Latest Products
Showing posts with label টার্কির খামার. Show all posts
Showing posts with label টার্কির খামার. Show all posts

টার্কি মুরগি পালন পদ্ধতি | Turkey Hen rearing Methord


আমাদের দেশে প্রাণীজ আমিষের অভাব খুবই প্রকট। আমিষের এ অভাব মেটাতে টার্কি মুরগি পালনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান বিশেষ জরুরী। নির্দিস্ট পুঁজি বিনিয়োগ করে সাম্প্রতিক সময়ে টার্কি মুরগি পালন একটি লাভজনক ও সম্ভাবনাময় কৃষি শিল্প হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সঠিক পরিকল্পনায় টার্কি মুরগি খামার স্থাপনের মাধ্যমে টার্কি মুরগি পালনকে লাভজনক করে তোলা যায়।
টার্কি মুরগি খামার দু’ধরনের হতে পারে। যেমন-পারিবারিক টার্কি মুরগি খামার ও বাণিজ্যিক টার্কি মুরগি খামার। পারিবারিক টার্কি মুরগি খামারে অল্পসংখ্যক টার্কি মুরগি পালন করে সে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে বাণিজ্যিক টার্কি মুরগি খামার গড়ে তোলা যায়। উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ওপর ভিত্তি করে টার্কি মুরগির খামার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। মাংস উৎপাদনের জন্য টার্কি মুরগি পালন করলে একে বলা হয় ব্রয়লার খামার। আবার ডিম উৎপাদনের জন্য খামার করলে একে বলা হয় লেয়ার খামার। তবে যে খামারই স্থাপন করা হোক না কেন তা লাভজনক করতে চাইলে প্রয়োজন সুষ্ঠু পরিকল্পনা, বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনা ও সঠিক পরিচালনা।
টার্কি পালন পদ্ধতি তিন প্রকার
১) ছাড়া পদ্ধতি
২) অর্ধছাড়া পদ্ধতি
৩) আবদ্ধ পদ্ধতি
১) ছাড়া পদ্ধতি:
এ পদ্ধতিতে টার্কির রাত্রি যাপনের একটি ঘরের প্রয়োজন হয়। সকালে টার্কির ঘর খুলে সামান্য কিছু খাবার দিতে হয় তারপর টার্কি চড়তে চলে যায়। সন্ধ্যায় টার্কি নিজেই ঘরে উঠে। অনেক সময় ঘরে আসার অভ্যাস তৈরি করার জণ্য সন্ধ্যায় সামান্য খাবার দেয়া হয়।
সুবিধাঃ
তেমন যত্নের প্রয়োজন নেই, পরিবারের যে কোন সদস্য এ কাজ করতে পারে।
টার্কি নিজেই খাবার কুড়িয়ে খায় তাই খাদ্য খরচ খুবই কম।
এদের মাংস সুস্বাদু এবং বাজারে এ জাতীয় টার্কির চাহিাদা বেশী
পর্যাপ্ত সবুজ খাদ্য এবং সূর্যকিরন পায় এতে টার্কির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও স্বাস্থ্য ভাল থাকে।
অসুবিধাঃ
বেশী জায়গার প্রয়োজন হয়।
যেখানে সেখানে মল ত্যাগ করে বাড়ি নোংড়া করে।
অনেক সময় ডিম হারিয়ে যায়।
বন্য প্রানী টার্কি ধরে নিয়ে যায়।
২) অর্ধছাড়া পদ্ধতি:
এ পদ্ধতিতে টার্কি একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে সারাদিন ছাড়া অবস্থায় থাকে। দিনের বেলা টার্কির ঘর সংলগ্ন তারজালী বা বাশের বেড়ার তৈরি রানে থাকে। ৬ মিটার লম্বা ৩ মিটার চওড়া এবং ২.৬ মিটার উচু ঘর সংলগ্ন ২ মিটার উঁচু তারের জাল বা বাশের বেড়া দিয়ে রান তৈরি করে ১০০ – ১৫০ টি টার্কি পালন করা যায়। খাদ্য ও পানির পাত্র ঘরের মধ্যে অথবা রানের মধ্যে দেওয়া হয়। সন্ধ্যার সাথে সাথে টার্কি ঘরে আশ্রয় নেয়। সপ্তাহে ৩-৪ দিন রান ঝাড়– দেওয়া এবং জীবানুনাশক যেমন চুন বা ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দেওয়া উত্তম।
সুবিধাঃ
টার্কি দিনের বেলা রানের মধ্যে থাকে বিধায় প্রচুর আলো বাতাস পায় এতে স্বাস্থ্য ভাল থাকে।
খাদ্য ও পানি দিতে সুবিধা
রানে আবদ্ধ থাকে ফলে অন্যের ফসল নষ্ট করতে পারেনা, বাড়তি জায়গা নোংড়া করতে পারেনা
রোগাক্রান্ত বা অসুস্থ টার্কির সংস্পর্শে আশতে পারেনা ফলে রোগ বালাই কম হয়
টার্কি হারানোর সম্ভাবনা থাকেনা
অসুবিধাঃ
ঘর ও রান তৈরির জন্য বেশী জয়গার প্রয়োজন
রান তৈরিতে বাড়তি খরচ হয়
পরিচর্যার খরচ তুলনামূলক বেশী
৩) আবদ্ধ পদ্ধতি: আবদ্ধ পদ্ধতি আবার তিন প্রকার-
ক) লিটার পদ্ধতি
খ) মাচা পদ্ধতি
গ) খাঁচা পদ্ধতি
৩ক) লিটার পদ্ধতি: এ পদ্ধতিতে ঘরের মেঝের উপর লিটার ব্যবহার করে টার্কি পালন করা হয়ে থাকে
সুবিধাঃ
টার্কির জন্য আরামদায়ক
নির্মান খরচ কম
প্রজননের জন্য সুবিধা
ব্রয়লারের জন্য সুবিধাজনক
অসুবিধাঃ
বেশী পরিমানে ডিম ভাংগে
জায়গা বেশী প্রয়োজন
কুজে হওয়ার সম্ভাবনা বেশী
অনেক সময় টার্কি ডিম খেয়ে ফেলে
৩খ) মাচা পদ্ধতি: এ পদ্ধতিতে মাটি থেকে ৩-৪ ফুট উচ্চতায় বাঁশ, কাঠ, তার, লোহা ইত্যাদি দিয়ে মাচা তৈরি করে পালন করা হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ০.৫ ইঞ্চি দূরে দূরে বাঁশ বা কাঠ স্থাপন করতে হয়। পুলেটের ক্ষেত্রে ৪ সপ্তাহ এবং ব্রয়লারের ক্ষেত্রে ২ সপ্তাহের পর মাচায় লিটার দিতে হয়না।
সুবিধাঃ
রোগব্যাধি কম হয়
অল্পস্থানে বেশী টার্কি পালন করা যায়
কম পরিমানে লিটার লিটার প্রয়োজন হয়
টার্কির বিষ্ঠা মাছের খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করা যায়
অসুবিধাঃ
নির্মান খরচ বেশী
ডিম ভাঙ্গার সম্ভাবনা থাকে
প্রজননে অসুবিধা হয়
বিষ্ঠা পরিস্কার করতে অসুবিধা হয়
৩গ) খাঁচা পদ্ধতি: খাঁচায় টার্কি পালন আজকাল বেশ জনপ্রিয়। বাসা বাড়িতে এবং বড় বড় বানিজ্যিক খমারে ডিম উৎপাদনের জন্য খাঁচায় টার্কি পালন করা হয়। এতে খাবার এবং পানির পাত্র খাচার সাথে সংলগ্ন থাকে। খাঁচার সামনের বর্ধিত ঢালু অংশে খাঁচায় পাড়া ডিম সাথে সাথে গড়িয়ে এসে জমা হয়। এছাড়া খাঁচার মেঝ তারজালির তৈরি হওয়ায় বিষ্ঠা সহজেই নিচে পড়ে যায়। এ পদ্ধতিতে প্রতিটি টার্কি দাড়ানোর জন্য ০.৫-০.৮ বর্গফুট জায়গার প্রয়োজন হয়।
সুবিধাঃ
অল্পস্থানে অধিক টার্কি পালন করা যায়
পরিচর্যা সহজ
অসুস্থ বা অনুৎপাদনশীল টার্কি সহজে বাছাই/ছাটাই করা যায়
শ্রমিক খরচ কম
খাদ্য অপচয় কম


টার্কি মুরগি পালন, টার্কি দাম, টার্কি মুরগির রোগ, টার্কি মুরগির খামার, টার্কি বাচ্চার দাম, টার্কি মুরগি পালন পদ্ধতি pdf, টার্কি মুরগির খাবার, টার্কি মুরগির দাম, টার্কি মুরগির চিকিৎসা

আমাদের দেশে প্রাণীজ আমিষের অভাব খুবই প্রকট। আমিষের এ অভাব মেটাতে টার্কি মুরগি পালনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান বিশেষ জরুরী। নির্দিস্ট পুঁজি বিনিয়োগ করে সাম্প্রতিক সময়ে টার্কি মুরগি পালন একটি লাভজনক ও সম্ভাবনাময় কৃষি শিল্প হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সঠিক পরিকল্পনায় টার্কি মুরগি খামার স্থাপনের মাধ্যমে টার্কি মুরগি পালনকে লাভজনক করে তোলা যায়।
টার্কি মুরগি খামার দু’ধরনের হতে পারে। যেমন-পারিবারিক টার্কি মুরগি খামার ও বাণিজ্যিক টার্কি মুরগি খামার। পারিবারিক টার্কি মুরগি খামারে অল্পসংখ্যক টার্কি মুরগি পালন করে সে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে বাণিজ্যিক টার্কি মুরগি খামার গড়ে তোলা যায়। উৎপাদনের উদ্দেশ্যের ওপর ভিত্তি করে টার্কি মুরগির খামার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। মাংস উৎপাদনের জন্য টার্কি মুরগি পালন করলে একে বলা হয় ব্রয়লার খামার। আবার ডিম উৎপাদনের জন্য খামার করলে একে বলা হয় লেয়ার খামার। তবে যে খামারই স্থাপন করা হোক না কেন তা লাভজনক করতে চাইলে প্রয়োজন সুষ্ঠু পরিকল্পনা, বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনা ও সঠিক পরিচালনা।
টার্কি পালন পদ্ধতি তিন প্রকার
১) ছাড়া পদ্ধতি
২) অর্ধছাড়া পদ্ধতি
৩) আবদ্ধ পদ্ধতি
১) ছাড়া পদ্ধতি:
এ পদ্ধতিতে টার্কির রাত্রি যাপনের একটি ঘরের প্রয়োজন হয়। সকালে টার্কির ঘর খুলে সামান্য কিছু খাবার দিতে হয় তারপর টার্কি চড়তে চলে যায়। সন্ধ্যায় টার্কি নিজেই ঘরে উঠে। অনেক সময় ঘরে আসার অভ্যাস তৈরি করার জণ্য সন্ধ্যায় সামান্য খাবার দেয়া হয়।
সুবিধাঃ
তেমন যত্নের প্রয়োজন নেই, পরিবারের যে কোন সদস্য এ কাজ করতে পারে।
টার্কি নিজেই খাবার কুড়িয়ে খায় তাই খাদ্য খরচ খুবই কম।
এদের মাংস সুস্বাদু এবং বাজারে এ জাতীয় টার্কির চাহিাদা বেশী
পর্যাপ্ত সবুজ খাদ্য এবং সূর্যকিরন পায় এতে টার্কির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও স্বাস্থ্য ভাল থাকে।
অসুবিধাঃ
বেশী জায়গার প্রয়োজন হয়।
যেখানে সেখানে মল ত্যাগ করে বাড়ি নোংড়া করে।
অনেক সময় ডিম হারিয়ে যায়।
বন্য প্রানী টার্কি ধরে নিয়ে যায়।
২) অর্ধছাড়া পদ্ধতি:
এ পদ্ধতিতে টার্কি একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে সারাদিন ছাড়া অবস্থায় থাকে। দিনের বেলা টার্কির ঘর সংলগ্ন তারজালী বা বাশের বেড়ার তৈরি রানে থাকে। ৬ মিটার লম্বা ৩ মিটার চওড়া এবং ২.৬ মিটার উচু ঘর সংলগ্ন ২ মিটার উঁচু তারের জাল বা বাশের বেড়া দিয়ে রান তৈরি করে ১০০ – ১৫০ টি টার্কি পালন করা যায়। খাদ্য ও পানির পাত্র ঘরের মধ্যে অথবা রানের মধ্যে দেওয়া হয়। সন্ধ্যার সাথে সাথে টার্কি ঘরে আশ্রয় নেয়। সপ্তাহে ৩-৪ দিন রান ঝাড়– দেওয়া এবং জীবানুনাশক যেমন চুন বা ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দেওয়া উত্তম।
সুবিধাঃ
টার্কি দিনের বেলা রানের মধ্যে থাকে বিধায় প্রচুর আলো বাতাস পায় এতে স্বাস্থ্য ভাল থাকে।
খাদ্য ও পানি দিতে সুবিধা
রানে আবদ্ধ থাকে ফলে অন্যের ফসল নষ্ট করতে পারেনা, বাড়তি জায়গা নোংড়া করতে পারেনা
রোগাক্রান্ত বা অসুস্থ টার্কির সংস্পর্শে আশতে পারেনা ফলে রোগ বালাই কম হয়
টার্কি হারানোর সম্ভাবনা থাকেনা
অসুবিধাঃ
ঘর ও রান তৈরির জন্য বেশী জয়গার প্রয়োজন
রান তৈরিতে বাড়তি খরচ হয়
পরিচর্যার খরচ তুলনামূলক বেশী
৩) আবদ্ধ পদ্ধতি: আবদ্ধ পদ্ধতি আবার তিন প্রকার-
ক) লিটার পদ্ধতি
খ) মাচা পদ্ধতি
গ) খাঁচা পদ্ধতি
৩ক) লিটার পদ্ধতি: এ পদ্ধতিতে ঘরের মেঝের উপর লিটার ব্যবহার করে টার্কি পালন করা হয়ে থাকে
সুবিধাঃ
টার্কির জন্য আরামদায়ক
নির্মান খরচ কম
প্রজননের জন্য সুবিধা
ব্রয়লারের জন্য সুবিধাজনক
অসুবিধাঃ
বেশী পরিমানে ডিম ভাংগে
জায়গা বেশী প্রয়োজন
কুজে হওয়ার সম্ভাবনা বেশী
অনেক সময় টার্কি ডিম খেয়ে ফেলে
৩খ) মাচা পদ্ধতি: এ পদ্ধতিতে মাটি থেকে ৩-৪ ফুট উচ্চতায় বাঁশ, কাঠ, তার, লোহা ইত্যাদি দিয়ে মাচা তৈরি করে পালন করা হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ০.৫ ইঞ্চি দূরে দূরে বাঁশ বা কাঠ স্থাপন করতে হয়। পুলেটের ক্ষেত্রে ৪ সপ্তাহ এবং ব্রয়লারের ক্ষেত্রে ২ সপ্তাহের পর মাচায় লিটার দিতে হয়না।
সুবিধাঃ
রোগব্যাধি কম হয়
অল্পস্থানে বেশী টার্কি পালন করা যায়
কম পরিমানে লিটার লিটার প্রয়োজন হয়
টার্কির বিষ্ঠা মাছের খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করা যায়
অসুবিধাঃ
নির্মান খরচ বেশী
ডিম ভাঙ্গার সম্ভাবনা থাকে
প্রজননে অসুবিধা হয়
বিষ্ঠা পরিস্কার করতে অসুবিধা হয়
৩গ) খাঁচা পদ্ধতি: খাঁচায় টার্কি পালন আজকাল বেশ জনপ্রিয়। বাসা বাড়িতে এবং বড় বড় বানিজ্যিক খমারে ডিম উৎপাদনের জন্য খাঁচায় টার্কি পালন করা হয়। এতে খাবার এবং পানির পাত্র খাচার সাথে সংলগ্ন থাকে। খাঁচার সামনের বর্ধিত ঢালু অংশে খাঁচায় পাড়া ডিম সাথে সাথে গড়িয়ে এসে জমা হয়। এছাড়া খাঁচার মেঝ তারজালির তৈরি হওয়ায় বিষ্ঠা সহজেই নিচে পড়ে যায়। এ পদ্ধতিতে প্রতিটি টার্কি দাড়ানোর জন্য ০.৫-০.৮ বর্গফুট জায়গার প্রয়োজন হয়।
সুবিধাঃ
অল্পস্থানে অধিক টার্কি পালন করা যায়
পরিচর্যা সহজ
অসুস্থ বা অনুৎপাদনশীল টার্কি সহজে বাছাই/ছাটাই করা যায়
শ্রমিক খরচ কম
খাদ্য অপচয় কম


টার্কি মুরগি পালন, টার্কি দাম, টার্কি মুরগির রোগ, টার্কি মুরগির খামার, টার্কি বাচ্চার দাম, টার্কি মুরগি পালন পদ্ধতি pdf, টার্কি মুরগির খাবার, টার্কি মুরগির দাম, টার্কি মুরগির চিকিৎসা
আরো পড়ুন>

বেকারত্ব বনাম টার্কি মুরগী খামার | Unemployment vs Turkey Hen farm



যারা বেকার বসে আছেন আপনাদেরকেই বলছি প্রতিদিন কোনোনা কোনো ভাবে আপনি সমাজের কাছে লাঞ্চিত হচ্ছেন..
এই দেশের সমাজ ব্যাবস্থা এমন যে কাওকে ভালো পরামর্শ তো দুরের কথা ভালো কাজে উতসাহ দিতেও পারেনা.।
এই ধরুন আপনি একটা টার্কি খামার করতে চান তখন আপনার আসে পাসের লোকজন আপনাকে বিভিন্ন ভাবে নিরুতসাহিত করবে।
লান্সনার সিকাড় হতেও হবে আপনাকে আবার বেকার বসে আছেন তখনো আপনাকে অবজ্ঞা করবেই।
বাংগালীরা আর কিছু না পারলেও আপনি জত্তদিন বেকার থাকবেন ততদিন আপনার সমাজে দাম কানাকড়ি ও দিবেনা, আবার সোনার হরীণ হাতে পেয়ে গেলে আপনাকে মাথায় তুলে নাচবে এটাই স্বভাব। পিছু লোকে কিছু বলে।
"টার্কি খামার এবং মানুষের তাচ্ছিল্যতা"
টার্কি খামার যখন থেকে শুরু করব ভাবলাম, তখন থেকেই মনে প্রানে একটাই, চাওয়া টার্কি খামার করব।
শুরু হল টার্কি খামারীদের বাড়িতে বাড়িতে রাত বিরাত ছুটাছুটি, তবে হা বুকে হাত রেখে বলছি টার্কি পেলে কখনো কোটিপতি বা লাখ পতি হবার স্বপ্নে বিভোর ছিলাম না।
তবে বুঝতে পারতাম যে এটার বাজার সম্ভবনা।
স্বপ্নের খামার গড়ার জন্য বিদেশ যাওয়ার জন্য জমাকরা টাকা থেকেই বানালাম সেড কিনলাম ১মাসের ১০০পিস বাচ্চা।
মনে হয়েছিলো বিদেশে গিয়ে কি হবে কি কাজ করবো আমি? তাহলে কি দেশের প্রতি কোনদিন কোন দায় নিতে পারব না??
বহু কাঠ খড় পেরিয়ে তৈরী করে ফেললাম স্বপ্নের টার্কি খামর।
( তবে হুজুগে নয়,, সব ব্যাপারে নিজের সাধ্যমত জেনে, নিজের আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তা নিয়ে ) কিন্তু পতিজ্ঞা বদ্ধ ছিলাম সব কিছুর সাথে মানিয়ে নিব, এবং ভালোবেসে টার্কির খামার করে নিজেকে খামারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করব।সব ত্যাগ করে নিজেকে খামারী হিসেবে স্টাবলিশ করব মনস্থির করলাম।
খামার প্রতিস্থাপন করার পর,
গ্রামের পাড়ায়, পাড়ায় আনাচে কানাচে, চায়ের দোকানে কানাঘুচা চলতে থাকল
অমুকের ছেলে দেখি, লেখা পড়া করল
এখন চাকুরী না নিয়া, গ্রামে মুরগী পালে? তাও জংলী মুরগী।
মহিলারা বলতে শুরু করল, এই মুরগী না আইনা ফারমের মুরগী (ব্রয়লার) পাললে ও আমরা নিয়া দু একটা কিনে খাইতাম।
এত্ত ট্যাকা দিয়া কি মানুষ এমুন জংলী মুরগী খাইবো??? গ্রামের অধিকাংশ মুরুব্বিদের মুখে জখন শুনতাম এগুলো শকুন/শকুনের সাথে ক্রস করা তখনো একেকবার বুকটা হু হু করে কেঁদেছে বহুবার..
এভাবে নানা ভাবে নানা জনের তাচ্ছিল্য সহ্য করতাম।
এক সময় শুরু হল নিজের ভালবাসার টার্কি গুলার পোডাক্শান।
যখন বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাচ্চা, টার্কির মাংশের জন্য মোরগ নিতে ঝাকে ঝাকে মানুষ এসে আমাকে ভালোবাসা দিতে শুরু করল
তখন সেদিনের সেই তাচ্ছিল্য করা মানুষ গুলাই এখন প্রতিনিয়ত জানতে চায়
কবে তার ছেলে, জামাই, এবং তাদের বাড়িতে একটা টার্কি ফার্ম গড়ে তুলতে কবে সাহায্য করব?
এভাবেই শত ব্যস্ততার মধ্যেই খামরীদের ভালোবাসা নিয়ে যতটুকু পারি গড়িয়ে দিচ্ছি তাদের স্বপ্নের টার্কি ফার্ম।
গড়িয়ে উঠছে অসংখ্য টার্কি খামার।
>>টার্কি শুধু একটা পাখি ই না
>> টার্কি খামার বাংলাদের মানুষের স্বপ্ন এবং ভালোবাসার জায়গা।
বিঃদ্রঃ ( টার্কি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়
দেখি এখনও প্রায় তাচ্ছিল্য করে
বেড়ায় কিছু অতি নগন্য আর কিছু
নিচুশ্রেনীর মানুষ।
ব্যাপার না সব ভালোবাসার বিপরীতে
কিছু ভিলেন থাকে, তবে জয় হয়
শেষ পর্যন্ত ভালোবাসারই।
"আমরা শুরু করেছি আপনিও এগিয়ে আসুন। যারা বেকার বসে আছেন, যারা নতুন কিছু শুরু করতে চান, পোল্ট্রি ব্যবসা করে যারা লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন এবং আপনার স্থাপনা এখন কোন কাজে আসছে না?
প্রবাসী ভাইয়েরা দেশে ফিরে লাভজনক কিছু একটা করবেন ভাবছেন?
যারা কম ঝামেলা পূর্ণ কাজ পছন্দ করেন এবং ভালো আয়ের উৎস খুজছেন। যারা অল্প পুঁজি এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা খুজছেন, টার্কির খামার তাদের জন্য আদর্শের।"
বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভাবে টার্কি পালন / ব্যবসা থেকে ভালো মুনাফা অর্জনের উজ্জল সম্ভবনা রয়েছে।
একটুখানি সচেতনতা, সরকারী সদিচ্ছা এবং ক্রেতা-বিক্রেতার পারস্পরিক অংশ গ্রহনে এই টার্কিই হয়ে উঠতে পারে আত্নকর্মসংস্থানের মাধ্যম, নিরাপদ ও সহজলভ্য মাংসের যোগান, সর্বোপরি ব্যপক উৎপাদনের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উপযোগী সব বয়সী বাচ্চা ও এডাল টার্কি বিক্রয় চলছে।


যারা বেকার বসে আছেন আপনাদেরকেই বলছি প্রতিদিন কোনোনা কোনো ভাবে আপনি সমাজের কাছে লাঞ্চিত হচ্ছেন..
এই দেশের সমাজ ব্যাবস্থা এমন যে কাওকে ভালো পরামর্শ তো দুরের কথা ভালো কাজে উতসাহ দিতেও পারেনা.।
এই ধরুন আপনি একটা টার্কি খামার করতে চান তখন আপনার আসে পাসের লোকজন আপনাকে বিভিন্ন ভাবে নিরুতসাহিত করবে।
লান্সনার সিকাড় হতেও হবে আপনাকে আবার বেকার বসে আছেন তখনো আপনাকে অবজ্ঞা করবেই।
বাংগালীরা আর কিছু না পারলেও আপনি জত্তদিন বেকার থাকবেন ততদিন আপনার সমাজে দাম কানাকড়ি ও দিবেনা, আবার সোনার হরীণ হাতে পেয়ে গেলে আপনাকে মাথায় তুলে নাচবে এটাই স্বভাব। পিছু লোকে কিছু বলে।
"টার্কি খামার এবং মানুষের তাচ্ছিল্যতা"
টার্কি খামার যখন থেকে শুরু করব ভাবলাম, তখন থেকেই মনে প্রানে একটাই, চাওয়া টার্কি খামার করব।
শুরু হল টার্কি খামারীদের বাড়িতে বাড়িতে রাত বিরাত ছুটাছুটি, তবে হা বুকে হাত রেখে বলছি টার্কি পেলে কখনো কোটিপতি বা লাখ পতি হবার স্বপ্নে বিভোর ছিলাম না।
তবে বুঝতে পারতাম যে এটার বাজার সম্ভবনা।
স্বপ্নের খামার গড়ার জন্য বিদেশ যাওয়ার জন্য জমাকরা টাকা থেকেই বানালাম সেড কিনলাম ১মাসের ১০০পিস বাচ্চা।
মনে হয়েছিলো বিদেশে গিয়ে কি হবে কি কাজ করবো আমি? তাহলে কি দেশের প্রতি কোনদিন কোন দায় নিতে পারব না??
বহু কাঠ খড় পেরিয়ে তৈরী করে ফেললাম স্বপ্নের টার্কি খামর।
( তবে হুজুগে নয়,, সব ব্যাপারে নিজের সাধ্যমত জেনে, নিজের আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তা নিয়ে ) কিন্তু পতিজ্ঞা বদ্ধ ছিলাম সব কিছুর সাথে মানিয়ে নিব, এবং ভালোবেসে টার্কির খামার করে নিজেকে খামারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করব।সব ত্যাগ করে নিজেকে খামারী হিসেবে স্টাবলিশ করব মনস্থির করলাম।
খামার প্রতিস্থাপন করার পর,
গ্রামের পাড়ায়, পাড়ায় আনাচে কানাচে, চায়ের দোকানে কানাঘুচা চলতে থাকল
অমুকের ছেলে দেখি, লেখা পড়া করল
এখন চাকুরী না নিয়া, গ্রামে মুরগী পালে? তাও জংলী মুরগী।
মহিলারা বলতে শুরু করল, এই মুরগী না আইনা ফারমের মুরগী (ব্রয়লার) পাললে ও আমরা নিয়া দু একটা কিনে খাইতাম।
এত্ত ট্যাকা দিয়া কি মানুষ এমুন জংলী মুরগী খাইবো??? গ্রামের অধিকাংশ মুরুব্বিদের মুখে জখন শুনতাম এগুলো শকুন/শকুনের সাথে ক্রস করা তখনো একেকবার বুকটা হু হু করে কেঁদেছে বহুবার..
এভাবে নানা ভাবে নানা জনের তাচ্ছিল্য সহ্য করতাম।
এক সময় শুরু হল নিজের ভালবাসার টার্কি গুলার পোডাক্শান।
যখন বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাচ্চা, টার্কির মাংশের জন্য মোরগ নিতে ঝাকে ঝাকে মানুষ এসে আমাকে ভালোবাসা দিতে শুরু করল
তখন সেদিনের সেই তাচ্ছিল্য করা মানুষ গুলাই এখন প্রতিনিয়ত জানতে চায়
কবে তার ছেলে, জামাই, এবং তাদের বাড়িতে একটা টার্কি ফার্ম গড়ে তুলতে কবে সাহায্য করব?
এভাবেই শত ব্যস্ততার মধ্যেই খামরীদের ভালোবাসা নিয়ে যতটুকু পারি গড়িয়ে দিচ্ছি তাদের স্বপ্নের টার্কি ফার্ম।
গড়িয়ে উঠছে অসংখ্য টার্কি খামার।
>>টার্কি শুধু একটা পাখি ই না
>> টার্কি খামার বাংলাদের মানুষের স্বপ্ন এবং ভালোবাসার জায়গা।
বিঃদ্রঃ ( টার্কি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়
দেখি এখনও প্রায় তাচ্ছিল্য করে
বেড়ায় কিছু অতি নগন্য আর কিছু
নিচুশ্রেনীর মানুষ।
ব্যাপার না সব ভালোবাসার বিপরীতে
কিছু ভিলেন থাকে, তবে জয় হয়
শেষ পর্যন্ত ভালোবাসারই।
"আমরা শুরু করেছি আপনিও এগিয়ে আসুন। যারা বেকার বসে আছেন, যারা নতুন কিছু শুরু করতে চান, পোল্ট্রি ব্যবসা করে যারা লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন এবং আপনার স্থাপনা এখন কোন কাজে আসছে না?
প্রবাসী ভাইয়েরা দেশে ফিরে লাভজনক কিছু একটা করবেন ভাবছেন?
যারা কম ঝামেলা পূর্ণ কাজ পছন্দ করেন এবং ভালো আয়ের উৎস খুজছেন। যারা অল্প পুঁজি এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা খুজছেন, টার্কির খামার তাদের জন্য আদর্শের।"
বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভাবে টার্কি পালন / ব্যবসা থেকে ভালো মুনাফা অর্জনের উজ্জল সম্ভবনা রয়েছে।
একটুখানি সচেতনতা, সরকারী সদিচ্ছা এবং ক্রেতা-বিক্রেতার পারস্পরিক অংশ গ্রহনে এই টার্কিই হয়ে উঠতে পারে আত্নকর্মসংস্থানের মাধ্যম, নিরাপদ ও সহজলভ্য মাংসের যোগান, সর্বোপরি ব্যপক উৎপাদনের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উপযোগী সব বয়সী বাচ্চা ও এডাল টার্কি বিক্রয় চলছে।
আরো পড়ুন>