Latest Products
Showing posts with label turkey farming profit. Show all posts
Showing posts with label turkey farming profit. Show all posts

শুধু হাইব্রিড টার্কি নয় লোকাল টার্কি মুরগি দিয়ে খামারিরা লাভবান হতে পারে | Local Turkey Bird profit from Farm


যারা হাইব্রিড টার্কি নিয়ে ব্যবসা করছেন তারা দেশীয় টার্কি নিয়ে উল্টা পাল্টা কথা বলে লোকাল টার্কি খামারীদের নিরুৎসাহিত করতেছেন--ক্যামনে করতেছেন??? সেগুলো তুলে ধরলাম
একটা মেল টার্কির জন্য নিম্নের ক্যালকুলেশন তারা দেখায়:
এক মাসের একটা লোকাল টার্কি ৬০০ টাকা
 প্রতিদিন ১০ টাকার ফিড কসট হলে ৬ মাসে হয় ১০ X ১৮০- ১৮০০ টাকা
 মেডিসিন, ভ্যাকসিন মিলে ১৫০ টাকা
টোটাল খরচ হয় : ২৫৫০ টাকা
৫০০ টাকা কেজিতেও যদি ৫ কেজি ওজনের টার্কি বিক্রি করা হয় তবুও লস হয়,,,,,,
আর ৩০০ টাকা কেজি হলে লস হয় ১০৫০ টাকা
এগুলো যে উল্টা পাল্টা হিসাব তার প্রমাণ:
১. প্রথমবার ৬০০ টাকা দিয়ে বাচ্চা কেনার পর দ্বিতীয়বার আপনি কি আবার ব্রয়লার/ লেয়ারের মত আবার টার্কির বাচ্চা কিনবেন?????? অবশ্যই কিনবেন না কেননা আপনার রয়েছে Parent Stock
২. লোকাল ব্রিড কি হাইব্রডি ব্রিড যে ওরা ৬ মাসে ৬০ কেজি ফিড খাব?????? অবশ্যই না,,,,, এভারেজ দৈনিক ৫ টাকার খাবার খায় লোকাল টার্কি গুলো ( পরীক্ষা লব্ধ: কারণ আমারও টার্কি ফার্ম আছে)
ফিড কসট - ৯০০ টাকা
 মেডসিন, ভ্যাকসিন- ১৫০ টাকা
টোটাল: ১০৫০ টাকা
আপনি ৩০০ টাকা কেজিতেও বিক্রি করলে আপনার ৪৫০ টাকা লাভ হবে
তবে লাভ আসবে আপনার Parent Stock থেকে উৎপাদিত বাচ্চা থেকে,,,,,, বাজার থেকে বাচ্চা কিনে নয়
আমাদের দেশে সবার কাছেই লোকাল টার্কি আছে,,,,,কখনোই নিরুৎসাহিত হবেন না,,





যারা হাইব্রিড টার্কি নিয়ে ব্যবসা করছেন তারা দেশীয় টার্কি নিয়ে উল্টা পাল্টা কথা বলে লোকাল টার্কি খামারীদের নিরুৎসাহিত করতেছেন--ক্যামনে করতেছেন??? সেগুলো তুলে ধরলাম
একটা মেল টার্কির জন্য নিম্নের ক্যালকুলেশন তারা দেখায়:
এক মাসের একটা লোকাল টার্কি ৬০০ টাকা
 প্রতিদিন ১০ টাকার ফিড কসট হলে ৬ মাসে হয় ১০ X ১৮০- ১৮০০ টাকা
 মেডিসিন, ভ্যাকসিন মিলে ১৫০ টাকা
টোটাল খরচ হয় : ২৫৫০ টাকা
৫০০ টাকা কেজিতেও যদি ৫ কেজি ওজনের টার্কি বিক্রি করা হয় তবুও লস হয়,,,,,,
আর ৩০০ টাকা কেজি হলে লস হয় ১০৫০ টাকা
এগুলো যে উল্টা পাল্টা হিসাব তার প্রমাণ:
১. প্রথমবার ৬০০ টাকা দিয়ে বাচ্চা কেনার পর দ্বিতীয়বার আপনি কি আবার ব্রয়লার/ লেয়ারের মত আবার টার্কির বাচ্চা কিনবেন?????? অবশ্যই কিনবেন না কেননা আপনার রয়েছে Parent Stock
২. লোকাল ব্রিড কি হাইব্রডি ব্রিড যে ওরা ৬ মাসে ৬০ কেজি ফিড খাব?????? অবশ্যই না,,,,, এভারেজ দৈনিক ৫ টাকার খাবার খায় লোকাল টার্কি গুলো ( পরীক্ষা লব্ধ: কারণ আমারও টার্কি ফার্ম আছে)
ফিড কসট - ৯০০ টাকা
 মেডসিন, ভ্যাকসিন- ১৫০ টাকা
টোটাল: ১০৫০ টাকা
আপনি ৩০০ টাকা কেজিতেও বিক্রি করলে আপনার ৪৫০ টাকা লাভ হবে
তবে লাভ আসবে আপনার Parent Stock থেকে উৎপাদিত বাচ্চা থেকে,,,,,, বাজার থেকে বাচ্চা কিনে নয়
আমাদের দেশে সবার কাছেই লোকাল টার্কি আছে,,,,,কখনোই নিরুৎসাহিত হবেন না,,




আরো পড়ুন>

টার্কির খামার গড়ে তুলুন টার্কি ফার্ম নিয়ে প্রাথমিক নির্মাণ ধারণা | How to Start Turkey Farming


পড়াশোনা শেষ করে বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীরা গতানুগতিক চাকরি বা ব্যবসার আশায় বসে থাকে। এ সকল চাকরি বা ব্যবসার আশায় না থেকে আমরা যদি নিজেরাই আত্তকর্মসংস্থানের জন্য কিছু গঠনমূলক কাজ করি তাহলে আমাদের ভাগ্যের সঙ্গে সঙ্গে সমাজকেও আমরা কিছু উপহার দিতে পারব। এজন্য দরকার আত্মবিশ্বাস এবং কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠা। সমাজে এমন অনেক ব্যতিক্রমী পেশা রয়েছে যেখানে একটু পরিশ্রম ও চিন্তাভাবনা নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করলে সফলতা দরজায় এসে কড়া নাড়বে। আমাদের ক্যারিয়ার পাতায় প্রতিদিনই আমরা চেষ্টা করি কিছু গঠনমূলক প্রজেক্টের ধারণা দিতে। আজকে এরকম একটি প্রজেক্ট নিয়ে আলোচনা করা হলো। এটি হলো টার্কি ফার্ম।
বাংলাদেশে এখন সফল টার্কি ফার্মের সংখ্যা অনেক। দিন দিন এর চাহিদা ও বাজার বাড়ছে। একদিকে যেমন এ থেকে আদর্শ খাবার হিসেবে আমিষের চাহিদা মেটাতে চর্বি মুক্ত অধিক মাংস পাওয়া যাবে, তেমনি অন্যদিকে এ খাত থেকে বেশ ভালো আয় করাও সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে অল্পবিস্তর জ্ঞান থাকতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ নিলে।
প্রাথমিক প্রয়োজন : যেকোনো কিছু গড়তে সবার আগে প্রয়োজন প্রাথমিক প্রস্তুতি। এ প্রস্তুতির উপর নির্ভর করে যে কোনো কাজের সফলতার ও ব্যর্থতা। টার্কি ফার্ম গড়ে তুলতে প্রয়োজন আর্থিক সঙ্গতি, অভিজ্ঞতা ও টার্কির নিরাপদ আশ্রয়। প্রথমেই বিশাল ফার্ম তৈরিতে হাত না দিয়ে ছোট পরিসরে কাজে হাত দেওয়া ভালো। ৩০থেকে ৫০টি ১মাসের ভালো মানের বাচ্চা নিয়ে যাত্রা করে আস্তে আস্তে ফার্মকে সম্প্রসারণ করাই উত্তম।
বাছাই প্রক্রিয়া : নিজ এলাকায় বিশেষ করে মফস্বলে টার্কি ফার্ম গড়ে তোলাই শ্রেয়। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন টার্কির উন্নত জাত বাছাই। উন্নত জাতের টার্কি বাছাই না করলে সারা বছর ফার্মে রোগবালাই লেগে থাকবে , এবং ওজন কম হওয়াতে লাভবান হতে পারবেন না। ভালো জাতের টার্কির পাশাপাশি ফার্মে পর্যাপ্ত ঘাস, খোলা জায়গার ব্যবস্থা রাখতে হবে। ফার্ম গড়ে তোলার পরপরই ডিম এবং বাচ্চা বিক্রির জন্য প্রচারণা চালাতে হবে।
স্থান নির্বাচন : যেখানে যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো এবং বিক্রির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে এসব এলাকার আশপাশেই ফার্ম গড়ে তোলা প্রয়োজন। চারপাশে উঁচু দেওয়াল, পরিবেশসম্মত আবাসন, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস এবং হাঁটাচলার জন্য জায়গা থাকতে হবে। ওষুধের দোকান, কাঁচা ঘাসের খামার আশপাশে থাকলে ভালো।
খাবার সরবরাহ : পর্যাপ্ত ও মানসম্পন্ন খাবার না পেলে সঠিক পরিমাণ মাংস পাওয়া যায় না। সবসময়ই খেয়াল রাখতে হবে টার্কি র যেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও পুষ্টিমান সম্পন্ন হয়। এ জন্য পচা বা দীর্ঘদিন রাখা এসব পণ্য টার্কি কে খাওয়ানো উচিত নয়।
আয়ব‍্যায়: টার্কির খামার করে অন্য কোন খামারের চাইতে দ্বিগুণ লাভবান হওয়া যায় 

পড়াশোনা শেষ করে বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীরা গতানুগতিক চাকরি বা ব্যবসার আশায় বসে থাকে। এ সকল চাকরি বা ব্যবসার আশায় না থেকে আমরা যদি নিজেরাই আত্তকর্মসংস্থানের জন্য কিছু গঠনমূলক কাজ করি তাহলে আমাদের ভাগ্যের সঙ্গে সঙ্গে সমাজকেও আমরা কিছু উপহার দিতে পারব। এজন্য দরকার আত্মবিশ্বাস এবং কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠা। সমাজে এমন অনেক ব্যতিক্রমী পেশা রয়েছে যেখানে একটু পরিশ্রম ও চিন্তাভাবনা নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করলে সফলতা দরজায় এসে কড়া নাড়বে। আমাদের ক্যারিয়ার পাতায় প্রতিদিনই আমরা চেষ্টা করি কিছু গঠনমূলক প্রজেক্টের ধারণা দিতে। আজকে এরকম একটি প্রজেক্ট নিয়ে আলোচনা করা হলো। এটি হলো টার্কি ফার্ম।
বাংলাদেশে এখন সফল টার্কি ফার্মের সংখ্যা অনেক। দিন দিন এর চাহিদা ও বাজার বাড়ছে। একদিকে যেমন এ থেকে আদর্শ খাবার হিসেবে আমিষের চাহিদা মেটাতে চর্বি মুক্ত অধিক মাংস পাওয়া যাবে, তেমনি অন্যদিকে এ খাত থেকে বেশ ভালো আয় করাও সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে অল্পবিস্তর জ্ঞান থাকতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ নিলে।
প্রাথমিক প্রয়োজন : যেকোনো কিছু গড়তে সবার আগে প্রয়োজন প্রাথমিক প্রস্তুতি। এ প্রস্তুতির উপর নির্ভর করে যে কোনো কাজের সফলতার ও ব্যর্থতা। টার্কি ফার্ম গড়ে তুলতে প্রয়োজন আর্থিক সঙ্গতি, অভিজ্ঞতা ও টার্কির নিরাপদ আশ্রয়। প্রথমেই বিশাল ফার্ম তৈরিতে হাত না দিয়ে ছোট পরিসরে কাজে হাত দেওয়া ভালো। ৩০থেকে ৫০টি ১মাসের ভালো মানের বাচ্চা নিয়ে যাত্রা করে আস্তে আস্তে ফার্মকে সম্প্রসারণ করাই উত্তম।
বাছাই প্রক্রিয়া : নিজ এলাকায় বিশেষ করে মফস্বলে টার্কি ফার্ম গড়ে তোলাই শ্রেয়। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন টার্কির উন্নত জাত বাছাই। উন্নত জাতের টার্কি বাছাই না করলে সারা বছর ফার্মে রোগবালাই লেগে থাকবে , এবং ওজন কম হওয়াতে লাভবান হতে পারবেন না। ভালো জাতের টার্কির পাশাপাশি ফার্মে পর্যাপ্ত ঘাস, খোলা জায়গার ব্যবস্থা রাখতে হবে। ফার্ম গড়ে তোলার পরপরই ডিম এবং বাচ্চা বিক্রির জন্য প্রচারণা চালাতে হবে।
স্থান নির্বাচন : যেখানে যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো এবং বিক্রির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে এসব এলাকার আশপাশেই ফার্ম গড়ে তোলা প্রয়োজন। চারপাশে উঁচু দেওয়াল, পরিবেশসম্মত আবাসন, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস এবং হাঁটাচলার জন্য জায়গা থাকতে হবে। ওষুধের দোকান, কাঁচা ঘাসের খামার আশপাশে থাকলে ভালো।
খাবার সরবরাহ : পর্যাপ্ত ও মানসম্পন্ন খাবার না পেলে সঠিক পরিমাণ মাংস পাওয়া যায় না। সবসময়ই খেয়াল রাখতে হবে টার্কি র যেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও পুষ্টিমান সম্পন্ন হয়। এ জন্য পচা বা দীর্ঘদিন রাখা এসব পণ্য টার্কি কে খাওয়ানো উচিত নয়।
আয়ব‍্যায়: টার্কির খামার করে অন্য কোন খামারের চাইতে দ্বিগুণ লাভবান হওয়া যায় 
আরো পড়ুন>

টার্কির বাজার নিয়ে বিরুদ্ধবাদীদের শংকা | Opposition threat against Bangladesh Turkey Bird market !

আজকাল লক্ষ্য করা যাচ্ছে ফেসবুকে টার্কির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন রকম বিরূপ মন্তব্য করছেন। আবার উৎসুক নতুন খামারী বা সৌখিনদের অনেকেই দ্বিধাগ্রস্ত হচ্ছে টার্কি পালণ করবেন নাকি অন্য কিছু ? অনেকেই শংকিত টার্কির ভবিষ্যৎ কবুতরের বাজারের মত হবেনা ? কয়েক হাজার টাকার টার্কি কয়েক শত টাকায় বিক্রি করতে হবেনাত ?
 কেউ কেউ আবার রাখঢাক না করে সরাসরি টার্কিকে এম.এল.এম কোম্পানী ডেস্টিনি এর সাথে তুলনা করছেন এবং করুণ পরিণতির দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছেন। তাদের কয়েকটা যুক্তি হচ্ছে টার্কির যদি এতই চাহিদা থাকে তাহলে হাটে-বাজারে কেন টার্কি পাওয়া যায়না? আর এত দাম দিয়ে টার্কিই বা কে কিনে খাবে ? আবার টার্কি যদি আন্তর্জাতিক ভাবে এতই চাহিদা সম্পন্ন হয়ে থাকে তাহলে এখনো বাংলাদেশে এটি রপ্তানীর প্রসেসে আসেনি কেন ?
এহেন পরিস্থিতিতে একজন টার্কি খামারী হিসাবে টার্কির ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার মতামত ও ভাবনা তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।
প্রথমত আমি আমি সমালোচকদের সাথে একটি বিষয়ে একমত যে, বর্তমান দামে অর্থাৎ ৩,০০০-৪,০০০/- দিয়ে কেউ টার্কি কিনে খাবেনা এটা খুবই স্বাভাবিক। দাম হাতের নাগালে আসলে আশাকরি আপনিও (সমালোচক) এর স্বাদ নিতে চাইবেন । আর দাম হাতের নাগালে আসার মূল প্রতিবন্ধক হচ্ছে চাহিদার সাথে যোগানের ভারসাম্য না থাকা। এখন অধিকাংশ টার্কি ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে খামারী ও সৌখিনদের মাঝে।তাও আবার এর বেশীর ভাগই হয় ভার্চুয়াল মাধ্যমে। গণমাধ্যমে প্রচারকৃত টার্কি বিষয়ক বিভিন্ন প্রতিবেদন ও ভার্চুয়াল মাধ্যমের কল্যাণে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন উদ্যোক্তার সৃষ্টি হচ্ছে টার্কি সেক্টরে। আবার ব্রয়লারে ক্রমাগত লসের কারনে অনেক পুরাতন পোল্ট্রি ব্যবসায়ীও ব্রয়লার ছেড়ে টার্কির দিকে ঝুঁকছে। আর এই ক্রমবর্ধমান টার্কির বাচ্চার চাহিদার কারনেই ট্র্যাডিশনাল মার্কেটে অর্থাৎ হাটে-বাজারে টার্কি খুজে পাওয়া যায়না। ট্র্যাডিশনাল মার্কেটে টার্কি তখনই পাওয়া সম্ভব যখন খামারী পর্যায়ে টার্কির বাচ্চার চাহিদা পূরণ হবে।
হাটে-বাজারে বা পোর্ট্রির দোকান গুলোতে টার্কি পেতে হলে আমাদের আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশে আশাব্যঞ্জক হারে টার্কি ফার্মিং শুরু হয়েছে। আর তাই আশা করা যায় ভোক্তা পর্যায়ে টার্কি আসতে হয়তো খুব বেশীদিন লাগবেনা।
যারা শংকায় আছেন টার্কির মার্কেট কবুতরের মার্কেটের মত পরে যাবে, আমি মনে করি তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন ॥ সহজ কথা কেন বুঝতে পারছেননা টার্কি মাংস উৎপাদনে ব্যবহূত হয় পক্ষান্তরে কবুতর শুধুমাত্র সৌখিন পাখি। টার্কির মিট হিসাবে ভ্যালু আছে। আর তাই টার্কি কবুতরের মত কিছুদিন পরে কয়েক হাজার টাকার জিনিস কয়েক শত টাকায় বিক্রির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে দাম কমে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। আমি মনে করি দাম কমে গিয়ে একটি ০৬-০৭ কেজি ওজনের টার্কির দাম ২,০০০-২,৫০০/- এর মধ্যে হলে সেটাই হবে টার্কির সঠিক এবং স্বাভাবিক মূল্য।
আর রপ্তানীর কথা কি বলবো-এই নগন্য সংখ্যক টার্কি নিয়ে যেখানে দেশীয় উদ্যোক্তাদের বাচ্চার চাহিদাই মেটানো সম্ভব হচ্ছেনা সেখানে এত জলদি জলদি মাংস রপ্তানির কথা বলে প্রশ্ন তোলাটা কতটা যুক্তিযুক্ত তা প্রশ্নবিদ্ধ। রপ্তানীর পর্যায়ে যেতে হলে বৃহৎ উদ্যোগ ও তারচেয়ে বৃহত্তর প্রজেক্ট দরকার॥
একজন টার্কি খামারী হিসাবে টার্কির ভবিষ্যৎ হিসাবে আমি স্বপ্ন দেখি বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে প্রতিটি পরিবারে যেমন দেশীয় জাতের হাঁস-মুরগী পালণ করা হয়, ঠিক তেমনি একদিন বাংলাদেশের প্রত্যেকটি গ্রামীন পরিবারে টার্কি পালণ হবে। কারণ টার্কি পালণ অনেক সহজসাধ্য ও আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনাটা অনেক বেশী।
বিঃদ্রঃ লেখাটি পড়ে নেতিবাচক মনোভাব পোষণকারীদের আঁতে ঘা লাগলে লেখক দায়ী নয়।
আজকাল লক্ষ্য করা যাচ্ছে ফেসবুকে টার্কির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন রকম বিরূপ মন্তব্য করছেন। আবার উৎসুক নতুন খামারী বা সৌখিনদের অনেকেই দ্বিধাগ্রস্ত হচ্ছে টার্কি পালণ করবেন নাকি অন্য কিছু ? অনেকেই শংকিত টার্কির ভবিষ্যৎ কবুতরের বাজারের মত হবেনা ? কয়েক হাজার টাকার টার্কি কয়েক শত টাকায় বিক্রি করতে হবেনাত ?
 কেউ কেউ আবার রাখঢাক না করে সরাসরি টার্কিকে এম.এল.এম কোম্পানী ডেস্টিনি এর সাথে তুলনা করছেন এবং করুণ পরিণতির দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছেন। তাদের কয়েকটা যুক্তি হচ্ছে টার্কির যদি এতই চাহিদা থাকে তাহলে হাটে-বাজারে কেন টার্কি পাওয়া যায়না? আর এত দাম দিয়ে টার্কিই বা কে কিনে খাবে ? আবার টার্কি যদি আন্তর্জাতিক ভাবে এতই চাহিদা সম্পন্ন হয়ে থাকে তাহলে এখনো বাংলাদেশে এটি রপ্তানীর প্রসেসে আসেনি কেন ?
এহেন পরিস্থিতিতে একজন টার্কি খামারী হিসাবে টার্কির ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার মতামত ও ভাবনা তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।
প্রথমত আমি আমি সমালোচকদের সাথে একটি বিষয়ে একমত যে, বর্তমান দামে অর্থাৎ ৩,০০০-৪,০০০/- দিয়ে কেউ টার্কি কিনে খাবেনা এটা খুবই স্বাভাবিক। দাম হাতের নাগালে আসলে আশাকরি আপনিও (সমালোচক) এর স্বাদ নিতে চাইবেন । আর দাম হাতের নাগালে আসার মূল প্রতিবন্ধক হচ্ছে চাহিদার সাথে যোগানের ভারসাম্য না থাকা। এখন অধিকাংশ টার্কি ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে খামারী ও সৌখিনদের মাঝে।তাও আবার এর বেশীর ভাগই হয় ভার্চুয়াল মাধ্যমে। গণমাধ্যমে প্রচারকৃত টার্কি বিষয়ক বিভিন্ন প্রতিবেদন ও ভার্চুয়াল মাধ্যমের কল্যাণে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন উদ্যোক্তার সৃষ্টি হচ্ছে টার্কি সেক্টরে। আবার ব্রয়লারে ক্রমাগত লসের কারনে অনেক পুরাতন পোল্ট্রি ব্যবসায়ীও ব্রয়লার ছেড়ে টার্কির দিকে ঝুঁকছে। আর এই ক্রমবর্ধমান টার্কির বাচ্চার চাহিদার কারনেই ট্র্যাডিশনাল মার্কেটে অর্থাৎ হাটে-বাজারে টার্কি খুজে পাওয়া যায়না। ট্র্যাডিশনাল মার্কেটে টার্কি তখনই পাওয়া সম্ভব যখন খামারী পর্যায়ে টার্কির বাচ্চার চাহিদা পূরণ হবে।
হাটে-বাজারে বা পোর্ট্রির দোকান গুলোতে টার্কি পেতে হলে আমাদের আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশে আশাব্যঞ্জক হারে টার্কি ফার্মিং শুরু হয়েছে। আর তাই আশা করা যায় ভোক্তা পর্যায়ে টার্কি আসতে হয়তো খুব বেশীদিন লাগবেনা।
যারা শংকায় আছেন টার্কির মার্কেট কবুতরের মার্কেটের মত পরে যাবে, আমি মনে করি তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন ॥ সহজ কথা কেন বুঝতে পারছেননা টার্কি মাংস উৎপাদনে ব্যবহূত হয় পক্ষান্তরে কবুতর শুধুমাত্র সৌখিন পাখি। টার্কির মিট হিসাবে ভ্যালু আছে। আর তাই টার্কি কবুতরের মত কিছুদিন পরে কয়েক হাজার টাকার জিনিস কয়েক শত টাকায় বিক্রির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে দাম কমে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। আমি মনে করি দাম কমে গিয়ে একটি ০৬-০৭ কেজি ওজনের টার্কির দাম ২,০০০-২,৫০০/- এর মধ্যে হলে সেটাই হবে টার্কির সঠিক এবং স্বাভাবিক মূল্য।
আর রপ্তানীর কথা কি বলবো-এই নগন্য সংখ্যক টার্কি নিয়ে যেখানে দেশীয় উদ্যোক্তাদের বাচ্চার চাহিদাই মেটানো সম্ভব হচ্ছেনা সেখানে এত জলদি জলদি মাংস রপ্তানির কথা বলে প্রশ্ন তোলাটা কতটা যুক্তিযুক্ত তা প্রশ্নবিদ্ধ। রপ্তানীর পর্যায়ে যেতে হলে বৃহৎ উদ্যোগ ও তারচেয়ে বৃহত্তর প্রজেক্ট দরকার॥
একজন টার্কি খামারী হিসাবে টার্কির ভবিষ্যৎ হিসাবে আমি স্বপ্ন দেখি বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে প্রতিটি পরিবারে যেমন দেশীয় জাতের হাঁস-মুরগী পালণ করা হয়, ঠিক তেমনি একদিন বাংলাদেশের প্রত্যেকটি গ্রামীন পরিবারে টার্কি পালণ হবে। কারণ টার্কি পালণ অনেক সহজসাধ্য ও আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনাটা অনেক বেশী।
বিঃদ্রঃ লেখাটি পড়ে নেতিবাচক মনোভাব পোষণকারীদের আঁতে ঘা লাগলে লেখক দায়ী নয়।
আরো পড়ুন>