাই আপনিও আছেন......!!
যারা তাদের টার্কি বিক্রির জন্য বিভিন্ন চটকদার ইউটিউব ভিডিও ক্লিপ পোস্ট করছেন বা বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন তারা মাথার পেছনে একটা বিষয় মনে রাখবেন, এখন আপনার যে প্যারেন্ট স্টক (Parent Stock) আছে ২/৩ বছর পর ওগুলো যখন বাতিল হয়ে যাবে তখন আপনাকেও ওগুলো বাজারে মাংস হিসেবেই বিক্রি করতে হবে।
অতএব, এই টার্কি শিল্পের যদি বিস্তার ঘটাতেই হয় তাহলে কেবল নতুন খামারিদের চটকদার পোস্ট দিয়ে এই সেক্টরে না এনে, ‘বাজারে টার্কির মাংসের চাহিদা’ কি করে বৃদ্ধি করা যায় তা নিয়ে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। বাজারে চাহিদা থাকলে নতুন খামারি এমনিতেই সৃষ্টি হবে, তা কেউ চাক বা না চাক।
আরো পড়ুন>

হাইব্রিড জাতের অামেরিকান টার্কি | Know hybrid Turkey Bird Details In Bangladesh


Hybrid Turkey Picture Credit: Google

টার্কি পাখির সৌন্দর্য বিচারে সবচেয়ে এগিয়ে ওসালেটা। তারপর যথাক্রমে বারবন রেড, সিলভার, স্লেট বা অ্যাশ কালার বা জাতের টার্কি। সাধারন টার্কি মুরগির মধ্যে রয়েল পাম, ব্লাক কিং, হোয়াইট হল্যান্ড, বেল্টসভিল স্মল হোয়াইট, পেনসিল রয়েল বা মিলি রয়েল ইত্যাদি। মাংশ উৎপাদনের জন্য টার্কির সবচেয়ে উন্নত জাত হচ্ছে ডাবল ব্রেস্টেড হোয়াইট। এরপর ব্রড ব্রেস্টেড ব্রোঞ্জ ও ব্রড ব্রেস্টেড হোয়াইট। বাংলাদেশে ওসালেটা ও ডাবল ব্রেস্টেড হোয়াইট টার্কি নাই। বাকিগুলো অনেকের কাছেই অাছে। এবার অাসি অাসল কথায় বাংলাদেশে যেসব টার্কি পাওয়া যায় তার ৯৯.৯৯% এর পূর্ব পুরুষ ইন্ডিয়া হতে অাসা। অামি বলছিনা ইন্ডিয়ান টার্কি খারাপ। টার্কি সেক্টরে তারা অামাদের চেয়ে কয়েক যুগ এগিয়ে। বাংলাদেশের ফার্মাররা সঠিক ব্রীডিং পলিসি মেইনটেইন করেনা তাই সব ব্রীডই তার নিজস্ব স্বকীয়তা হারিয়েছে। ইদানীংকালে কারো কারো কাছে হাইব্রীড বা উচ্চ মাংশ উৎপাদনক্ষম জাত ব্রড ব্রেস্টেড ব্রোঞ্জ ও হোয়াইট থাকলেও সেগুলো বাংলাদেশের অাবহাওয়া ও পরিবেশে কতটুকু উৎপাদনক্ষম তা এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি। টার্কির অাদীনিবাস তুরষ্ক হলেও টার্কি মুলত ডেভেলপ বা গৃহেপালণ উপযোগী করে গড়ে তোলে অামেরিকা। সে হিসাবে বলা চলে সব টার্কিই অামেরিকান। বিঃদ্রঃ অনেকেই অামেরিকান জাত বলে মার্কেটিং করে থাকে। অাসলে অামেরিকান জাত বলে কোন জাত টার্কির নেই। এটা হতে পারে তাদের অজ্ঞতা বা অাইওয়াস টাইপ মার্কেটিং পলিসি।

Hybrid Turkey Picture Credit: Google

টার্কি পাখির সৌন্দর্য বিচারে সবচেয়ে এগিয়ে ওসালেটা। তারপর যথাক্রমে বারবন রেড, সিলভার, স্লেট বা অ্যাশ কালার বা জাতের টার্কি। সাধারন টার্কি মুরগির মধ্যে রয়েল পাম, ব্লাক কিং, হোয়াইট হল্যান্ড, বেল্টসভিল স্মল হোয়াইট, পেনসিল রয়েল বা মিলি রয়েল ইত্যাদি। মাংশ উৎপাদনের জন্য টার্কির সবচেয়ে উন্নত জাত হচ্ছে ডাবল ব্রেস্টেড হোয়াইট। এরপর ব্রড ব্রেস্টেড ব্রোঞ্জ ও ব্রড ব্রেস্টেড হোয়াইট। বাংলাদেশে ওসালেটা ও ডাবল ব্রেস্টেড হোয়াইট টার্কি নাই। বাকিগুলো অনেকের কাছেই অাছে। এবার অাসি অাসল কথায় বাংলাদেশে যেসব টার্কি পাওয়া যায় তার ৯৯.৯৯% এর পূর্ব পুরুষ ইন্ডিয়া হতে অাসা। অামি বলছিনা ইন্ডিয়ান টার্কি খারাপ। টার্কি সেক্টরে তারা অামাদের চেয়ে কয়েক যুগ এগিয়ে। বাংলাদেশের ফার্মাররা সঠিক ব্রীডিং পলিসি মেইনটেইন করেনা তাই সব ব্রীডই তার নিজস্ব স্বকীয়তা হারিয়েছে। ইদানীংকালে কারো কারো কাছে হাইব্রীড বা উচ্চ মাংশ উৎপাদনক্ষম জাত ব্রড ব্রেস্টেড ব্রোঞ্জ ও হোয়াইট থাকলেও সেগুলো বাংলাদেশের অাবহাওয়া ও পরিবেশে কতটুকু উৎপাদনক্ষম তা এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি। টার্কির অাদীনিবাস তুরষ্ক হলেও টার্কি মুলত ডেভেলপ বা গৃহেপালণ উপযোগী করে গড়ে তোলে অামেরিকা। সে হিসাবে বলা চলে সব টার্কিই অামেরিকান। বিঃদ্রঃ অনেকেই অামেরিকান জাত বলে মার্কেটিং করে থাকে। অাসলে অামেরিকান জাত বলে কোন জাত টার্কির নেই। এটা হতে পারে তাদের অজ্ঞতা বা অাইওয়াস টাইপ মার্কেটিং পলিসি।
আরো পড়ুন>