Latest Products
Showing posts with label টার্কির রোগ. Show all posts
Showing posts with label টার্কির রোগ. Show all posts

টার্কি পালন নতুন সম্ভাবনার হাতছানিঃ (টার্কির সংক্রামক রোগ ও প্রতিকার) Turkey Hen infectious diseases



টার্কির ফাউল পক্স একটি উচ্চ মাত্রার সংক্রামক রোগ যা পক্স ভাইরাসের সংক্রমনে হয়ে থাকে।সাধারণত টার্কির শরীরের পালক বিহীন জায়গায় সাধারণত শক্ত গোটা উঠে এবং চোখ দিয়ে পানি পড়ে।
পক্স সচরাচর দুই রকমের হয়:-
১। শুকনা পক্স
২। ভিজা পক্স।
সংক্রমনের কারণ এবং স্থানান্থরঃ
• শুষ্ক পক্স একটি ভাইরাস জনিত রোগ যা টার্কির পালকবিহীন অংশে হয়,সাধারণত ঝুটি এং চোখের পাতায় এটি হয়।
• ভেজা পক্স টার্কির শ্বাসতন্ত্র, চোখ, মুখ এবং মুখ:গহ্বরে হয়, এটি প্রাণঘাতী।
• মুরগীতে পক্সের সংক্রমণ সাধারণত পোকার কামড়ের মাধ্যমে হয় (যেমন:- মশা)।
• আক্রান্ত টার্কির পালক, পালকের অংশবিশেষ, চামড়ার অংশ, লালা এবং রক্তের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়।
• পক্স উচ্চ মাত্রার সংক্রামক রোগ এবং আস্তে আস্তে ফ্লকের মধ্যে ছড়াতে থাকে। এটি সুপ্তাবস্থায় ফ্লকের মধ্যে সপ্তাহ, মাস এমনকি এক বছর পর্যন্ত থাকতে পারে।
• সংবেদনশীল মুরগী সাধারনত নাক এবং মুখ দিয়ে অক্রান্ত হয়।
লক্ষনঃ
• শুষ্ক পক্সে প্রাথমিক অবস্থায় ঝুটি এং চোখের পাতায় ছাই রংয়ের হালকা উচু ফোস্কার মত গুটি উঠে । এই ফোস্কাগুলো আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে, বড় হয়ে হলুদ রং ধারণ করে এবং চুড়ান্ত অবস্থায় কালো আচিলের মত হয়ে যায়।
• ভেজা পক্সে টার্কির শ্বাসতন্ত্র, চোখ, মুখ এবং মুখ:গহ্বরে লক্ষণ পাওয়া যায়।
• মুরগী দুর্বল হয়ে পড়ে এবং আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে মারা যায়।
• লেয়ার টার্কির প্রোডাকশন কমে যায়।
• টার্কির ওজন কমে যায়।
• মুরগী খাদ্য এবং পানি খাওয়া কমিয়ে দেয়।
প্রতিরোধঃ
১. আক্রান্ত ফ্লক থেকে যেন পক্স না ছড়ায় তার জন্য সঠিকভাবে জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
২. নতুন ফ্লককে সম্পূর্ণরূপে আলাদা করতে হবে।
৩. মশক নিধন করতে হবে।
৪. দশনার্থী প্রবেশ সীমাবদ্ধ করতে হবে।
৫. নিয়মিত রেজিস্ট্যার্ড ভেটেরিনারিয়ান এর পরামর্শ মোতাবেক ভ্যাকসিনেশন করতে হবে।
চিকিৎসাঃ
ভাইরাস জনিত রোগ হওয়ায় এর কোন সঠিক চিকিৎসা নেই, তবে পরবর্তী ব্যাকটেরয়িার সংক্রমণ রোধে এন্টিবায়োটিক খাওয়ানো যেতে পারে।
খাদ্যের সাথে কালোজিরা খাওয়ানো যেতে পারে।
ব্যাচের মধ্যে পক্স দেখা গেলে আক্রান্ত মুরগী সরিয়ে সুস্থগুলোকে ভ্যাকসিনেশন করাতে হবে।
ফাউল পক্স ভ্যাকসিন (F P V)
এই ভ্যাকসিন টার্কির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। এটি ২০০ মাত্রায় কঠিন অবস্থায় বায়ুশুন্য বোতলে সংরক্ষিত থাকে। এটার রং গোলাপি, ১০ মি: লি: বিশুদ্ধ পানিতে পুরাটা মিশিয়ে এই ভ্যাকসিন তৈরি করতে হয়। তৈরির পরে কবুতর ও মুরগী যাদের বয়স ২৮-৩২ দিন সেগুলো কে পাখনার নিচে, যেখানে কোন পালক নেই, সেখানে ৪-৫ টি খোটা দিয়ে এই ভ্যাকসিন লাগিয়ে দিতে হবে, খোচা দেওয়া জায়গা যদি ৪-৫ দিনের মধ্যে ফুলে উঠে তাহলে বুঝতে হবে ভ্যাকসিন টি কাজ করছে,আর যদি ফুলে না ওঠে বুঝতে হবে কাজ করেনি। পুনরায় আবার আগের নিয়মে ভ্যাকসিন দিতে হবে। এই ভ্যাকসিন প্রতি বছর ১ বার দিতে হবে।
ফাউল কলেরাঃ
ফাউল কলেরা মুরগির একটি ছোয়াচে রোগ । এটি এ্কটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ ।এই রোগে মৃত্যুর হার প্রায় ৫০-৭৫% পযন্ত হতে পারে। এতে খামার বেশ আথিক ক্ষতি সম্মুখীন হয়।
ফাউল কলেরা কেন হয়?
ফাউল কলেরা Pasteurella matocida নামক ব্যাক্টেরিয়া দ্বারা হয়ে থাকে ।
ফাউল কলেরা সম্পকে কিছু তথ্যঃ
১। ২-৪ মাস বয়সের মুরগিতে এই রোগ দেখা যায়।
২। অতিরিক্ত গরম পড়লে মুরগি এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
৩। এছাড়া পরিবেশে বেশি পরিমান আদ্রতা থাকলে ও এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ।
ফাউল কলেরা রোগের লক্ষণঃ
১। জ্বর থাকবে।
২। খাদ্য গ্রহনে অনিহা থাকবে।
৩। শ্বাস নিতে কষ্ট হবে।
৪। ডিম উৎপাদন কমে যাবে।
৫। মাথার ঝুটি ও গলার ফুল ফুলে যাবে।
৬। মুরগী দুবল হয়ে যাবে।
৭। সভুজাভ,বা হলুদাভ ডায়রিয়া হতে পারে,
৮। মুখ দিয়ে লালা পড়বে
৯। মাথা নিচের দিকে দিয়ে ঝিমাবে।
চিকিৎসাঃ
১। যেহেতু ব্যাক্টেরিয়াজনিত রোগ তাই যে কোন একটি ভালো এন্টিবায়োটিক দিতে হবে, সে হিসাবে , ciprofloxacin, gentamycin, doxacycline ৩-৫ দিন দেয়া যেতে পারে।
২। এছাড়া যেহেতু পায়খানার সমস্যা আছে তাই একটি সালফার গ্রুপের ঔষধ দিতে হবে।এ ক্ষেত্রে Ati vet suspension/ Sulphatrim powder/S-trim vet ৩-৫ দিন এন্টিবায়োটিক এর সাথে দিতে হবে,
৩। গরম বেশি পড়লে ভিটামিন সি / লেবুর রস দেয়া যেতে পারে।
ফাউল কলেরা কিভাবে প্রতিরোধ করবেন?
১। ফাউল কলেরা ভ্যাক্সিন দিতে হবে।
২। খামারে জৈব নিরাপত্তা ভালোভাবে নিশ্চিত করতে হবে।
৩। খামারে ইদুরের উপদ্রুপ সম্পুনরুপে বন্ধ করতে হবে।
৪। সব সময় একজন ভাল রেজিস্টাড ভেটরিনারিয়ানের পরামশ নিতে হবে।
সালমোনেলোসিস
সালমোনেলোসিস পোল্ট্রির ব্যাকটেরিয়াজনিত একটি প্রাণঘাতী রোগ।এটি পুলোরাম এবং ফাউল টাইফয়েড নামে পরিচিত।পুলোরাম রোগ বাচ্চা মুরগিতে এবং ফাউল টাইফয়েড পরিণত বয়সে দেখা দেয়।সালমোনেলোসিস পৃথিবীব্যাপী একটি সমস্যা এবং এটি পোল্ট্রিতে ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধন করে।


টার্কির ফাউল পক্স একটি উচ্চ মাত্রার সংক্রামক রোগ যা পক্স ভাইরাসের সংক্রমনে হয়ে থাকে।সাধারণত টার্কির শরীরের পালক বিহীন জায়গায় সাধারণত শক্ত গোটা উঠে এবং চোখ দিয়ে পানি পড়ে।
পক্স সচরাচর দুই রকমের হয়:-
১। শুকনা পক্স
২। ভিজা পক্স।
সংক্রমনের কারণ এবং স্থানান্থরঃ
• শুষ্ক পক্স একটি ভাইরাস জনিত রোগ যা টার্কির পালকবিহীন অংশে হয়,সাধারণত ঝুটি এং চোখের পাতায় এটি হয়।
• ভেজা পক্স টার্কির শ্বাসতন্ত্র, চোখ, মুখ এবং মুখ:গহ্বরে হয়, এটি প্রাণঘাতী।
• মুরগীতে পক্সের সংক্রমণ সাধারণত পোকার কামড়ের মাধ্যমে হয় (যেমন:- মশা)।
• আক্রান্ত টার্কির পালক, পালকের অংশবিশেষ, চামড়ার অংশ, লালা এবং রক্তের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়।
• পক্স উচ্চ মাত্রার সংক্রামক রোগ এবং আস্তে আস্তে ফ্লকের মধ্যে ছড়াতে থাকে। এটি সুপ্তাবস্থায় ফ্লকের মধ্যে সপ্তাহ, মাস এমনকি এক বছর পর্যন্ত থাকতে পারে।
• সংবেদনশীল মুরগী সাধারনত নাক এবং মুখ দিয়ে অক্রান্ত হয়।
লক্ষনঃ
• শুষ্ক পক্সে প্রাথমিক অবস্থায় ঝুটি এং চোখের পাতায় ছাই রংয়ের হালকা উচু ফোস্কার মত গুটি উঠে । এই ফোস্কাগুলো আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে, বড় হয়ে হলুদ রং ধারণ করে এবং চুড়ান্ত অবস্থায় কালো আচিলের মত হয়ে যায়।
• ভেজা পক্সে টার্কির শ্বাসতন্ত্র, চোখ, মুখ এবং মুখ:গহ্বরে লক্ষণ পাওয়া যায়।
• মুরগী দুর্বল হয়ে পড়ে এবং আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে মারা যায়।
• লেয়ার টার্কির প্রোডাকশন কমে যায়।
• টার্কির ওজন কমে যায়।
• মুরগী খাদ্য এবং পানি খাওয়া কমিয়ে দেয়।
প্রতিরোধঃ
১. আক্রান্ত ফ্লক থেকে যেন পক্স না ছড়ায় তার জন্য সঠিকভাবে জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
২. নতুন ফ্লককে সম্পূর্ণরূপে আলাদা করতে হবে।
৩. মশক নিধন করতে হবে।
৪. দশনার্থী প্রবেশ সীমাবদ্ধ করতে হবে।
৫. নিয়মিত রেজিস্ট্যার্ড ভেটেরিনারিয়ান এর পরামর্শ মোতাবেক ভ্যাকসিনেশন করতে হবে।
চিকিৎসাঃ
ভাইরাস জনিত রোগ হওয়ায় এর কোন সঠিক চিকিৎসা নেই, তবে পরবর্তী ব্যাকটেরয়িার সংক্রমণ রোধে এন্টিবায়োটিক খাওয়ানো যেতে পারে।
খাদ্যের সাথে কালোজিরা খাওয়ানো যেতে পারে।
ব্যাচের মধ্যে পক্স দেখা গেলে আক্রান্ত মুরগী সরিয়ে সুস্থগুলোকে ভ্যাকসিনেশন করাতে হবে।
ফাউল পক্স ভ্যাকসিন (F P V)
এই ভ্যাকসিন টার্কির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। এটি ২০০ মাত্রায় কঠিন অবস্থায় বায়ুশুন্য বোতলে সংরক্ষিত থাকে। এটার রং গোলাপি, ১০ মি: লি: বিশুদ্ধ পানিতে পুরাটা মিশিয়ে এই ভ্যাকসিন তৈরি করতে হয়। তৈরির পরে কবুতর ও মুরগী যাদের বয়স ২৮-৩২ দিন সেগুলো কে পাখনার নিচে, যেখানে কোন পালক নেই, সেখানে ৪-৫ টি খোটা দিয়ে এই ভ্যাকসিন লাগিয়ে দিতে হবে, খোচা দেওয়া জায়গা যদি ৪-৫ দিনের মধ্যে ফুলে উঠে তাহলে বুঝতে হবে ভ্যাকসিন টি কাজ করছে,আর যদি ফুলে না ওঠে বুঝতে হবে কাজ করেনি। পুনরায় আবার আগের নিয়মে ভ্যাকসিন দিতে হবে। এই ভ্যাকসিন প্রতি বছর ১ বার দিতে হবে।
ফাউল কলেরাঃ
ফাউল কলেরা মুরগির একটি ছোয়াচে রোগ । এটি এ্কটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ ।এই রোগে মৃত্যুর হার প্রায় ৫০-৭৫% পযন্ত হতে পারে। এতে খামার বেশ আথিক ক্ষতি সম্মুখীন হয়।
ফাউল কলেরা কেন হয়?
ফাউল কলেরা Pasteurella matocida নামক ব্যাক্টেরিয়া দ্বারা হয়ে থাকে ।
ফাউল কলেরা সম্পকে কিছু তথ্যঃ
১। ২-৪ মাস বয়সের মুরগিতে এই রোগ দেখা যায়।
২। অতিরিক্ত গরম পড়লে মুরগি এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
৩। এছাড়া পরিবেশে বেশি পরিমান আদ্রতা থাকলে ও এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ।
ফাউল কলেরা রোগের লক্ষণঃ
১। জ্বর থাকবে।
২। খাদ্য গ্রহনে অনিহা থাকবে।
৩। শ্বাস নিতে কষ্ট হবে।
৪। ডিম উৎপাদন কমে যাবে।
৫। মাথার ঝুটি ও গলার ফুল ফুলে যাবে।
৬। মুরগী দুবল হয়ে যাবে।
৭। সভুজাভ,বা হলুদাভ ডায়রিয়া হতে পারে,
৮। মুখ দিয়ে লালা পড়বে
৯। মাথা নিচের দিকে দিয়ে ঝিমাবে।
চিকিৎসাঃ
১। যেহেতু ব্যাক্টেরিয়াজনিত রোগ তাই যে কোন একটি ভালো এন্টিবায়োটিক দিতে হবে, সে হিসাবে , ciprofloxacin, gentamycin, doxacycline ৩-৫ দিন দেয়া যেতে পারে।
২। এছাড়া যেহেতু পায়খানার সমস্যা আছে তাই একটি সালফার গ্রুপের ঔষধ দিতে হবে।এ ক্ষেত্রে Ati vet suspension/ Sulphatrim powder/S-trim vet ৩-৫ দিন এন্টিবায়োটিক এর সাথে দিতে হবে,
৩। গরম বেশি পড়লে ভিটামিন সি / লেবুর রস দেয়া যেতে পারে।
ফাউল কলেরা কিভাবে প্রতিরোধ করবেন?
১। ফাউল কলেরা ভ্যাক্সিন দিতে হবে।
২। খামারে জৈব নিরাপত্তা ভালোভাবে নিশ্চিত করতে হবে।
৩। খামারে ইদুরের উপদ্রুপ সম্পুনরুপে বন্ধ করতে হবে।
৪। সব সময় একজন ভাল রেজিস্টাড ভেটরিনারিয়ানের পরামশ নিতে হবে।
সালমোনেলোসিস
সালমোনেলোসিস পোল্ট্রির ব্যাকটেরিয়াজনিত একটি প্রাণঘাতী রোগ।এটি পুলোরাম এবং ফাউল টাইফয়েড নামে পরিচিত।পুলোরাম রোগ বাচ্চা মুরগিতে এবং ফাউল টাইফয়েড পরিণত বয়সে দেখা দেয়।সালমোনেলোসিস পৃথিবীব্যাপী একটি সমস্যা এবং এটি পোল্ট্রিতে ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধন করে।
আরো পড়ুন>

টার্কির কিছু রোগ ও রোগের চিকিৎসা | Some diseases of turkey Bird And Medicine


যারা নতুন টার্কি খামার করতে চান তারা টার্কির কিছু রোগ জীবাণু সম্পর্কে জেনে নিন, টার্কির সঠিক চিকিৎসা করান টার্কি রোগ জীবাণুমুক্ত স্বাস্থ্যকর রাখুন । টার্কির কি রোগ হলে কোন ঔষধ দিবেন জেনে নিন ।  
সমস্যা: আমি টার্কি পালন করতে চাই, প্রথমে কি করতে হবে জানাবেন।
*সমাধান: টার্কি পালন ছোট পরিসরে না বড় পরিসরে করবেন তা বলেন নি, যদি বাণিজ্যিক ভাবে বড় পরিসরে টার্কি পালন করতে চান তবে, প্রথমে অভিজ্ঞ লোকের সাথে কথা বলতে হবে অথবা কোনো যুব উন্নয়ন থেকে ট্রেনিং নিতে হবে অথবা উপজেলা পশু সম্পদ অফিসের সাথে যোগাযোগ করে সঠিক পরামর্শ নিতে হবে।
*সমস্যা: টার্কির বাচ্চা হয় এবং বাচ্চা অবস্থায় বাচ্চার চোখে ফোট আকৃতি হয় চোখ বন্ধ হয়ে পরে মাড়া যায়।
সমাধান: অসুস্থ্য টার্কিকে আলাদা করে রাখতে হবে। আক্রান্ত টার্কিকে ফাউল পক্স ভেক্সিন (বোতলেরে সাথে নির্দেশিকা মোতাবেক) দিতে হবে।
*সমস্যা: টার্কি (৫-৭ টি) খাবার খায় না, নাক দিয়ে পানি পরে, ঝুটিতে পক্স হয়েছে, শ্বাস কষ্ট আছে , হাল্কা চুনা পায়খানা করে, করনীয় জানাবেন।
সমাধান: ডক্সিভেট/টাইরোসেফ আধা কেজি সমপরিমান ভাতের সাথে ৫-১০ গ্রাম ঔষধ মিশিয়ে রোগাক্রান্ত টার্কিগুলোকে খাওয়াতে হবে। অথবা রেনামাইসিন টেব্লেট (২ টি) আধা কেজি সমপরিমান ভাতের সাথে গুরা করে খাওয়াতে হবে।
*সমস্যা: টার্কি জিমায়, চুনা চুনা পায়খানা করে, অবশেষে মারা যায়। করনীয় জানাবেন।
সমাধান: রেনামাইসিন ১ লিটার পানির সাথে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে পরপর ৫ দিন খাওয়াতে হবে।
*সমস্যা: টার্কি চোখে গুটি, চোখ ফুলে বন্ধ হয়ে গেছে। করনীয় জানাবেন।
সমাধান:
১. পভিসেট তুলা দিয়ে আক্রান্ত স্থানে পরিষ্কার করতে হবে সকাল ও বিকালে।
২. ডিসপ্রিন ১টি টেবলেট পানিতে গুলিয়ে সকালে ১ বেলা খাওয়াতে হবে।
*সমস্যা: টার্কি ঝিমায়, চুনা চুনা পায়খানা করে, অবশেষে মারা যায়। করনীয় জানাবেন।
সমাধান: রেনামাইসিন ১ লিটার পানির সাথে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে পরপর ৫ দিন খাওয়াতে হবে।
*সমস্যা: টার্কির রক্ত আমাশয়।
সমাধান:
১.প্রতি লিটার খাবার পানিতে দুই গ্রাম ‘ইএসবি-৩’ ৩০% ঔষধ মিশ্রিত করে পর পর তিন দিন খাওয়ানোর পর আরও দুই দিন বন্ধ রেখে তারপর আরও দুইদিন খাওয়াতে হবে এবং তারপর আরও একদিনের খাবার পানিতে প্রতি লিটার দেড় গ্রাম হারে ঔষধ মিশিয়ে খাওয়াতে হবে।
২.’সিকাল রক্ত আমাশয়’ এর বেলায় ৬০ মিলি তরল এমবাজিন ১৩.৫ লিটার বিশুদ্ধ খাবার পানিতে অথবা ৪ এম, এল তরল এমবাজিন ১ লিটার বিশুদ্ধ খাবার পানিতে মিশিয়ে পর পর তিনদিন খাওয়ানোর পর দুইদিন ঔষধ বন্ধ রেখে শুধু পানি মেশানো খাওয়াতে হবে।
৩.আন্ত্রিক রক্ত আমাশয়ের বেলায় ৩০ মিলি তরলড় এমবাজিন।
*সমস্যা: টার্কির মুখ কালো ও ফ্যাকাশে হয় এবং চুন পায়খানা করে মারা যায়।
সমাধান:ররেনামাইসিন প্রতি চারটি টার্কির জন্য প্রতিদিন একটি ট্যাবলেট খাদ্য বা পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে পরপর তিন দিন।
*সমস্যা: ব্রয়লার টার্কির বাচ্চার ১২/১৩ দিন সময় থেকে দেখা যায় খামারে ৫ থেকে ২৫% বাচ্চা দাড়িয়ে থেকে ঝিমায়, বাড়ে না, শুকিয়ে যায়, তলপেটে পানি জমে ফুলে থাকে। অবশেষে মারা যায়। এর প্রতিকার কি?
সমাধান: জেন্টামাইসিন ০.৩ মিলি হারে টার্কির বুকের মাংসে পরপর ৫ দিন ইনজেকশন দিতে হবে।
*সমস্যা: টার্কির হঠাৎ করে মুখ চোখ ফুলে গিয়ে মুখ দিয়ে লালা পড়তেছে এবং এভাবে ৫/৬ দিন থাকার পর টার্কিটা মারা যাচ্ছে । খুব দ্রুত এর সমাধান দরকার।
সমাধান: ট্রিমাভেট সাচপেন সন=২ লিটার পানিতে ১ এম এল ট্রিমাভেট সাচপেন সন মিশিয়ে টার্কিকে ৭দিন খাওয়াতে হবে।
*সমস্যা: টার্কি সাদা পায়খানা করে এবং মারা যায় ভোরভোরা হয়ে যায়।
সমাধান: জেন্টামাইসিন .৩ মিলি করে ইনজেকশন দিতে হবে।
*সমস্যা: টার্কির বাচ্চার কোন ধরনের রোগ হয় এবং এর জন্য কোন প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে কি?
সমাধান: টার্কির বাচ্চার অনেক রোগ হতে পারে যেমন ম্যারেক্স, গামবুরো, রাণিক্ষেত , কলেরা ইত্যাদি। এর জন্য এক দিন বয়সের বাচ্চা থেকে শুরু করে করে বিভিন্ন বয়সের টার্কিকে টিকা প্রদান করতে হবে।
*সমস্যা: টার্কি চুনের মত পায়খানা করে এবং গলা খক খক করে। ২/৩ দিনের মধ্যে মারা যায়।
সমাধান: জেন্টামাইসিন ০.৩ এমএল এবং মাল্টিভিটামিন ০.১ এমএল মোট ০.৪ এমএল করে ৫ দিন ইনজেকশন দিতে হবে।
*সমস্যা: টার্কি চূনের পায়খানা করে, এ অবস্থায় ২-৩ দিনের মধ্যে মারা যায়।
সমাধান: আপনার টার্কির রাণীক্ষেত রোগ হয়েছে। এ অবস্থায় কোন প্রতিকার নেই। তাই আক্রান্ত টার্কিকে আলাদা করে রাখতে হবে। আর আগে থেকে রাণীক্ষেত রোগের টিকা দিয়ে নিতে হবে।
*সমস্যা: আমি একজন টার্কির খামার ব্যবসায়ী। আমার টার্কির বাচ্চার বয়স ০৬ দিন। আমি লক্ষ করছি বাচ্চগুলি ঝিমিয়ে আছে। সবগুলি এক জায়গায় একত্রিত হচ্ছে। যার কারনে দু-একটি বাচ্চা মারাও যাচ্ছে। আমার মনে হচ্ছে ঠান্ডাজনিত কারনে হতে পারে। এতে আমার মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এতে আমি কোন পদ্ধতি ব্যবহার করলে ভাল হবে।
সমাধান:
এটা ঠান্ডাজনিত কারনে হয় তাই টার্কির শেডে ১০০ ওয়াটের বাল্ব (শেড বড় হলে একাধিক) টানা ৬ ঘন্টা জালিয়ে রাখতে হবে।
*সমস্যা: ১৫টি টার্কি আাছে। বয়স ২ মাস কিন্তু টার্কি গুলো ঝিমাতে ঝিমাতে মারা যায়। চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে গিয়ে বলেছে, রেনামাইসিন খাওয়াতে তাতেও কাজ হয়নি।
সমাধান: কলিপ্রিম পাউডার ১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে ৩-৫ দিন খাওয়াতে হবে। খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে। জেন্টামাইসিন .৩ মিলি করে বুকের মাংসে ইনজেনশন দিতে হবে।আপনি দ্রুত ভাল ডাক্তারের পরামর্শ নিন ।
* হাইব্রিড নরফল ক্রস ১ মাসের বাচ্চা পাবেন (৬০০-৭০০) গ্রাম ওজনের ৮০০ টাকা


যারা নতুন টার্কি খামার করতে চান তারা টার্কির কিছু রোগ জীবাণু সম্পর্কে জেনে নিন, টার্কির সঠিক চিকিৎসা করান টার্কি রোগ জীবাণুমুক্ত স্বাস্থ্যকর রাখুন । টার্কির কি রোগ হলে কোন ঔষধ দিবেন জেনে নিন ।  
সমস্যা: আমি টার্কি পালন করতে চাই, প্রথমে কি করতে হবে জানাবেন।
*সমাধান: টার্কি পালন ছোট পরিসরে না বড় পরিসরে করবেন তা বলেন নি, যদি বাণিজ্যিক ভাবে বড় পরিসরে টার্কি পালন করতে চান তবে, প্রথমে অভিজ্ঞ লোকের সাথে কথা বলতে হবে অথবা কোনো যুব উন্নয়ন থেকে ট্রেনিং নিতে হবে অথবা উপজেলা পশু সম্পদ অফিসের সাথে যোগাযোগ করে সঠিক পরামর্শ নিতে হবে।
*সমস্যা: টার্কির বাচ্চা হয় এবং বাচ্চা অবস্থায় বাচ্চার চোখে ফোট আকৃতি হয় চোখ বন্ধ হয়ে পরে মাড়া যায়।
সমাধান: অসুস্থ্য টার্কিকে আলাদা করে রাখতে হবে। আক্রান্ত টার্কিকে ফাউল পক্স ভেক্সিন (বোতলেরে সাথে নির্দেশিকা মোতাবেক) দিতে হবে।
*সমস্যা: টার্কি (৫-৭ টি) খাবার খায় না, নাক দিয়ে পানি পরে, ঝুটিতে পক্স হয়েছে, শ্বাস কষ্ট আছে , হাল্কা চুনা পায়খানা করে, করনীয় জানাবেন।
সমাধান: ডক্সিভেট/টাইরোসেফ আধা কেজি সমপরিমান ভাতের সাথে ৫-১০ গ্রাম ঔষধ মিশিয়ে রোগাক্রান্ত টার্কিগুলোকে খাওয়াতে হবে। অথবা রেনামাইসিন টেব্লেট (২ টি) আধা কেজি সমপরিমান ভাতের সাথে গুরা করে খাওয়াতে হবে।
*সমস্যা: টার্কি জিমায়, চুনা চুনা পায়খানা করে, অবশেষে মারা যায়। করনীয় জানাবেন।
সমাধান: রেনামাইসিন ১ লিটার পানির সাথে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে পরপর ৫ দিন খাওয়াতে হবে।
*সমস্যা: টার্কি চোখে গুটি, চোখ ফুলে বন্ধ হয়ে গেছে। করনীয় জানাবেন।
সমাধান:
১. পভিসেট তুলা দিয়ে আক্রান্ত স্থানে পরিষ্কার করতে হবে সকাল ও বিকালে।
২. ডিসপ্রিন ১টি টেবলেট পানিতে গুলিয়ে সকালে ১ বেলা খাওয়াতে হবে।
*সমস্যা: টার্কি ঝিমায়, চুনা চুনা পায়খানা করে, অবশেষে মারা যায়। করনীয় জানাবেন।
সমাধান: রেনামাইসিন ১ লিটার পানির সাথে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে পরপর ৫ দিন খাওয়াতে হবে।
*সমস্যা: টার্কির রক্ত আমাশয়।
সমাধান:
১.প্রতি লিটার খাবার পানিতে দুই গ্রাম ‘ইএসবি-৩’ ৩০% ঔষধ মিশ্রিত করে পর পর তিন দিন খাওয়ানোর পর আরও দুই দিন বন্ধ রেখে তারপর আরও দুইদিন খাওয়াতে হবে এবং তারপর আরও একদিনের খাবার পানিতে প্রতি লিটার দেড় গ্রাম হারে ঔষধ মিশিয়ে খাওয়াতে হবে।
২.’সিকাল রক্ত আমাশয়’ এর বেলায় ৬০ মিলি তরল এমবাজিন ১৩.৫ লিটার বিশুদ্ধ খাবার পানিতে অথবা ৪ এম, এল তরল এমবাজিন ১ লিটার বিশুদ্ধ খাবার পানিতে মিশিয়ে পর পর তিনদিন খাওয়ানোর পর দুইদিন ঔষধ বন্ধ রেখে শুধু পানি মেশানো খাওয়াতে হবে।
৩.আন্ত্রিক রক্ত আমাশয়ের বেলায় ৩০ মিলি তরলড় এমবাজিন।
*সমস্যা: টার্কির মুখ কালো ও ফ্যাকাশে হয় এবং চুন পায়খানা করে মারা যায়।
সমাধান:ররেনামাইসিন প্রতি চারটি টার্কির জন্য প্রতিদিন একটি ট্যাবলেট খাদ্য বা পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে পরপর তিন দিন।
*সমস্যা: ব্রয়লার টার্কির বাচ্চার ১২/১৩ দিন সময় থেকে দেখা যায় খামারে ৫ থেকে ২৫% বাচ্চা দাড়িয়ে থেকে ঝিমায়, বাড়ে না, শুকিয়ে যায়, তলপেটে পানি জমে ফুলে থাকে। অবশেষে মারা যায়। এর প্রতিকার কি?
সমাধান: জেন্টামাইসিন ০.৩ মিলি হারে টার্কির বুকের মাংসে পরপর ৫ দিন ইনজেকশন দিতে হবে।
*সমস্যা: টার্কির হঠাৎ করে মুখ চোখ ফুলে গিয়ে মুখ দিয়ে লালা পড়তেছে এবং এভাবে ৫/৬ দিন থাকার পর টার্কিটা মারা যাচ্ছে । খুব দ্রুত এর সমাধান দরকার।
সমাধান: ট্রিমাভেট সাচপেন সন=২ লিটার পানিতে ১ এম এল ট্রিমাভেট সাচপেন সন মিশিয়ে টার্কিকে ৭দিন খাওয়াতে হবে।
*সমস্যা: টার্কি সাদা পায়খানা করে এবং মারা যায় ভোরভোরা হয়ে যায়।
সমাধান: জেন্টামাইসিন .৩ মিলি করে ইনজেকশন দিতে হবে।
*সমস্যা: টার্কির বাচ্চার কোন ধরনের রোগ হয় এবং এর জন্য কোন প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে কি?
সমাধান: টার্কির বাচ্চার অনেক রোগ হতে পারে যেমন ম্যারেক্স, গামবুরো, রাণিক্ষেত , কলেরা ইত্যাদি। এর জন্য এক দিন বয়সের বাচ্চা থেকে শুরু করে করে বিভিন্ন বয়সের টার্কিকে টিকা প্রদান করতে হবে।
*সমস্যা: টার্কি চুনের মত পায়খানা করে এবং গলা খক খক করে। ২/৩ দিনের মধ্যে মারা যায়।
সমাধান: জেন্টামাইসিন ০.৩ এমএল এবং মাল্টিভিটামিন ০.১ এমএল মোট ০.৪ এমএল করে ৫ দিন ইনজেকশন দিতে হবে।
*সমস্যা: টার্কি চূনের পায়খানা করে, এ অবস্থায় ২-৩ দিনের মধ্যে মারা যায়।
সমাধান: আপনার টার্কির রাণীক্ষেত রোগ হয়েছে। এ অবস্থায় কোন প্রতিকার নেই। তাই আক্রান্ত টার্কিকে আলাদা করে রাখতে হবে। আর আগে থেকে রাণীক্ষেত রোগের টিকা দিয়ে নিতে হবে।
*সমস্যা: আমি একজন টার্কির খামার ব্যবসায়ী। আমার টার্কির বাচ্চার বয়স ০৬ দিন। আমি লক্ষ করছি বাচ্চগুলি ঝিমিয়ে আছে। সবগুলি এক জায়গায় একত্রিত হচ্ছে। যার কারনে দু-একটি বাচ্চা মারাও যাচ্ছে। আমার মনে হচ্ছে ঠান্ডাজনিত কারনে হতে পারে। এতে আমার মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এতে আমি কোন পদ্ধতি ব্যবহার করলে ভাল হবে।
সমাধান:
এটা ঠান্ডাজনিত কারনে হয় তাই টার্কির শেডে ১০০ ওয়াটের বাল্ব (শেড বড় হলে একাধিক) টানা ৬ ঘন্টা জালিয়ে রাখতে হবে।
*সমস্যা: ১৫টি টার্কি আাছে। বয়স ২ মাস কিন্তু টার্কি গুলো ঝিমাতে ঝিমাতে মারা যায়। চিকিৎসক এর পরামর্শ নিতে গিয়ে বলেছে, রেনামাইসিন খাওয়াতে তাতেও কাজ হয়নি।
সমাধান: কলিপ্রিম পাউডার ১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে ৩-৫ দিন খাওয়াতে হবে। খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে। জেন্টামাইসিন .৩ মিলি করে বুকের মাংসে ইনজেনশন দিতে হবে।আপনি দ্রুত ভাল ডাক্তারের পরামর্শ নিন ।
* হাইব্রিড নরফল ক্রস ১ মাসের বাচ্চা পাবেন (৬০০-৭০০) গ্রাম ওজনের ৮০০ টাকা

আরো পড়ুন>